T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
ভূগোল
বিষয়ভিত্তিক
১

মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হেস
সমাধান

মহাজাগতিক রশ্মি বা কসমিক রে (Cosmic Rays) আবিষ্কারের কৃতিত্ব ভিক্টর হেসের। ১৯১২ সালে বেলুন নিয়ে বায়ুমণ্ডলের অনেক উঁচুতে উঠে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • ভিক্টর হেস প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে তেজস্ক্রিয়তা বা বিকিরণের মাত্রা বাড়তে থাকে।
  • এই উচ্চ-শক্তির বিকিরণই মহাজাগতিক রশ্মি হিসেবে পরিচিত।
  • তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

তাই মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক হিসেবে হেস নামটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

২

ইউরি গ্যাগারিন মহাশূন্যে যায়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
১৯৬১ সালে
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ১৯৬১ সালে। মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক ঘটনা।

সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:

  • ইউরি গ্যাগারিন ছিলেন পৃথিবীর প্রথম মানুষ যিনি মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
  • তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের 'ভোস্টক-১' মহাকাশযানে করে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন।
  • এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছিল ১২ এপ্রিল, ১৯৬১ সালে।

সহজ কথায়, মহাকাশ যুগের সূচনালগ্ন হিসেবে ১৯৬১ সালটি ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

৩

গ্রীনিচ মানমন্দির অবস্থিত-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
যুক্তরাজ্যে
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো যুক্তরাজ্যে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • পৃথিবীর সময় নির্ধারণের জন্য মূল মধ্যরেখা বা Prime Meridian এই গ্রীনিচ মানমন্দিরের ওপর দিয়েই কল্পনা করা হয়েছে।
  • ভৌগোলিকভাবে এই মানমন্দিরটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রীনিচ এলাকায় অবস্থিত।
  • আন্তর্জাতিক মান সময় বা GMT (Greenwich Mean Time)-এর মূল কেন্দ্র হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

তাই মানচিত্র বা ভূগোলের যেকোনো প্রশ্নে গ্রীনিচ মানমন্দির বললে চোখ বন্ধ করে যুক্তরাজ্যকেই বেছে নিতে পারেন।

৪

যে বায়ু সর্বদাই উচ্চতাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তা হলো-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নিয়ত বায়ু
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো নিয়ত বায়ু। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:

  • পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে চাপের তারতম্যের কারণে বাতাস সবসময় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ছুটে চলে।
  • যেসব বায়ু সারা বছর ধরে নির্দিষ্ট পথে এবং নির্দিষ্ট দিকে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়, তাদেরই মূলত নিয়ত বায়ু বলা হয়।
  • এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং এটি কোনো ঋতু বা সময়ের ওপর নির্ভর করে দিক পরিবর্তন করে না।

সহজ কথায়, সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হওয়ার কারণেই একে নিয়ত বায়ু বলা হয়।

৫

ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে বলে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ছায়াবৃত্ত
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ছায়াবৃত্ত। বিষয়টি খুব সহজভাবে কল্পনা করা যায়:

  • পৃথিবী গোল এবং সূর্যের আলো সবসময় এর অর্ধেক অংশে পড়ে।
  • যে রেখাটি পৃথিবীর আলোকিত অংশ এবং অন্ধকার অংশকে আলাদা করে, তাকেই বলা হয় ছায়াবৃত্ত বা Circle of Illumination।
  • সহজ কথায়, এটি এমন একটি কাল্পনিক বৃত্তাকার রেখা যা পৃথিবীকে দিন ও রাতের দুই ভাগে বিভক্ত করে রাখে।
৬

হাজার হ্রদের দেশ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ফিনল্যান্ড
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ফিনল্যান্ড। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ!

ফিনল্যান্ডকে কেন হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • ফিনল্যান্ডে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১,৮৮,০০০ এর বেশি হ্রদ রয়েছে।
  • দেশটির মোট আয়তনের একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে এই স্বচ্ছ পানির হ্রদগুলো, যা দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে অনন্য করে তুলেছে।
  • ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বরফ যুগের শেষের দিকে হিমবাহের প্রভাবে দেশটিতে প্রচুর প্রাকৃতিক হ্রদ তৈরি হয়েছে, যা বিশ্বের আর কোথাও এত ঘনবসতিপূর্ণভাবে দেখা যায় না।

তাই সাধারণ জ্ঞান বা ভূগোলের প্রশ্নে 'হাজার হ্রদের দেশ' বললেই চোখ বন্ধ করে ফিনল্যান্ড-কে বেছে নেওয়া যায়।

৭

প্রবল জোয়ারের কারণ, যখন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সুর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
সমাধান

প্রবল জোয়ার বা ভরা কোটাল হওয়ার মূল কারণ হলো মহাকর্ষ বলের সম্মিলিত প্রভাব। যখন সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন বিষয়টি খুব সহজ হয়ে যায়:

  • সূর্য ও চন্দ্রের আকর্ষণ: সূর্য এবং চন্দ্র উভয়ই তাদের মহাকর্ষ বল দিয়ে পৃথিবীকে একই দিকে টানতে থাকে।
  • সম্মিলিত শক্তি: যেহেতু তারা একই সরলরেখায় থাকে, তাই তাদের মিলিত আকর্ষণে পৃথিবীর জলরাশি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ফুলে ওঠে।
  • ফলাফল: এই সম্মিলিত শক্তির কারণেই সমুদ্রের জলস্তর অনেক উঁচুতে উঠে আসে, যাকে আমরা প্রবল জোয়ার বা ভরা কোটাল বলি।

সহজ কথায়, যখন সূর্য ও চন্দ্রের টান একই রেখায় কাজ করে, তখন জোয়ারের তীব্রতা সর্বোচ্চ হয়।

৮

সুনামির (Tsunami) কারণ হলো-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প
সমাধান

সুনামির মূল কারণ হলো সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:

  • সমুদ্রের নিচে যখন বড় ধরনের ভূ-আলোড়ন বা ভূমিকম্প হয়, তখন পানির বিশাল স্তরে প্রচণ্ড চাপের সৃষ্টি হয়।
  • এই আকস্মিক ধাক্কায় সমুদ্রের পানি উপরের দিকে উঠে যায় এবং বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি করে।
  • এই ঢেউগুলোই উপকূলের দিকে প্রচণ্ড গতিতে ধেয়ে আসে, যাকে আমরা সুনামি বলি।

সহজ কথায়, সমুদ্রের তলদেশের মাটি কেঁপে উঠলেই পানির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে এই ভয়াবহ ঢেউয়ের জন্ম দেয়।

৯

সাগরকণ্যা কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পটুুয়াখালী
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো পটুয়াখালী। বিষয়টি মনে রাখা একদম সহজ!

পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে বলা হয় সাগরকন্যা। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • কুয়াকাটা এমন একটি বিরল সমুদ্রসৈকত, যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত—দুটোই খালি চোখে দেখা যায়।
  • প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এবং সাগরের কোল ঘেঁষে অবস্থিত হওয়ায় পর্যটকরা একে আদর করে 'সাগরকন্যা' নামে ডাকেন।
  • ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে পটুয়াখালী জেলার এই বিশেষ পরিচিতিটি পর্যটন মানচিত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

তাই যখনই 'সাগরকন্যা' শব্দটি শুনবেন, চোখ বন্ধ করে পটুয়াখালী বা কুয়াকাটার কথা মনে রাখবেন!

১০

চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে।

চাঁদ যখন দিগন্তের কাছাকাছি থাকে, তখন তার আলো আমাদের চোখে পৌঁছানোর আগে পৃথিবীর ঘন বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে আসে। বায়ুমণ্ডলের ঘনত্বের তারতম্যের কারণে এই আলোর প্রতিসরণ বা বেঁকে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ফলে আমাদের কাছে চাঁদটিকে তার প্রকৃত আকারের চেয়ে অনেক বড় এবং উজ্জ্বল বলে মনে হয়। এটি মূলত আলোর প্রতিসরণের একটি চমৎকার প্রাকৃতিক উদাহরণ।