অক্সিজেনের একটি পরমাণুর প্রকৃত ভর-
এখানে সঠিক উত্তর হলো $2.6560 \times 10^{-23}\text{ g}$। খুব সহজে এটি বের করতে পারো:
- অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর = $16$
- আমরা জানি, $6.022 \times 10^{23}$ টি পরমাণুর ভর হলো পারমাণবিক ভরের সমান ($16\text{ g}$)
- সুতরাং, অক্সিজেনের একটি পরমাণুর প্রকৃত ভর = $\frac{16}{6.022 \times 10^{23}}\text{ g} = 2.6560 \times 10^{-23}\text{ g}$
আয়ন/পরমাণুর আকার সম্পর্কিত সঠিক ক্রমটি-
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option D: $\text{Na}^+ > \text{Mg}^{2+} > \text{Al}^{3+}$। কারণ এগুলো হলো সমপ্রকৃতির আইসোইলেক্ট্রনিক আয়ন, অর্থাৎ সবার ইলেকট্রন সংখ্যা সমান (১০টি করে)।
- আইসোপ্রজাতির ক্ষেত্রে প্রোটন বা পারমাণবিক সংখ্যা যত বেশি হয়, নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ তত বাড়ে এবং আকার তত ছোট হতে থাকে।
- এদের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে: সোডিয়াম ১১, ম্যাগনেসিয়াম ১২ এবং অ্যালুমিনিয়াম ১৩।
- যেহেতু অ্যালুমিনিয়ামের প্রোটন সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ($13$), তাই এর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণও সবচেয়ে বেশি এবং আকার সবচেয়ে ছোট। অন্যদিকে সোডিয়ামের প্রোটন সংখ্যা সবচেয়ে কম ($11$) হওয়ায় এর আকার সবচেয়ে বড়।
ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হতে যে শক্তির প্রয়োজন হয়, তা হচ্ছে-
এখানে সঠিক উত্তর হলো আয়নিকরণ শক্তি।
গ্যাসীয় অবস্থার কোনো মৌলের এক মোল বিচ্ছিন্ন পরমাণু থেকে একটি করে ইলেকট্রন অসীম দূরত্বে সরিয়ে একে এক মোল ধনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হয়, তাকেই ওই মৌলের আয়নিকরণ শক্তি (Ionization Energy) বলা হয়।
১:৫ এবং ১৩:৫ এর মধ্য সমানুপাতটি কত?
দুটি রাশির মধ্য সমানুপাত বের করার নিয়মটি বেশ সহজ। যদি দুটি রাশি $a$ এবং $b$ হয়, তবে তাদের মধ্য সমানুপাত হবে $\sqrt{a \times b}$।
এখানে আমাদের রাশি দুটি হলো $\frac{1}{5}$ এবং $\frac{13}{5}$। তাহলে হিসাবটি হবে এমন:
- প্রথমে রাশি দুটি গুণ করি: $\frac{1}{5} \times \frac{13}{5} = \frac{13}{25}$
- এবার এর বর্গমূল নির্ণয় করি: $\sqrt{\frac{13}{25}} = \frac{\sqrt{13}}{5}$
- যেহেতু $\sqrt{13} \approx 3.605$, তাই মানটি দাঁড়ায়: $\frac{3.605}{5} = 0.721$
তবে প্রশ্ন অনুযায়ী যদি অনুপাত দুটি $1:5$ এবং $13:5$ না হয়ে সংখ্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে সঠিক উত্তরটি হবে 4.5। গাণিতিক শর্টকাটে মধ্য সমানুপাত বের করার মূল ভিত্তি হলো রাশি দুটির গুণফলের বর্গমূল করা।