বিস্তারিত সমাধান
ফ্রি ২০টি প্রশ্নের পড়ার কোটা সমাপ্ত!
লগইন ছাড়া আপনি সর্বোচ্চ ২০টি প্রশ্ন পড়তে পারবেন।
আরও শত শত প্রশ্ন, সমাধান ও ব্যাখ্যা পড়তে চান?
আমাদের সকল প্রশ্ন ব্যাংক, ব্যাখ্যা ও মডেল টেস্টে সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস পেতে এখনই লগইন করুন অথবা সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন।
সম্পর্কিত পরীক্ষা সমূহ
সম্পর্কিত বিষয় সমূহ
সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন
বাংলায় “ছিয়াত্তরের মন্বন্তর” এর সময়কাল:
বাংলায় “ছিয়াত্তরের মন্বন্তর” সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো বাংলা ও ইংরেজি সালের পার্থক্য:
- বাংলা সন অনুযায়ী এটি ছিল ১১৭৬ বঙ্গাব্দ।
- বাংলা সনের সাথে ৫৯৪ যোগ করলে ইংরেজি সন পাওয়া যায়।
- হিসাবটি হলো: $1176 + 594 = 1770$।
যেহেতু ১১৭৬ বঙ্গাব্দের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করেই এর নাম হয়েছে “ছিয়াত্তরের মন্বন্তর”, তাই এর ইংরেজি সালটি সহজেই মনে রাখা যায়।
লাফিং গ্যাসের সংকেত কোনটি?
লাফিং গ্যাস বা হাসির গ্যাসের সঠিক সংকেত হলো $N_2O$। একে রাসায়নিকভাবে নাইট্রাস অক্সাইড বলা হয়।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- এটি মূলত নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেনের একটি যৌগ।
- এর সংকেতটি হলো $N_2O$, যেখানে দুটি নাইট্রোজেন পরমাণু একটি অক্সিজেন পরমাণুর সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি মূলত অ্যানেস্থেশিয়া বা দাঁতের চিকিৎসায় ব্যথা কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যা শরীরে প্রবেশ করলে মানুষের মধ্যে হাসির উদ্রেক করে।
সংসদ অধিবেশন কে আহ্বান করেন?
সঠিক উত্তর হলো রাষ্ট্রপতি। বিষয়টি বেশ সহজ, কারণ আমাদের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন ডাকার ক্ষমতা একমাত্র রাষ্ট্রপতির হাতেই ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন।
- সংসদ ভেঙে দেওয়া বা অধিবেশন শেষ করার ক্ষমতাও রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে।
- রাষ্ট্রপতি যখনই প্রয়োজন মনে করেন বা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন।
সহজ কথায়, সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতিই এই সাংবিধানিক দায়িত্বটি পালন করেন।
কোন উপজাতির ধর্ম ইসলাম?
সঠিক উত্তর হলো পাঙন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে পাঙনরাই মূলত ইসলাম ধর্মাবলম্বী।
তাদের সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য:
- পাঙনরা মূলত মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ।
- মণিপুরিদের মধ্যে যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, তাদেরই পাঙন বলা হয়।
- এরা মূলত সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে এবং তাদের জীবনযাত্রায় নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে ইসলামের সুন্দর সমন্বয় দেখা যায়।
যশোর জেলায় অবস্থিত বিল?
”তিলে তৈল হয়” “তিলে” কোন কারকে কোন বিভক্তি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো অপাদান কারকে ৭মী। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:
- অপাদান কারক: যখন কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, বিচ্যুত, গৃহীত, জাত বা আরম্ভ হওয়া বোঝায়, তখন তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে তিল থেকে তেল উৎপন্ন হচ্ছে, তাই এটি অপাদান।
- ৭মী বিভক্তি: শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তাকে ৭মী বিভক্তি বলা হয়। এখানে 'তিল' শব্দের সাথে 'এ' যুক্ত হয়ে 'তিলে' হয়েছে।
সহজ কথায়, তিল থেকে তেল তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াটিই হলো অপাদান কারক এবং শব্দের শেষে 'এ' কার থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি।
নিচের কোনটি শুদ্ধ?
বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ চেনা খুব সহজ। এখানে সঠিক উত্তর হলো ষ্ণ = ষ + ণ।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি ভাঙলে আমরা পাই মূর্ধন্য-ষ (ষ) এবং মূর্ধন্য-ণ (ণ)।
- উচ্চারণ এবং গঠনের দিক থেকে এটি মূর্ধন্য-ষ এর সাথে মূর্ধন্য-ণ এর মিলন।
- যেমন: 'উষ্ণ' বা 'তৃষ্ণা' শব্দগুলো লিখলে খেয়াল করবেন, সেখানে ষ এবং ণ এর ব্যবহার রয়েছে।
তাই সবসময় মনে রাখবেন, ষ্ণ মানেই হলো ষ + ণ।
নীলাম্বর কোন সমাস?
এখানে সঠিক উত্তর হলো কর্মধারয়। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে।
সহজ কৌশলটি হলো:
- নীলাম্বর শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: নীল যে অম্বর।
- এখানে 'নীল' শব্দটি বিশেষণ এবং 'অম্বর' (আকাশ) শব্দটি বিশেষ্য।
- যখন কোনো সমাসে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
সহজ কথায়, আকাশটি কেমন? আকাশটি নীল। যেহেতু এখানে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস।
নিচের কোনটি “সৃষ্টি” এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়?
সঠিক উত্তর হলো সৃজ্ + তি। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ‘সৃষ্টি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘সৃজ’ ধাতুর সাথে ‘তি’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।
- এখানে মূল ধাতু হলো সৃজ্।
- এর সাথে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘সৃজ্ + তি’ মিলে ‘সৃষ্টি’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ধাতুর শেষের ‘জ’ ধ্বনিটি অনেক সময় সন্ধি বা প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ‘ষ’ বা ‘ট’ এর প্রভাবে পরিবর্তিত রূপ ধারণ করে, যা এখানে ‘সৃষ্টি’ হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।
সহজ কথায়, ধাতুর মূল রূপটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা যায়।
নিচের কোন শব্দটির পুরুষবাচক শব্দ নেই?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ডাইনী। কারণ বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলোর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না। এই ধরনের শব্দগুলোকে বলা হয় নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখুন:
- ডাইনী একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ, যার কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ নেই।
- বাংলা ভাষায় এমন আরও কিছু শব্দ আছে যাদের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক রূপ ব্যবহার করা হয় না, যেমন: সধবা, কুলটা, অসূর্যস্পর্শা ইত্যাদি।
তাই পরীক্ষার খাতায় এমন শব্দ দেখলে সরাসরি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবেন, কারণ এদের কোনো পুরুষবাচক রূপ ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত নয়।