T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা
৯ম-১০ম শ্রেণি
১

শারীরিক শিবার উন্নয়নের জন্য যেসব ৰেত্রে বেশি নজর দেয়া প্রয়োজন- i. শিশুর শারীরিক বিকাশ ii. শিশুর মানসিক বিকাশ iii. শিশুর নৈতিক বিকাশ নিচের কোনটি সঠিক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
i ও ii
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: i ও ii। কারণ শারীরিক শিক্ষার মূল লক্ষ্যই হলো শিশুর শরীর ও মনের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা। বিষয়টি সহজভাবে এভাবে দেখা যেতে পারে:

  • শারীরিক বিকাশ: শারীরিক শিক্ষার প্রধান কাজ হলো ব্যায়াম ও খেলাধুলার মাধ্যমে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঠিক বৃদ্ধি ঘটানো এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো।
  • মানসিক বিকাশ: খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ড শিশুর মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়, আত্মবিশ্বাস তৈরি করে এবং চিন্তাশক্তিকে প্রখর করে।

সহজ কথায়, শারীরিক শিক্ষা কেবল শরীরচর্চা নয়, বরং এটি শিশুর সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা তৈরির একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। তাই শারীরিক শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই দুটি বিষয়ই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২

মিনার মাথা ঝিমঝিম অনুভব হওয়ার কারণ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মানসিক অবসাদ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো মানসিক অবসাদ। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের মস্তিষ্ক যখন অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকে, তখন শরীর তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মাথা ঝিমঝিম বা অস্বস্তির সংকেত দেয়।

  • মানসিক চাপ: দীর্ঘক্ষণ দুশ্চিন্তা বা অতিরিক্ত কাজের চাপে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ও স্নায়বিক উত্তেজনায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়।
  • প্রতিক্রিয়া: এই ভারসাম্যহীনতার কারণেই মূলত মাথা ঝিমঝিম বা হালকা ঘোরার মতো অনুভূতি হয়।
  • সহজ সমাধান: পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা এই সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে সাহায্য করে।
৩

অবসাদের পরিবেশগত কারণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সহকর্মীদের খারাপ আচরণ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সহকর্মীদের খারাপ আচরণ। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কর্মক্ষেত্রে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পরিবেশের প্রভাব অনেক বেশি।

  • কর্মক্ষেত্রে আমরা দিনের অনেকটা সময় সহকর্মীদের সাথে কাটাই।
  • যদি সহকর্মীদের ব্যবহার বা আচরণ নেতিবাচক হয়, তবে তা প্রতিনিয়ত মানসিক চাপের সৃষ্টি করে।
  • এই দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক পরিবেশই শেষ পর্যন্ত মানুষকে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত বা Burnout-এর দিকে ঠেলে দেয়।

সহজ কথায়, কাজের জায়গার পরিবেশ যদি বন্ধুত্বপূর্ণ না হয়, তবে তা কাজের আগ্রহ কমিয়ে দেয় এবং অবসাদের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৪

স্বাস্থ্যনীতি মেনে চলার উদ্দেশ্য হলো- i.রোগের আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করা ii. স্বাস্থ্যসম্মত নিয়ম মেনে চলা iii বেশি বেশি খাবার গ্রহণ করা নিচের কোনটি সঠিক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ক. i ও ii
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ক. i ও ii। বিষয়টি খুব সহজ, চলুন দেখে নেওয়া যাক কেন:

  • রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা: স্বাস্থ্যবিধি বা স্বাস্থ্যনীতি মেনে চলার মূল লক্ষ্যই হলো শরীরকে সুস্থ রাখা এবং জীবাণুর আক্রমণ থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা। তাই প্রথম পয়েন্টটি সঠিক।
  • স্বাস্থ্যসম্মত নিয়ম পালন: সুশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা স্বাস্থ্যনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই দ্বিতীয় পয়েন্টটিও সঠিক।
  • বেশি খাবার গ্রহণ: স্বাস্থ্যনীতি মানে বেশি খাবার খাওয়া নয়, বরং পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা। বেশি খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই তৃতীয় পয়েন্টটি ভুল।

সহজ কথায়, স্বাস্থ্যনীতি আমাদের সুস্থ থাকার সঠিক পথ দেখায়, যা কেবল প্রথম ও দ্বিতীয় পয়েন্টের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হয়।

৫

স্বাস্থ্য রক্ষা কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
খ. নীরোগ থাকা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো খ. নীরোগ থাকা। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ স্বাস্থ্য রক্ষার মূল উদ্দেশ্যই হলো শরীরকে রোগমুক্ত বা সুস্থ রাখা।

  • স্বাস্থ্য রক্ষা মানে কেবল শরীরচর্চা বা খাবার নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং এমন সব নিয়ম মেনে চলা যার ফলে শরীর ও মন রোগব্যাধি থেকে দূরে থাকে।
  • যখন আমরা সুষম খাবার খাই, নিয়মিত ব্যায়াম করি এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকি, তখন আমাদের শরীর প্রাকৃতিকভাবেই নীরোগ বা সুস্থ থাকে।
  • তাই স্বাস্থ্য রক্ষার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো শরীরকে সব ধরনের অসুস্থতা থেকে বাঁচিয়ে নীরোগ রাখা।
৬

কোনটি দেহে কর্মশক্তি যোগায় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ক. শর্করা
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ক. শর্করা। আমাদের শরীরের প্রধান জ্বালানি হিসেবে শর্করা কাজ করে, যা খুব সহজে ভেঙে দ্রুত শক্তি উৎপাদন করতে পারে।

বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:

  • শরীরের প্রতিটি কোষের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির বড় একটি অংশ আসে শর্করা থেকে।
  • আমরা যখন ভাত, রুটি বা চিনি জাতীয় খাবার খাই, শরীর সেগুলোকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে।
  • এই গ্লুকোজ রক্তে মিশে কোষের ভেতরে গিয়ে শক্তি তৈরি করে, যা আমাদের দৈনন্দিন চলাফেরা ও কাজ করার ক্ষমতা দেয়।

সহজ কথায়, শর্করা হলো আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে দ্রুত ও সহজলভ্য শক্তির উৎস।

৭

মা ও শিশুর অপুষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বাল্যবিবাহ
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো বাল্যবিবাহ। মা ও শিশুর অপুষ্টির পেছনে এটি একটি বড় কারণ, কারণ এর সাথে জড়িয়ে আছে শারীরিক ও সামাজিক কিছু জটিলতা:

  • অল্প বয়সে বিয়ের ফলে মেয়েরা শারীরিক ও মানসিকভাবে মা হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে না, যা গর্ভস্থ শিশুর পুষ্টির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।
  • কম বয়সে গর্ভধারণ করলে মায়ের নিজের শরীরের পুষ্টির চাহিদা মেটানোই কঠিন হয়ে পড়ে, ফলে শিশু জন্ম থেকেই অপুষ্টিতে ভোগে।
  • বাল্যবিবাহের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুদের ওজন কম হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে এবং তারা দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে।

সহজ কথায়, একজন কিশোরী মা নিজে যখন পুষ্টির অভাবে থাকেন, তখন তার পক্ষে একটি সুস্থ ও পুষ্ট শিশু জন্ম দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই বাল্যবিবাহ রোধ করাই অপুষ্টি দূর করার প্রথম ধাপ।

৮

চাল কোন জাতীয় খাবার

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শর্করা
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো শর্করা। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ চাল বা ভাত আমাদের শরীরের প্রধান শক্তির উৎস।

  • চাল বা ভাতের মূল উপাদান হলো কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা।
  • আমরা যখন ভাত খাই, শরীর এই শর্করা ভেঙে দ্রুত গ্লুকোজ তৈরি করে, যা আমাদের দৈনন্দিন কাজের শক্তি জোগায়।
  • সহজ কথায়, আমাদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় শক্তির প্রধান জোগানদাতা হিসেবে চাল বা শর্করা জাতীয় খাবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।