T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2016
শিক্ষাবর্ষ
১২০
মিনিট
১৭২
মোট প্রশ্ন
১৭২
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.৫
ভুল উত্তর
১

‘অলৌকিক ইস্টিমার’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হুমায়ুন আজাদ
সমাধান

‘অলৌকিক ইস্টিমার’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন হুমায়ুন আজাদ। এটি তাঁর লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।

সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:

  • হুমায়ুন আজাদের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এটি অন্যতম মাইলফলক।
  • তাঁর কাব্যশৈলী এবং ভাষার অনন্য ব্যবহারের কারণে এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে বেশ পরিচিত।
  • পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে এটি মনে রাখা জরুরি।
২

‘Custom’ শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রথা
সমাধান

‘Custom’ শব্দের সঠিক পরিভাষা হলো প্রথা। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • ‘Custom’ বলতে সাধারণত কোনো সমাজ বা গোষ্ঠীতে দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা নিয়ম বা আচার-অনুষ্ঠানকে বোঝায়, যাকে আমরা বাংলায় প্রথা বা রীতি বলে থাকি।
  • দৈনন্দিন জীবনে বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে যখনই কোনো নির্দিষ্ট কাজের ধারা বংশপরম্পরায় বা দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসে, তখনই তাকে ইংরেজিতে ‘Custom’ এবং বাংলায় ‘প্রথা’ বলা হয়।

তাই, এই শব্দটির অর্থ হিসেবে ‘প্রথা’ শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই এবং নির্ভুল।

৩

কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় ‘কালাপাহাড়’- কে স্মরণ করেছেন কেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
সমাধান

কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় ‘কালাপাহাড়’-কে স্মরণ করেছেন কারণ তিনি ছিলেন প্রচলিত ধর্ম ও অন্ধ সংস্কারের ঘোর বিরোধী।

বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:

  • ইতিহাসে কালাপাহাড় পরিচিত ছিলেন তৎকালীন প্রচলিত গোঁড়া ধর্মীয় প্রথা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক বিদ্রোহী চরিত্র হিসেবে।
  • নজরুল নিজেও তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সমাজের জরাজীর্ণ প্রথা, কুসংস্কার এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।
  • বিদ্রোহী কবি নজরুল তাঁর নিজস্ব আদর্শের সাথে মিল খুঁজে পেয়েছিলেন বলেই কালাপাহাড়ের মতো এমন এক সাহসী ও বিদ্রোহী সত্তাকে তাঁর কবিতায় প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

সহজ কথায়, সমাজের প্রচলিত নিয়ম ভাঙার যে সাহস কালাপাহাড় দেখিয়েছিলেন, নজরুল সেই বিদ্রোহী মানসিকতাকেই সম্মান জানিয়ে তাঁকে স্মরণ করেছেন।

৪

‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ -এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি অন্যতম জনপ্রিয় এবং নাটকীয় একটি উক্তি।

বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:

  • উপন্যাসটির একেবারে শেষ দৃশ্যে যখন কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার গঙ্গার গর্ভে তলিয়ে যায়, তখন লেখক বঙ্কিমচন্দ্র এই অমোঘ বাক্যটি ব্যবহার করেছেন।
  • এটি উপন্যাসের ট্র্যাজিক পরিণতির এক অনন্য উদাহরণ, যা পাঠককে গভীরভাবে নাড়া দেয়।
  • পরীক্ষায় প্রায়ই এই লাইনটি তুলে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তাই মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন—‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের সমাপ্তি ঘটে এই বিখ্যাত লাইনটির মাধ্যমেই।
৫

‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।’ -কার উক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মীর মশাররফ হোসেনের
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো মীর মশাররফ হোসেনের।

এই বিখ্যাত উক্তিটি মীর মশাররফ হোসেনের লেখা 'গোরী' নামক প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। তিনি তার লেখায় সবসময়ই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ করেছেন। মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:

  • মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন বাংলা গদ্যের একজন শক্তিশালী লেখক।
  • তিনি মনে করতেন, নিজের ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা না থাকলে একজন মানুষের প্রকৃত দেশপ্রেম বা ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে না।
  • তাই মাতৃভাষার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি এই অমোঘ কথাটি বলেছিলেন।
৬

বর্গের কোন বর্ণসমূহের ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
সমাধান

বাংলা বর্ণমালায় বর্গের প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো হলো মহাপ্রাণধ্বনি। এর কারণ হলো, এই বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় মুখ দিয়ে অনেক বেশি বাতাস বের হয় বা বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • বর্গের প্রতিটি সারির দ্বিতীয় বর্ণ (যেমন: খ, ছ, ঠ, থ, ফ) এবং চতুর্থ বর্ণ (যেমন: ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ) উচ্চারণ করতে ফুসফুস থেকে বেশি বাতাসের প্রয়োজন হয়।
  • এই বাড়তি বাতাসের চাপের কারণেই এদের মহাপ্রাণধ্বনি বলা হয়।

অর্থাৎ, বর্গের ক্রম অনুযায়ী $2$য় ও $4$র্থ বর্ণগুলোই হলো মহাপ্রাণধ্বনি।

৭

‘কদাকার’ শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কোনোটি নয়
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো কোনোটি নয়। কারণ ‘কদাকার’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘কৎ’ উপসর্গযোগে।

বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:

  • ‘কদাকার’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায়: কৎ + আকার = কদাকার।
  • এখানে ‘কৎ’ হলো একটি বাংলা উপসর্গ।
  • যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে ‘বাংলা উপসর্গ’ নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে ‘কোনোটি নয়’।

বাংলা ভাষায় ‘কৎ’ উপসর্গটি সাধারণত ‘কুৎসিত’ বা ‘খারাপ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই মনে রাখা সহজ যে, যখনই কোনো শব্দের শুরুতে ‘কৎ’ যুক্ত থাকে, সেটি বাংলা উপসর্গজাত শব্দ।

৮

মুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় কোন ছন্দে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
স্বরবৃত্ত
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো স্বরবৃত্ত। এই ছন্দটি মূলত ছড়াগানের ছন্দ হিসেবে পরিচিত, যেখানে লয় থাকে খুব দ্রুত। এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো খুব সহজে মনে রাখা যায়:

  • এখানে শব্দের প্রতিটি অক্ষর বা সিলেবলকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।
  • মুক্তাক্ষর এবং বদ্ধাক্ষর—উভয়কেই এখানে ১ মাত্রা হিসেবে গণনা করা হয়।
  • দ্রুত লয়ের কারণে এখানে শব্দের ওপর জোর বা ঝোঁক বেশি থাকে, তাই মাত্রার হিসেবে কোনো পার্থক্য করা হয় না।

সহজ কথায়, ছড়াগানের ছন্দে যখন আমরা তাল দিই, তখন প্রতিটি অক্ষরই সমান তালে পড়ে—এটাই স্বরবৃত্ত ছন্দের আসল জাদু!

৯

‘আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখ ব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি।।’- রবীন্দ্রনাথের এ গানে ‘নিছনি’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পূজা অর্থে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো পূজা অর্থে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানে ‘নিছনি’ শব্দটি মূলত ভক্তি বা শ্রদ্ধার অর্ঘ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:

  • ‘নিছনি’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো কোনো প্রিয়জনের মঙ্গলের জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়া বা উৎসর্গ করা।
  • গানের এই লাইনে কবি তার সমস্ত সুখ-দুঃখ এবং ব্যাকুলতা পরমেশ্বরের চরণে সমর্পণ করতে চেয়েছেন।
  • যখন আমরা কারো চরণে নিজের সবটুকু সঁপে দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করি, তখন সেটি মূলত এক ধরনের পূজা বা আরাধনা হিসেবেই গণ্য হয়।

তাই এখানে ‘নিছনি’ শব্দটি ভক্তিপূর্ণ অর্ঘ্য বা পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

১০

‘ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।’- কে বলেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মোতাহের হোসেন চৌধুরী
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো মোতাহের হোসেন চৌধুরী।

এই বিখ্যাত উক্তিটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'সংস্কৃতি কথা' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য সহজ একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:

  • মোতাহের হোসেন চৌধুরী মূলত মানুষের মননশীলতা এবং সংস্কৃতির গভীর সম্পর্ক নিয়ে প্রচুর লেখালেখি করেছেন।
  • তার লেখায় ধর্ম এবং সংস্কৃতির যে মেলবন্ধন দেখা যায়, এই উক্তিটি তারই একটি চমৎকার প্রতিফলন।
  • পরীক্ষায় এই উক্তিটি প্রায়ই আসে, তাই লেখক হিসেবে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর নামটির সাথে 'সংস্কৃতি' শব্দটি মনে রাখলেই বিষয়টি সহজে আয়ত্তে থাকবে।