৯ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা প্রশ্ন সমাধান (স্কুল পর্যায়) ২৩-০৮-২০১৩
সারাংশের জন্য গুরুত্বপণূ দিক কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রাঞ্জলতা। কারণ, একটি ভালো সারাংশ লেখার মূল কথাই হলো মূল ভাবটিকে সহজ, সরল ও স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরা।
- সারাংশে কোনো জটিল বা কঠিন ভাষা ব্যবহার করা যায় না।
- ভাষা যত সাবলীল ও বোধগম্য হবে, সারাংশটি তত বেশি আকর্ষণীয় ও সুন্দর হবে।
কোনটি ভাবসম্প্রসারেণর বৈশিষ্ট নয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বাক্যের পুনরাবৃত্তি।
ভাবসম্প্রসারণ লেখার সময় কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও বৈশিষ্ট্য মেনে চলতে হয়। এর মূল কাজ হলো কোনো ছোট ভাব বা প্রবাদকে সুন্দর ও স্পষ্ট ভাষায় বড় করে ফুটিয়ে তোলা। এই প্রক্রiyায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখতে হয়:
- ভাবসম্প্রসারণে মূল কথাটি বা ভাবটি বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লেখা যাবে না, অর্থাৎ বাক্যের পুনরাবৃত্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
- মূল ভাবটি পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক অনুচ্ছেদ ব্যবহার করা যেতে পারে।
- ভাবটিকে আরও আকর্ষণীয় ও অর্থবহ করতে প্রাসঙ্গিক প্রবাদ-প্রবচনের ব্যবহার করা যায়।
- শেষে নিজের মতামত বা শিক্ষণীয় বিষয় স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হয়, তাই অভিমত প্রদান এর একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
তাই বাক্যের পুনরাবৃত্তি করলে লেখার মান নষ্ট হয়, যা ভাবসম্প্রসারণের কোনো বৈশিষ্ট্য নয়।
কোনটি ভাবসম্প্রসারণে হুবহু ব্যবহৃত হওয়া উচিত নয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো মূলছত্র।
ভাবসম্প্রসারণ লেখার সময় মূল ভাবটিকে নিজের ভাষায় সুন্দর ও সহজ করে ফুটিয়ে তুলতে হয়। তাই কবিতার নির্দিষ্ট কোনো পঙ্ক্তি বা উদ্ধৃতি অর্থাৎ মূলছত্র হুবহু বা অন্ধের মতো ব্যবহার না করাই ভালো। নিজের মতো করে গুছিয়ে লিখলেই ভাবসম্প্রসারণ আকর্ষণীয় হয়।
যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ড্যাশ।
খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে যখন আলাদা বা পৃথক ভাব প্রকাশ করে এমন দুই বা ততোধিক বাক্যকে একসাথে যুক্ত করা হয়, তখন তাদের সংযোগ বোঝাতে ড্যাশচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি বাক্যের ভাবকে সুন্দরভাবে স্পষ্ট করতে সাহায্য করে।
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিচের কোন ভাষা থেকে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বঙ্গ কামরুপী। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা ভাষা মূলত পূর্বাঞ্চলীয় প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার সরাসরি আঞ্চলিক রূপ ছিল এই বঙ্গ কামরুপী ভাষা। প্রাচীন প্রাচ্য প্রাকৃত ও কামরূপী প্রাকৃতের মিশ্রণেই মূলত বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি তৈরি হয়েছিল।