T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2017
শিক্ষাবর্ষ
১২০
মিনিট
১৭৮
মোট প্রশ্ন
১৭৮
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.৫
ভুল উত্তর
১

গুয়াম-এর গভর্নরের নাম হচ্ছে :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
এ্যাডি ক্যালভো
সমাধান

গুয়াম-এর গভর্নরের নাম হলো এ্যাডি ক্যালভো। তিনি গুয়ামের অষ্টম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মূলত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নামটি বেশ পরিচিত, তাই সরাসরি মনে রাখাই সবচেয়ে সহজ উপায়।

  • সঠিক উত্তর: এ্যাডি ক্যালভো।
  • মনে রাখার টিপস: গুয়ামের প্রশাসনিক প্রধান বা গভর্নর হিসেবে এ্যাডি ক্যালভোর নাম আন্তর্জাতিক সংবাদে বেশ কয়েকবার আলোচিত হয়েছে, যা সাধারণ জ্ঞান হিসেবে মনে রাখা জরুরি।
২

অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেনঃ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ভি. আই. লেনিন
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ভি. আই. লেনিন। ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব বা অক্টোবর বিপ্লবের মূল কারিগর ছিলেন তিনিই। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:

  • বলশেভিক দল: লেনিন বলশেভিক পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যারা এই বিপ্লবের মূল চালিকাশক্তি ছিল।
  • স্লোগান: লেনিনের বিখ্যাত স্লোগান ছিল "শান্তি, ভূমি এবং রুটি", যা সাধারণ মানুষকে বিপ্লবের দিকে টেনে এনেছিল।
  • ফলাফল: তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে রাশিয়ায় জার শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

সহজ কথায়, অক্টোবর বিপ্লব এবং লেনিন একে অপরের পরিপূরক। তাই ইতিহাস মনে রাখার সময় এই নামটির সাথে বিপ্লবের সাল ১৯১৭ মনে রাখলেই আপনার প্রস্তুতি একদম ঝকঝকে হয়ে যাবে!

৩

দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বলা হয় :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বাফার রাষ্ট্র
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো বাফার রাষ্ট্র। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:

  • যখন দুটি শক্তিশালী দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘাত এড়ানোর জন্য মাঝখানে একটি ছোট বা অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্র থাকে, তখন তাকেই বাফার রাষ্ট্র বলা হয়।
  • এই রাষ্ট্রটি একটি 'শক অ্যাবজর্বার' বা রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে, যা বড় শক্তিগুলোর সরাসরি সংঘর্ষ বা যুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
  • সহজ কথায়, দুই বড় শক্তির মাঝখানের এই ভৌগোলিক অবস্থানই রাষ্ট্রটিকে বাফার রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি দেয়।
৪

পিং পং এর অর্থ হচ্ছে :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
টেবিল টেনিস
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো টেবিল টেনিস। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!

পিং পং (Ping Pong) হলো টেবিল টেনিস খেলারই অন্য একটি নাম। এই নামকরণের পেছনে একটি মজার কারণ রয়েছে:

  • খেলার সময় বলটি যখন ব্যাটে আঘাত করে, তখন একটি 'পিং' শব্দ হয়।
  • বলটি যখন টেবিলে আঘাত করে, তখন আরেকটি 'পং' শব্দ তৈরি হয়।

এই শব্দ থেকেই খেলাটির নাম হয়েছে পিং পং। তাই যখনই পিং পং শুনবেন, বুঝে নেবেন এটি আসলে টেবিল টেনিস খেলার কথাই বলা হচ্ছে।

৫

বেল্ট ও রোড ইনিসিয়েটিভ (বি আর আই) প্রস্তাব করেছে :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চীন
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো চীন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • বেল্ট ও রোড ইনিসিয়েটিভ বা BRI হলো চীনের একটি বিশাল মেগা প্রজেক্ট।
  • ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই পরিকল্পনাটি প্রথম সামনে আনেন।
  • এর মূল উদ্দেশ্য হলো এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে স্থলপথ ও সমুদ্রপথের মাধ্যমে বাণিজ্যের সংযোগ স্থাপন করা।

তাই আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগটি পুরোপুরি চীনের নিজস্ব কৌশলগত পরিকল্পনা।

৬

কোনটি জাতিসংঘের সহযোগী নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ASEAN (আসিয়ান)
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো আসিয়ান (ASEAN)। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:

  • জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা: আই.এল.ও (ILO) এবং হু (WHO) সরাসরি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
  • আসিয়ান (ASEAN): এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশের একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট। এটি জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা বা সহযোগী সংস্থা নয়, বরং একটি স্বাধীন আঞ্চলিক সংগঠন।

সহজ কথায়, জাতিসংঘের সাথে সরাসরি যুক্ত নয় এমন যেকোনো আঞ্চলিক জোটই এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে আলাদা হিসেবে গণ্য হয়। তাই এখানে আসিয়ানই সঠিক উত্তর।

৭

১৯৯৫ সালটিকে কোন সংস্থাটির গোল্ডেন জুবিলি হিসেবে পালিত হচ্ছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
UNO
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো UNO। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • UNO বা জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
  • প্রতিষ্ঠার বছর থেকে হিসাব করলে, ১৯৯৫ সালে এর বয়স দাঁড়ায়: $1995 - 1945 = 50$ বছর।
  • কোনো কিছুর ৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় গোল্ডেন জুবিলি বা সুবর্ণজয়ন্তী।

তাই ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুবাদে ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘ তার ৫০ বছর পূর্তি বা গোল্ডেন জুবিলি উদযাপন করেছে।

৮

ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়:

  • ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৮৫ সালে।
  • এটি ভারতের স্বাধীনতার লড়াইয়ে নেতৃত্বদানকারী প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন ছিল।
  • অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় এর যাত্রা অনেক আগে শুরু হওয়ায় এটিকেই ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল হিসেবে গণ্য করা হয়।

সহজ কথায়, ব্রিটিশ শাসনামলে গড়ে ওঠা এই দলটিই বর্তমানে ভারতের অন্যতম প্রধান এবং সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দল।

৯

“Imperialism, the Highest Stage of Capitalism” বইটি কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ভি.আই. লেলিন
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ভি.আই. লেলিন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই বইটি সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের সম্পর্ক নিয়ে লেখা ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী একটি কাজ।

  • বইয়ের নাম: Imperialism, the Highest Stage of Capitalism।
  • লেখক: ভি.আই. লেলিন।
  • প্রেক্ষাপট: ১৯১৬ সালে লেখা এই বইটিতে লেলিন ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে পুঁজিবাদ তার চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে সাম্রাজ্যবাদে রূপ নেয়।

সহজ কথায়, সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে লেলিনের এই বিশ্লেষণটি বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির ছাত্রছাত্রীদের কাছে একটি মৌলিক পাঠ্য হিসেবে পরিচিত। তাই যখনই এই বইটির নাম আসবে, সরাসরি ভি.আই. লেলিন-এর কথা মনে রাখবেন।

১০

প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয় :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে
সমাধান

প্রাকৃতিক আইনের ধারণাটি মূলত আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার বিকাশের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। এখানে সঠিক উত্তর হলো থমাস হবসন, হুগো গ্রোসিয়াস ও জন লক-এর লেখনী থেকে। এর কারণগুলো খুব সহজ:

  • হুগো গ্রোসিয়াস: তাকে আন্তর্জাতিক আইনের জনক বলা হয়, যিনি প্রাকৃতিক আইনকে ধর্মতত্ত্ব থেকে আলাদা করে যুক্তিনির্ভর করার ভিত্তি তৈরি করেছিলেন।
  • থমাস হবসন ও জন লক: এই দার্শনিকরা তাদের সামাজিক চুক্তি মতবাদের মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে, মানুষ জন্মগতভাবেই কিছু প্রাকৃতিক অধিকার নিয়ে পৃথিবীতে আসে।
  • মূল ভিত্তি: এই চিন্তাবিদদের লেখনীর মাধ্যমেই প্রাকৃতিক আইন একটি আধুনিক ও সুসংগঠিত রূপ পায়, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সহজ কথায়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তি এবং ন্যায়ের যে ধারণা আমরা আজ দেখি, তার মূল ভিত্তি এই দার্শনিকদের লেখনীতেই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।