T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
গার্হস্থ্যবিজ্ঞান
৯ম-১০ম শ্রেণি
১

কোনটি মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
যোগ্য টিউটরের সন্ধান করা
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো যোগ্য টিউটরের সন্ধান করা। বিষয়টি খুব সহজভাবে চিন্তা করলেই বোঝা যায়:

  • লক্ষ্যের ধরণ: আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ভালো রেজাল্ট করা, আর স্কুলে যাওয়া বা পড়াশোনা করা হলো দৈনন্দিন কাজের অংশ।
  • মধ্যবর্তী ধাপ: ভালো রেজাল্ট করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বা সেতু হিসেবে কাজ করে একজন ভালো শিক্ষক। তাই এটি একটি মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্য।
  • সহজ যুক্তি: আপনি যখন কোনো বড় গন্তব্যে পৌঁছাতে চান, তখন মাঝপথে যে ছোট ছোট মাইলফলকগুলো পূরণ করতে হয়, টিউটর খুঁজে পাওয়া ঠিক তেমনই একটি প্রয়োজনীয় ধাপ।

সহজ কথায়, মূল লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যে কার্যকর পদক্ষেপটি আমাদের নিতে হয়, সেটিই এখানে মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়েছে।

২

মনোয়ারা জামানের করণীয় ছিল - i. পরিকল্পনা করা । ii. উদ্যোগ নেওয়া। iii. কাজের অগ্রগতি পরীক্ষা করা।

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
i, ii ও iii
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো i, ii ও iii। কারণ একজন সফল উদ্যোক্তা বা ব্যবস্থাপক হিসেবে মনোয়ারা জামানের প্রতিটি ধাপই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি সহজভাবে এভাবে দেখা যায়:

  • পরিকল্পনা করা: যেকোনো কাজের শুরুতেই লক্ষ্য নির্ধারণ এবং তা কীভাবে সম্পন্ন হবে তার একটি খসড়া তৈরি করা জরুরি।
  • উদ্যোগ নেওয়া: শুধু পরিকল্পনা করলেই হয় না, সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করার সাহস ও উদ্যোগ থাকা প্রয়োজন।
  • কাজের অগ্রগতি পরীক্ষা করা: কাজ শুরুর পর তা সঠিক পথে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা বা মূল্যায়ন করা সফলতার জন্য অপরিহার্য।

অর্থাৎ, একটি কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করতে এই তিনটি ধাপই একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

৩

মনোয়ারা জামানের কর্মপদ্ধতিতে কোনটির অভাব লক্ষ্য করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নিয়ন্ত্রণ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো নিয়ন্ত্রণ। কারণ ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ একে অপরের সাথে গভীরভাবে জড়িত। মনোয়ারা জামানের কর্মপদ্ধতিতে যখন কাজের মান যাচাই করা বা পরিকল্পিত লক্ষ্যের সাথে অর্জিত ফলাফলের তুলনা করার অভাব ঘটে, তখনই মূলত নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার ঘাটতি দেখা দেয়।

  • পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন: কাজ শুরু করার জন্য উদ্যোগ বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ থাকলেও, কাজের গতিপথ ঠিক রাখতে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়।
  • সংশোধনমূলক ব্যবস্থা: কোনো কাজ ভুল পথে গেলে তা সংশোধন করার নামই নিয়ন্ত্রণ, যা অনুপস্থিত থাকলে পুরো কর্মপদ্ধতিই অকার্যকর হয়ে পড়ে।
  • লক্ষ্য অর্জন: সঠিক নিয়ন্ত্রণ না থাকলে প্রতিষ্ঠানের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করা প্রায় অসম্ভব।
৪

সাবিহার কাজের মাধ্যমে ফুটে উঠে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সৃজনশীলতা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সৃজনশীলতা। এর কারণ খুব সহজ—যখন কেউ নতুন কোনো ধারণা, শৈল্পিক কাজ বা ভিন্নধর্মী কোনো সমাধান তৈরি করে, তখন তার সেই কাজের মাধ্যমে তার সৃজনশীল প্রতিভাই ফুটে ওঠে।

  • সৃজনশীলতা মানেই হলো গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি করা।
  • সাবিহার কাজের ধরন যদি প্রথাগত নিয়মের চেয়ে আলাদা এবং উদ্ভাবনী হয়, তবে তা সরাসরি তার সৃজনশীলতারই বহিঃপ্রকাশ।
  • সহজ কথায়, নতুন কিছু তৈরি করার ক্ষমতা বা বিশেষ কোনো কাজের শৈল্পিক রূপই হলো সৃজনশীলতা, যা সাবিহার কাজের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে।
৫

শিশুর কাজে আত্মবিশ্বাস বাড়ে কীভাবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ভালো দিক তুলে ধরলে
সমাধান

শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তার কাজের ভালো দিকগুলো খুঁজে বের করে প্রশংসা করা। যখন আমরা কোনো শিশুর ছোট ছোট অর্জনের প্রশংসা করি, তখন সে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ পায় এবং নিজের ওপর আস্থা অর্জন করে।

বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে দেখা যায়:

  • ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি: শিশুর ভালো কাজের প্রশংসা করলে তার মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক হরমোন নিঃসরণ হয়, যা তাকে আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করে।
  • ভয়ের মুক্তি: ভুল ধরিয়ে দেওয়ার চেয়ে ভালো দিকগুলো তুলে ধরলে শিশু ভুল করার ভয় পায় না, ফলে সে সৃজনশীল হতে শেখে।
  • আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি: নিজের কাজের স্বীকৃতি পেলে শিশুর মনে হয় সে সক্ষম, যা তার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

তাই শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সবসময় তার চেষ্টার প্রশংসা করুন এবং ভালো দিকগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরুন।

৬

বিথীর অসুবিধা দূরীকরণে কীরূপ খাদ্য দেওয়া প্রয়োজন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ভিটামিন সমৃদ্ধ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ভিটামিন সমৃদ্ধ।

আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য ভিটামিনের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। বিথীর নির্দিষ্ট অসুবিধা বা ঘাটতি দূর করতে পুষ্টিবিদরা তাই সবসময় ভিটামিন সমৃদ্ধ সুষম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যা শরীরকে চাঙ্গা রাখতে দ্রুত কাজ করে।