শিল্পীরা কেন নবান্ন উৎসবকে শহরে পালন করতে শুরু করে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো: গ্রাম ও শহরের সংস্কৃতির দূরত্ব ঘোচাতে।
বিষয়টা খুব সহজ—নবান্ন হলো মূলত গ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। শিল্পীরা যখন এই উৎসবটিকে শহরেও পালন করতে শুরু করেন, তখন এর মূল উদ্দেশ্য থাকে যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ত জীবনে গ্রামীণ শেকড়ের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়া। এর মাধ্যমে গ্রাম বাংলা ও শহরের মানুষের সংস্কৃতির যে দূরত্ব বা ব্যবধান রয়েছে, তা খুব সহজেই ঘুচে যায় এবং দুই সংস্কৃতির মধ্যে একটা সুন্দর মেলবন্ধন তৈরি হয়।
পাক শাসকগোষ্ঠী ধর্মের দোহাই দিয়ে বাঙালিদের সংস্কৃতিচর্চায় বাধা দেওয়ার বিরুদ্ধে চিত্রশিল্পীরা সংস্কৃতির কোন বিষয়টিকে প্রতিবাদ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো আলপনা।
পাক শাসকগোষ্ঠী যখন ধর্মের দোহাই দিয়ে বাঙালিদের শিল্প ও সংস্কৃতিচর্চা বন্ধ করতে চেয়েছিল, তখন আমাদের দেশের প্রতিবাদী চিত্রশিল্পীরা বাঙালির আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প আলপনা-কেই তাদের জোরালো প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। দেয়ালে দেয়ালে বা রাজপথে আলপনা এঁকে তারা সংস্কৃতির ওপর নেমে আসা অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব অথচ অত্যন্ত শক্তিশালী প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
জলরঙে ছবি আঁকতে কোন ধরনের পশমের তুলি প্রয়োজন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: নরম।
জলরঙে ছবি আঁকার সময় সাধারণত জল ও রঙের মিশ্রণকে খুব মসৃণভাবে কাগজের ওপর ছড়াতে হয়। এজন্য নরম পশমের তুলি (যেমন: স্কুইরিল বা সিন্থেটিক সফট হেয়ার ব্রাশ) ব্যবহার করা হয়, যা সহজেই জল শোষণ করতে পারে এবং কাগজের ওপর আলতো টানে সুন্দর ফিনিশিং দেয়। শক্ত তুলি ব্যবহার করলে কাগজের টেক্সচার নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রাচীন শিল্পকর্মে আমরা বেশিরভাগ কোন নিদর্শন দেখতে পাই?
এখানে সঠিক উত্তর হলো পোড়ামাটির ফলকচিত্র।
আমাদের প্রাচীন শিল্পকর্ম ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথা উঠলেই সবার আগে পোড়ামাটির ফলকচিত্র বা টেরাকোটার নাম চলে আসে। পাহাড়পুর বা মহাস্থানগড়ের মতো প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পোড়ামাটির ফলকচিত্র পাওয়া গেছে, যা সেই আমলের মানুষের শিল্পবোধ ও জীবনযাত্রার গল্প বলে। তাই এটিই আমাদের সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রধান প্রাচীন নিদর্শন।