T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
ভাষা
বিষয়ভিত্তিক
১

বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রথম প্রকাশিত হয় কোথা থেকে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
লিসবন
সমাধান

বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থ 'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'-এর রচয়িতা ছিলেন ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও। এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।

  • বইটির লেখক ছিলেন একজন পর্তুগিজ পাদ্রি।
  • পর্তুগিজ ভাষায় লেখা এই ব্যাকরণটি মূলত পর্তুগিজদের বাংলা ভাষা শেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
  • যেহেতু লেখক পর্তুগিজ ছিলেন, তাই মুদ্রণ ও প্রকাশনার কাজটি তাঁর নিজ দেশ লিসবন থেকেই সম্পন্ন হয়।
২

বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা-ই-পর্তুগীজ' গ্রন্থটি কোন ভাষায় রচিত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পর্তুগীজ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো পর্তুগীজ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই ব্যাকরণগ্রন্থটির নামেই এর উত্তর লুকিয়ে আছে।

  • গ্রন্থটির নাম হলো 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা-ই-পর্তুগীজ'।
  • নামের শেষ অংশটি খেয়াল করলেই বোঝা যায় যে, এটি পর্তুগীজ ভাষায় রচিত।
  • পর্তুগীজ ধর্মযাজক মানোয়েল দা আসসুম্পসাঁও ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন থেকে এটি প্রকাশ করেছিলেন।
  • মূলত পর্তুগীজ ভাষাভাষীদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যেই তিনি পর্তুগীজ ভাষায় এই ব্যাকরণটি লিখেছিলেন।
৩

সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
সমাধান
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য বিদ্যমান। সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য: বাংলা ভাষার দুটি রূপ—সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা। দুটি রূপের মধ্যে যেমন প্রকৃতিগত সাদৃশ্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্যও রয়েছে। নিচে সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য আলোচনা করা হলো ক্রম সাধু ভাষা চলিত ভাষা ১ যে ভাষায় সাধারণত সাহিত্য রচিত হয় এবং যা মার্জিত ও সর্বজনস্বীকৃত, তাই সাধু ভাষা। শিক্ষিত লোক সাধারণ কথাবার্তায় যে ভাষা ব্যবহার করে থাকে, তা - ই চলিত ভাষা। ২ সাধু ভাষা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী। চলিত ভাষার সুনির্ধারিত ব্যাকরণ আজও তৈরি হয়নি। ৩ সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী। চলিত ভাষা সহজ ও স্বাভাবিক। এ ভাষা মানুষের মনোভাব প্রকাশে উপযোগী। ৪ সাধু ভাষার কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়। ৪। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল। ৫ সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় তেমন উপযোগী নয়। চলিত ভাষা নাটকের সংলাপ, আলাপ - আলোচনা ও বক্তৃতায় বেশ উপযোগী। ৬ সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়ে থাকে। যেমন—খাইতেছি, তাহারা ইত্যাদি। চলিত ভাষায় ক্রিয়া এবং সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত। যেমন—খাচ্ছি, তারা ইত্যাদি। ৭ এ ভাষা প্রাচীন। এটি আধুনিক। ৮ সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি। চলিত ভাষায় অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রয়োগ বেশি। ৯ সাধু ভাষা কৃত্রিম। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। ১০ ৫। চলিত ভাষা কৃত্রিমতা - বর্জিত। চলিত ভাষায় এদের প্রয়োগ লক্ষণীয়। সাধুরীতি থেকে চলিতরীতিতে পরিবর্তনের নিয়মনিচে উল্লিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে সাধু ভাষাকে চলিত ভাষায় রূপান্তরিত করা যায়: ই - স্বরধ্বনির লোপ: ক্রিয়াপদের মধ্যে ই - স্বরধ্বনি থাকলে চলিত রীতিতে ই - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—খাইব>খাব, আসিবে>আসবে। উ - স্বরধ্বনির লোপ: চলিত রীতিতে উ - স্বরধ্বনি লোপ পায়। যেমন—হউক>হোক, থাউক>থাক। হ - কারের লোপ: চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় পদের মধ্যে হ - কারের লোপ হয়। যেমন—তাহা>তা, যাহা>যা। উ - ধ্বনির পরিবর্তন: পদের শেষে অ - আ স্বরধ্বনি থাকলে চলিতরীতিতে পূর্ববর্তী উ - স্বরধ্বনি ও - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—শুন>শোন উঠে>ওঠে। আ - ধ্বনির পরিবর্তন: পূর্ববর্তী ই - ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অক্ষরের আ - ধ্বনি এ - ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়। যেমন—গিয়া>গিয়ে মিঠা>মিঠে। অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে পরিবর্তন: অপিনিহিত, অভিশ্রুতি ও স্বরসংগতির প্রভাবে সাধুরীতির পরিবর্তন ঘটে। যেমন—করিয়া>করে, ছুটিয়া>ছুটে। উদাহরণ:সাধুরীতি: দেখিলাম, এই সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো আসিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল হইতে সে জাগিয়া উঠে নাই। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের উপর সকালের আলো ঠিকরিয়া পড়িয়াছে, কিন্তু বরফ এখনো গলিল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!চলিতরীতি: দেখলাম, এ সতেরো বছরের মেয়েটির ওপরে যৌবনের সমস্ত আলো এসে পড়েছে, কিন্তু এখনো কৈশোরের কোল থেকে সে জেগে ওঠেনি। ঠিক যেন শৈলচূড়ার বরফের ওপর সকালের আলো ঠিকরে পড়েছে, কিন্তু বরফ এখনো গলল না। আমি জানি, কী অকলঙ্ক শুভ্র সে!
৪

কোন ভাষা-রীতিতে এ প্রশ্ন লেখা হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চলিত রীতি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো চলিত রীতি। এর কারণটা খুব সহজ:

  • চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য হয়।
  • এই প্রশ্নে ব্যবহৃত 'লেখা হয়েছে' বা 'এ' শব্দগুলো চলিত রীতির বৈশিষ্ট্য বহন করে।
  • সাধু রীতির মতো এখানে কোনো গুরুগম্ভীর বা তৎসম শব্দের দীর্ঘ রূপ ব্যবহার করা হয়নি, বরং আমরা দৈনন্দিন জীবনে যেভাবে কথা বলি, সেই সাবলীল ভঙ্গিটিই এখানে ফুটে উঠেছে।

সহজ কথায়, যে ভাষায় আমরা বর্তমানে বইপত্র পড়ি বা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করি, সেটিই হলো চলিত রীতি।

৫

নিচের কোন বাক্যটি চলিত ভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চলতি ভাষা কৃত্রিম ও অপরিবর্তনীয়
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো: চলতি ভাষা কৃত্রিম ও অপরিবর্তনীয়।

বিষয়টা খুব সহজভাবে বুঝে নিন:

  • পরিবর্তনশীলতা: চলিত ভাষা কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আটকে থাকে না। সময়ের সাথে সাথে মানুষের মুখের ভাষার পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলিত ভাষাও প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত ও পরিমার্জিত হয়। তাই একে 'অপরিবর্তনীয়' বলা একদমই ভুল।
  • স্বাভাবিকতা: চলিত ভাষা মানুষের দৈনন্দিন কথাবার্তার স্বাভাবিক রূপ থেকে গড়ে উঠেছে। এটি কোনো কৃত্রিম নিয়ম বা ল্যাবরেটরিতে তৈরি ভাষা নয়, বরং এটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সাবলীল।

সহজ কথায়, চলিত ভাষা সবসময় জীবন্ত এবং সময়ের সাথে বদলায়, তাই এটি কৃত্রিম বা অপরিবর্তনীয় হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

৬

‘উহা’ কোন রীতির শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সাধু
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো সাধু। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:

  • বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম পদের রূপ দেখে সহজেই সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য বোঝা যায়।
  • ‘উহা’ শব্দটি সাধু রীতির সর্বনাম। এর চলিত রূপ হলো ‘ওটা’।
  • সাধু রীতিতে সাধারণত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে, যেমন— ‘উহা’, ‘তাহারা’, ‘করিয়াছে’। অন্যদিকে চলিত রীতিতে এগুলো সংক্ষিপ্ত হয়ে ‘ওটা’, ‘তারা’, ‘করেছে’ রূপ ধারণ করে।

তাই যেখানেই ‘উহা’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি সাধু রীতির শব্দ।

৭

বাংলা ভাষার উদ্ভব সম্পর্কে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মত হচ্ছে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গৌড়ীয় অপভ্রংশ
সমাধান

বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে ভাষাবিদদের মধ্যে বিভিন্ন মত থাকলেও, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে।

বিষয়টি মনে রাখার জন্য এই সহজ ধাপগুলো খেয়াল করুন:

  • ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার মূল উৎস হলো গৌড়ীয় প্রাকৃত বা গৌড়ীয় অপভ্রংশ।
  • তিনি ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে, প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে এই গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকেই বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
  • তাই যখনই শহীদুল্লাহর মতের কথা আসবে, সরাসরি গৌড়ীয় অপভ্রংশ-কে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরে নেবেন।
৮

মানুষের মুখে উচ্চারিত অর্থবোধক ও মনোভাব প্রকাশক ধ্বনি সমষ্টিকে বলে

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ভাষা
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ভাষা। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশের জন্য মুখ দিয়ে যেসব অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি উচ্চারণ করে, তাকেই মূলত ভাষা বলা হয়।
  • ভাষার মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি, আর এই ধ্বনি যখন অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখনই তা ভাষার রূপ নেয়।
  • সহজ কথায়, মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত অর্থপূর্ণ ধ্বনিই হলো ভাষার প্রাণ।
৯

বাংলা ভাষায় কোন রীতি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের অনুসারী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সাধু রীতি
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো সাধু রীতি। এর কারণ হলো সাধু রীতি সবসময় ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নিয়মকানুন মেনে চলে।

বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:

  • নিয়মানুবর্তিতা: সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ সবসময় অপরিবর্তিত থাকে এবং এটি ব্যাকরণের কঠিন নিয়ম মেনে চলে।
  • স্থায়িত্ব: এই রীতিটি যেহেতু ব্যাকরণের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই এর রূপ সহজে পরিবর্তিত হয় না।
  • পার্থক্য: অন্যদিকে, চলিত বা আঞ্চলিক রীতি সময়ের সাথে সাথে বা স্থানভেদে পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু সাধু রীতিতে ব্যাকরণের নিয়মই প্রধান।

সহজ কথায়, যে ভাষারীতি ব্যাকরণের নিয়মকে একদম অক্ষরে অক্ষরে পালন করে, সেটিই হলো সাধু রীতি।

১০

ভাষার কোন রূপ থেকে বাংলা ভাষার জন্ম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রাকৃত
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রাকৃত। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • বাংলা ভাষার বিবর্তনের ধারাটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এটি মূলত প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে উদ্ভূত।
  • এই আর্য ভাষার বিভিন্ন স্তর পার হয়ে বাংলা এসেছে। বিবর্তনের এই ধারায় পর্যায়গুলো হলো: বৈদিক → সংস্কৃত → পালি → প্রাকৃত → অপভ্রংশ → বাংলা।
  • ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলা ভাষার সরাসরি পূর্বসূরি বা জননী হলো মাগধী প্রাকৃত।

সহজ কথায়, প্রাকৃত ভাষার বিভিন্ন রূপ থেকেই কালক্রমে আমাদের আজকের বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হবে প্রাকৃত।