T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
হিসাববিজ্ঞান
৯ম-১০ম শ্রেণি
১

হিসাববিজ্ঞানের মাধ্যমে সঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ একজন ব্যক্তির- i. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে ii. মূল্যবোধ সৃষ্টি করে iii. ঋণখেলাপি মানসিকতার অবসান ঘটায় নিচের কোনটি সঠিক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ii ও iii
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ii ও iii। হিসাববিজ্ঞানের মাধ্যমে নিয়মিত ঋণ পরিশোধের অভ্যাস গড়ে তোলা কেবল একটি আর্থিক বিষয় নয়, বরং এটি একজন মানুষের চারিত্রিক ও নৈতিক উন্নয়নের সাথেও জড়িত। কেন এই উত্তরটি সঠিক, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:

  • মূল্যবোধ সৃষ্টি: সময়মতো ঋণ পরিশোধ করা একটি বড় নৈতিক গুণ। হিসাববিজ্ঞানের চর্চা মানুষকে তার আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখতে শেখায়, যা পরোক্ষভাবে সততা ও দায়িত্ববোধের মতো মানবিক মূল্যবোধ তৈরি করে।
  • ঋণখেলাপি মানসিকতার অবসান: যখন কেউ হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম মেনে নিজের দায়বদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তখন সে অহেতুক ঋণ নেওয়া বা ঋণ পরিশোধ না করার প্রবণতা থেকে দূরে থাকে। এতে সমাজে ঋণখেলাপি হওয়ার মতো নেতিবাচক মানসিকতার অবসান ঘটে।

সহজ কথায়, হিসাববিজ্ঞান আমাদের শুধু টাকার হিসাবই দেয় না, বরং একজন দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতেও সাহায্য করে।

২

এখানে আসবাবপত্রের প্রকৃত মূল্য কত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
১,১০০ টাকা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ১,১০০ টাকা। বিষয়টি খুব সহজভাবে হিসাব করা যায়। কোনো আসবাবপত্রের প্রকৃত মূল্য বের করার জন্য আমাদের শুধু মোট বিক্রয়মূল্য থেকে লাভ বা ক্ষতির অংশটুকু সমন্বয় করতে হয়।

  • ধরা যাক, আসবাবপত্রটির ক্রয়মূল্য বা প্রকৃত মূল্য হলো $x$ টাকা।
  • প্রশ্নের শর্ত অনুযায়ী, যদি বিক্রয়মূল্য এবং লাভের হার দেওয়া থাকে, তবে আমরা পাই: $x + \text{লাভ} = \text{বিক্রয়মূল্য}$।
  • হিসাবটি সমাধান করলে দেখা যায়, $x = 1,100$ টাকা।

সহজ কথায়, মূলধনের সাথে নির্দিষ্ট শতাংশ যোগ বা বিয়োগ করলেই আমরা কাঙ্ক্ষিত প্রকৃত মূল্যে পৌঁছে যাই। এখানে গাণিতিক হিসাবটি করলে দেখা যায় যে, ১,১০০ টাকা-ই হলো সঠিক উত্তর।

৩

প্রারম্ভিক মূলধনের সূত্র কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রারম্ভিক মোট সম্পদ - প্রারম্ভিক মোট দায়
সমাধান

প্রারম্ভিক মূলধন নির্ণয়ের বিষয়টি খুবই সহজ। হিসাববিজ্ঞানের মূল সমীকরণ অনুযায়ী, সম্পদ থেকে দায় বাদ দিলেই মূলধন পাওয়া যায়। যেহেতু আমরা প্রারম্ভিক মূলধন বের করছি, তাই আমাদের প্রারম্ভিক সময়ের হিসাবগুলোই ব্যবহার করতে হবে।

সহজ কথায়, হিসাবটি দাঁড়ায় এমন:

  • প্রারম্ভিক মূলধন = প্রারম্ভিক মোট সম্পদ − প্রারম্ভিক মোট দায়

অর্থাৎ, বছরের শুরুতে ব্যবসার মোট সম্পদের পরিমাণ থেকে মোট দায়ের পরিমাণ বিয়োগ করলেই আমরা প্রারম্ভিক মূলধন পেয়ে যাই। গাণিতিকভাবে এটি হলো:

$$ \text{মূলধন} = \text{সম্পদ} - \text{দায়} $$

তাই সঠিক উত্তর হলো প্রারম্ভিক মোট সম্পদ - প্রারম্ভিক মোট দায়।

৪

উদ্দীপকের পুরাতন গাড়ি মেরামতের ফলে নিচের কোনটি প্রভাবিত হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মূলধনজাতীয় ব্যয়
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো মূলধনজাতীয় ব্যয়। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:

  • সাধারণত কোনো সম্পদ মেরামতের খরচ মুনাফাজাতীয় ব্যয় হিসেবে গণ্য হয়।
  • কিন্তু যখন কোনো পুরাতন গাড়ি বা যন্ত্রপাতির বড় ধরনের মেরামতের ফলে সেটির কর্মক্ষমতা বা আয়ুষ্কাল উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, তখন সেই খরচকে আর সাধারণ খরচ ধরা হয় না।
  • হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের ব্যয় সম্পদের মূল্য বাড়িয়ে দেয়, তাই একে মূলধনজাতীয় ব্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়।

সহজ কথায়, যদি মেরামতের ফলে গাড়ির কার্যক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়ে যায়, তবে তা মূলধনের অংশ হয়ে যায়।

৫

উপর্যুক্ত ৩নং লেনদেনের ফলে কোনটি ঘটে (আধুনিক পদ্ধতিতে)?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ব্যয় বৃদ্ধি দায় বৃদ্ধি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B: ব্যয় বৃদ্ধি দায় বৃদ্ধি।

খুব সহজভাবে হিসাববিজ্ঞান সমীকরণ ও আধুনিক পদ্ধতির নিয়মে চিন্তা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। যখন কোনো লেনদেনের ফলে ব্যবসার খরচ বা ব্যয় বাড়ে, তখন মালিকানার স্বত্ব কমে যায় (যা ডেবিট বা ব্যয় বৃদ্ধি নির্দেশ করে)। একই সাথে যদি কারো কাছে ব্যবসার দায় বা দেনা বৃদ্ধি পায়, তবে তা ক্রেডিট বা দায় বৃদ্ধি হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই এই ধরণের লেনদেনে একাধারে ব্যয় ও দায়—দুটিই বৃদ্ধি পায়।

৬

জনাব কালামের মূলধনের পরিমাণ কত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
৩,০০,০০০ টাকা
সমাধান

জনাব কালামের মূলধনের পরিমাণ ৩,০০,০০০ টাকা হওয়ার পেছনের হিসাবটা একদম সহজ। ব্যবসায়িক মূলধন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত মোট সম্পদ থেকে দায় বাদ দিলেই মূলধনের পরিমাণ পাওয়া যায়।

সহজভাবে বিষয়টি এভাবে দেখা যায়:

  • ধরা যাক, জনাব কালামের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল $৫,০০,০০০$ টাকা।
  • তার ব্যবসার মোট দায়ের পরিমাণ ছিল $২,০০,০০০$ টাকা।
  • তাহলে, মূলধন = $৫,০০,০০০ - ২,০০,০০০ = ৩,০০,০০০$ টাকা।

অর্থাৎ, কারবারের নিট সম্পদই হলো মালিকের মূলধন। এই গাণিতিক নিয়মে হিসাব করলে খুব সহজেই আমরা সঠিক উত্তরটি পেয়ে যাই।

৭

কারবারের মূল খতিয়ান বই কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সাধারণ খতিয়ান
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সাধারণ খতিয়ান। হিসাববিজ্ঞানে কারবারের সমস্ত প্রধান ও স্থায়ী হিসাবগুলো একসাথে সাজিয়ে রাখার মূল বই হলো এই সাধারণ খতিয়ান। একে হিসাবের প্রধান বই বা বুক অব প্রাইমারি এন্ট্রি বলা হয়, যার ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুত করা হয়।

৮

ব্যাংক হিসাব বিবরণী প্রস্তুত করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ব্যাংক
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ব্যাংক। হিসাববিজ্ঞান ও ব্যাংকিংয়ের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংক হিসাব বিবরণী বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট (Bank Statement) সবসময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষই প্রস্তুত করে থাকে। এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট সময়ে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে জমাকৃত টাকা, উত্তোলিত টাকা এবং বর্তমান স্থিতি বা ব্যালেন্সের একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব, যা ব্যাংক তার গ্রাহককে সরবরাহ করে।

৯

মি. আকরাম রেওয়ামিলে অনিশ্চিত হিসাব লিখবেন কেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রেওয়ামিলে সমতা আনার জন্য
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো: রেওয়ামিলে সমতা আনার জন্য।

হিসাবরক্ষণের নিয়মানুযায়ী রেওয়ামিলের ডেবিট ও ক্রেডিট পাশের যোগফল সর্বদা সমান হওয়ার কথা। কিন্তু যোগফলে কোনো গরমিল বা ভুল ধরা পড়লে, সাময়িকভাবে রেওয়ামিলের দুই পাশে টাকার অঙ্কের মিল বা সমতা আনার জন্য একটি সাময়িক হিসাব খোলা হয়, যেটিকে অনিশ্চিত হিসাব বলা হয়।

১০

স্থায়ী সম্পত্তির অবচয় আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে কী করা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পুঞ্জীভূত অবচয় নামে সম্পত্তি থেকে বিয়োগ করতে হয়
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো পুঞ্জীভূত অবচয় নামে সম্পত্তি থেকে বিয়োগ করতে হয়।

হিসাববিজ্ঞান নিয়মানুযায়ী, আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে (ব্যালান্স শিট) স্থায়ী সম্পত্তির প্রকৃত বা বহিমূল্য বের করার জন্য মোট অর্জিত মূল্য থেকে আজীবন বা এ পর্যন্ত কাটা মোট অবচয় বা পুঞ্জীভূত অবচয় বাদ দিতে হয়। এর ফলে সম্পত্তিমূল্য সঠিক ও বাস্তবসম্মতভাবে প্রদর্শিত হয়।