T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2015
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
৯২
মোট প্রশ্ন
৯২
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১১

বাগযন্ত্রের অংশ নয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কান
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কান।

খুব সহজ কথায়, কথা বলার সময় ফুসফুস থেকে যে বাতাস বের হয়, তা মুখবিবরের বিভিন্ন অঙ্গের (যেমন—দাঁত, তালু, নাক, ঠোঁট, জিভ ইত্যাদি) সাহায্যে বিভিন্ন ধ্বনিতে রূপ নেয়। এগুলোকে বাগযন্ত্র বলা হয়।

  • কান আমাদের শোনার কাজে সাহায্য করে, কথা বলার ধ্বনি তৈরিতে এর কোনো ভূমিকা নেই।
  • তাই কান বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নয়।
১২

ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সাধু ভাষারীতিতে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সাধু ভাষারীতিতে।

খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো:

  • সাধু রীতিতে লেখার রূপটা একটু গুরুগম্ভীর ও প্রাচীন হয়।
  • এইীতিতে ক্রিয়াপদ (যেমন: করিতেছিলাম), সর্বনাম পদ (যেমন: যাইবে) এবং অনুসর্গের (যেমন: হইতে, দিয়া) পূর্ণ বা আসল রূপটা সবসময় ব্যবহার করা হয়।
  • পক্ষান্তরে, চলিত রীতিতে এগুলো সংক্ষিপ্ত বা পরিবর্তিত রূপ নেয় (যেমন: করছিলাম, যাবে, থেকে, দিয়ে)।
১৩

কোন শব্দটি ‘সিক্ত‘র বিপরীত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শুষ্ক
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো শুষ্ক।

‘সিক্ত’ শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো ভেজা বা আর্দ্র। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা কোনো কিছুর শুষ্ক বা জলহীন অবস্থাকে বোঝায়। তাই ‘সিক্ত’ শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘শুষ্ক’।

১৪

গাড়ি ‘স্টেশন‘ ছাড়ল- এখানে ‘স্টেশন’ কোন কারকের কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অপাদান কারকের শূণ্য
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অপাদান কারকের শূণ্য।

খুব সহজে বোঝার শর্টকাট:

  • কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, গৃহিত, জাত, বিরত, আরক্ষত, ভীত বা ছিত/ছেড়ে যাওয়া বোঝালে সেটাই অপাদান কারক হয়।
  • বাক্যটিতে গাড়ি স্টেশন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে বা ছেড়ে যাচ্ছে, অর্থাৎ এটি বিচ্যুতি বোঝাচ্ছে। তাই ‘স্টেশন’ হলো অপাদান কারক।
  • শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূণ্য ($\varnothing$) বিভক্তি।
১৫

বাক্যে দাঁড়ি (।) থাকলে কতক্ষণ থাকতে হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন (অথবা এক বলতে যে সময় লাগে)।

বাংলা ব্যাকরণ ও যতিচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে দাঁড়ি (।) ব্যবহার করা হয়। পড়ার সময় এই যতিচিহ্নের জায়গায় সামান্য থেমে পরবর্তী অংশে যেতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদের জায়গায় ঠিক এক সেকেন্ড বা এক বলতে যতটুকু সময়ের প্রয়োজন, ততটুকু থামতে হয়।

১৬

‘গিন্নি‘ কোন শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অর্ধতৎসম
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অর্ধতৎসম। কারণ, সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে সরাসরি না এসে, কিছু বদলে যে শব্দগুলো আমাদের মুখে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে অর্ধতৎসম শব্দ বলা হয়।

যেমন—সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' পরিবর্তিত হয়ে প্রথমে 'গিন্নি' রূপ নিয়েছে, যা অবিকল সংস্কৃত নয় আবার পুরোপুরি বদলে তদ্ভবও হয়ে যায়নি। তাই এটি একটি নিখুঁত অর্ধতৎসম শব্দ।

১৭

কাঁদ + না – এটি কোন সন্ধি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ব্যঞ্জন সন্ধি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ব্যঞ্জন সন্ধি।

খুব সহজে বোঝার শর্টকাট নিয়ম:

  • সন্ধি করার সময় যদি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটে, তবে তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।
  • এখানে, কাঁদ (ব্যঞ্জনান্ত শব্দ) এর সাথে না যুক্ত হয়ে শব্দটি হয়েছে কান্না ($দন্ত্যন + ন$ মিলে হয়েছে $ন$ যুক্ত বর্ণ)।
  • যেহেতু এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন ও মিলন ঘটেছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই ব্যঞ্জন সন্ধি।
১৮

অনুরাগ শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বিরাগ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো বিরাগ। কারণ, 'অনুরাগ' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি গভীর স্নেহ, ভালোলাসা বা আকর্ষণ। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'বিরাগ', যার মানে হলো অনীহা, বিরক্তি বা বিতৃষ্ণা। তাই সহজ কথায় অনুরাগের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিরাগ-ই সবচেয়ে নিখুঁত ও গ্রহণযোগ্য।

১৯

গাছে উঠতে পটু যে- এক কথায় কী বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গেছো
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো গেছো। এক কথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কিছু বা কোনো স্থানে পটু বোঝাতে বিশেষ গঠন ব্যবহার করা হয়। যেমন— গাছে উঠতে পটু যে, তাকে খুব সহজেই এক কথায় গেছো বলা হয়। কথাটি যেমন সুন্দর, তেমনি মনে রাখাও একদম সহজ!

২০

‘বীণাপাণি‘ কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বহুব্রীহি সমাস
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো বহুব্রীহি সমাস। কারণ, যে সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন বা তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

  • 'বীণা পাণিতে (হাতে) যার' — এভাবে ব্যাসবাক্য করলে এমন একজন দেবীকে (সরস্বতী) বোঝায়, যার হাতে বীণা আছে।
  • এখানে 'বীণা' বা 'পানি' আলাদা করে না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ (সরস্বতী) প্রকাশ পেয়েছে।
  • তাই এটি নিশ্চিতভাবেই বহুব্রীহি সমাস।