Address Variable রাখা যায় কোনটিতে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো pointer। কারণ পয়েন্টার হলো এমন একটি বিশেষ ভেরিয়েবল যা অন্য কোনো ভেরিয়েবলের সরাসরি মেমরি অ্যাড্রেস বা ঠিকানা নিজের মধ্যে ধরে রাখতে পারে।
- সাধারণ ভেরিয়েবল শুধু ডেটা (যেমন: সংখ্যা বা অক্ষর) সংরক্ষণ করে।
- অন্যদিকে, পয়েন্টার ভেরিয়েবল মেমরি লোকেশনের Address বা ঠিকানা নিয়ে কাজ করে।
ট্যালি ইতিহাস পাঠের ফলে কোনটি অর্জন করে না?
সঠিক উত্তর হলো ধনসম্পদ অর্জন। বিষয়টি আসলে বেশ সহজ:
- ইতিহাস পাঠ আমাদের অতীত সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে, যা আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে অনেক বিস্তৃত করে।
- অতীতের বিভিন্ন ঘটনা ও দৃষ্টান্ত থেকে আমরা শিক্ষা নিয়ে বর্তমানের ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারি।
- কিন্তু ইতিহাস পড়ার মূল উদ্দেশ্য বা ফলাফল কোনোভাবেই সরাসরি ধনসম্পদ বা টাকা-পয়সা উপার্জন করা নয়। ইতিহাস আমাদের সচেতন ও জ্ঞানী করে তোলে, যা মানবিক বিকাশের সাথে সম্পর্কিত, অর্থনৈতিক অর্জনের সাথে নয়।
ডেলিয়াগাহী সমাজের মধ্যে নিচের কোন সত্যতার শিক্ষাব্যবস্থার রীতিনীতি ফুটে উঠেছে?
সঠিক উত্তর হলো গ্রিক। ডেলিয়াগাহী বা প্রাচীন গ্রিসের সমাজব্যবস্থায় শিক্ষার যে রীতিনীতি ও দর্শন ফুটে উঠেছে, তা মূলত তাদের জ্ঞানচর্চা এবং নাগরিক তৈরির প্রক্রিয়ার সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- প্রাচীন গ্রিসে শিক্ষার মূল লক্ষ্য ছিল একজন আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলা, যেখানে শরীরচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সমন্বয় ঘটত।
- তাদের শিক্ষাব্যবস্থায় যুক্তিবিদ্যা, দর্শন এবং গণতন্ত্রের চর্চাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
- ডেলিয়াগাহী বা প্রাচীন গ্রিক সমাজ মূলত তাদের এই সুশৃঙ্খল ও মানবিক শিক্ষাদর্শের জন্যই ইতিহাসে আলাদাভাবে পরিচিত।
বড় কামতা নামক স্থানটি কত শতকে সমতটের রাজধানী ছিল?
সঠিক উত্তর হলো সপ্তম শতক। বিষয়টি মনে রাখা বেশ সহজ:
- ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, সপ্তম শতকে সমতট অঞ্চলের রাজধানী হিসেবে বড় কামতার নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর ভ্রমণবৃত্তান্ত থেকে জানা যায়, সেই সময়ে সমতট ছিল একটি সমৃদ্ধ জনপদ, যার প্রশাসনিক কেন্দ্র বা রাজধানী হিসেবে বড় কামতা ব্যবহৃত হতো।
- ইতিহাসের এই সময়কালটি মূলত খ্রিষ্টীয় $7$ম শতকের সাথে সম্পর্কিত, যা আমাদের সঠিক উত্তরের দিকে নিয়ে যায়।
উদ্দীপকে বংশের লোকদের কেন ব্রহ্মা ক্ষত্রিয়' বলা হয়?
উদ্দীপকের বংশের লোকদের 'ব্রহ্ম ক্ষত্রিয়' বলার মূল কারণ হলো তাদের বংশগত পরিবর্তনের ইতিহাস। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:
- ঐতিহাসিকভাবে এই বংশের মানুষজন শুরুতে ব্রাহ্মণ পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।
- পরবর্তীতে তারা যুদ্ধবিদ্যা ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যার ফলে তারা ক্ষত্রিয় মর্যাদায় উন্নীত হন।
- এই দুই বর্ণের সংমিশ্রণ বা রূপান্তরের কারণেই তাদের ব্রহ্ম ক্ষত্রিয় বলা হয়।
সহজ কথায়, ব্রাহ্মণ থেকে ক্ষত্রিয় হওয়ার এই বিশেষ বিবর্তনই তাদের এই নামের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে।
উদ্দীপকে 'খিল' বলতে কোনটিকে বুঝিয়েছে?
উদ্দীপকে 'খিল' বলতে মূলত পতিত জমি বা আবাদহীন জমিকে বোঝানো হয়েছে। প্রাচীন বা মধ্যযুগীয় ভূমি ব্যবস্থায় যে জমিগুলো চাষাবাদের আওতায় আসত না বা দীর্ঘদিন ফেলে রাখা হতো, সেগুলোকে 'খিল' জমি বলা হতো।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- খিল জমি: যে জমিতে কোনো ফসল ফলানো হয় না বা যা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকে।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সুলতানি বা মুঘল আমলে ভূমি জরিপের সময় এই ধরনের জমিকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হতো, যা রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
সুতরাং, খিল মানেই হলো এমন একখণ্ড জমি যা বর্তমানে কোনো কাজে লাগছে না বা পতিত অবস্থায় আছে।
বর্ণিত ঘটনা দ্বারা কোনটির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো পলাশীর যুদ্ধের। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ছিল বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার মুহূর্ত।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এই যুদ্ধটিই ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
- ঘটনার প্রেক্ষাপট, বিশ্বাসঘাতকতা এবং এর পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করলে সহজেই বোঝা যায় এটি পলাশীর যুদ্ধেরই বহিঃপ্রকাশ।
তাই ইতিহাসের এই বিশেষ মুহূর্তটি মনে রাখতে ১৭৫৭ সাল এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলা—এই দুটি তথ্য মাথায় রাখলেই বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যায়।
উদ্দীপকের রহিমার কর্মকান্ডে কোন সময়ের প্রতিচ্ছবি লক্ষ করা যায় ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো মধ্য-যুগের। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা উদ্দীপকের প্রেক্ষাপটটি খেয়াল করি।
- উদ্দীপকে রহিমা যে ধরনের আচার-আচরণ বা সামাজিক রীতিনীতির অনুসরণ করছে, তা মূলত তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থাকে নির্দেশ করে।
- ইতিহাসের পাতায় এই ধরনের কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অনুগত জীবনধারা মূলত মধ্য-যুগের সামাজিক কাঠামোর সাথে হুবহু মিলে যায়।
- আধুনিক যুগের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ বা প্রাচীন যুগের আদিম জীবনযাত্রার চেয়ে রহিমার কর্মকাণ্ডে মধ্য-যুগের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রভাবই সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট।
তাই উদ্দীপকের আলোকে রহিমার জীবনধারাকে সরাসরি মধ্য-যুগের প্রতিচ্ছবি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের ঘটনাটির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো দ্বৈতশাসন। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
- দ্বৈতশাসন মানে হলো একই সাথে দুই ধরনের শাসন ব্যবস্থা। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করার পর এই ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়।
- এই ব্যবস্থায় একদিকে ছিল নবাবের প্রশাসনিক দায়িত্ব, আর অন্যদিকে ছিল কোম্পানির রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা।
- সহজ কথায়, দায়িত্ব ছিল নবাবের কিন্তু ক্ষমতা ছিল কোম্পানির হাতে। এই অদ্ভুত ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ শাসন ব্যবস্থাটিই ইতিহাসে দ্বৈতশাসন নামে পরিচিত।
উদ্দীপকের ঘটনাটি যদি দায়িত্ব ও ক্ষমতার এই বিভাজনকে নির্দেশ করে, তবে চোখ বন্ধ করেই বলা যায় এটি দ্বৈতশাসনের সাথে মিলে যায়।
হাজী মুহম্মদ মহসীন মাদ্রাসার উন্নতি সাধনের উদ্দেশ্যে প্রচুর অর্থ দান করেন- i. ঢাকায় ii. চট্টগ্রামে iii. যশোরে নিচের কোনটি সঠিক?
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও ii। হাজী মুহম্মদ মহসীন ছিলেন একজন মহান দানবীর, যিনি শিক্ষা বিস্তারের জন্য নিজের অঢেল সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছিলেন।
- তিনি মূলত ঢাকা এবং চট্টগ্রাম মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য প্রচুর অর্থ দান করেছিলেন।
- এই অর্থায়নের মাধ্যমেই তৎকালীন সময়ে এই অঞ্চলগুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছিল।
সহজ কথায়, তার দান করা "মহসীন ফান্ড" থেকে প্রাপ্ত অর্থ ঢাকা ও চট্টগ্রাম মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থাকে অনেক শক্তিশালী করে তুলেছিল। তাই এই দুটি স্থানই সঠিক উত্তরের অন্তর্ভুক্ত।