বিস্তারিত সমাধান
ফ্রি ২০টি প্রশ্নের পড়ার কোটা সমাপ্ত!
লগইন ছাড়া আপনি সর্বোচ্চ ২০টি প্রশ্ন পড়তে পারবেন।
আরও শত শত প্রশ্ন, সমাধান ও ব্যাখ্যা পড়তে চান?
আমাদের সকল প্রশ্ন ব্যাংক, ব্যাখ্যা ও মডেল টেস্টে সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস পেতে এখনই লগইন করুন অথবা সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন।
সম্পর্কিত পরীক্ষা সমূহ
সম্পর্কিত বিষয় সমূহ
সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন
“একুশ মানে মাথা নত না করা” – এই অমর পঙ্ক্তির রচয়িতা –
এই অমর পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হলেন আবুল ফজল। আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত একুশের চেতনার প্রতীক।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- একুশের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক হিসেবে আবুল ফজল পরিচিত।
- তার লেখা প্রবন্ধ ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে এই পঙ্ক্তিটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং এটি প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- তাই নামটি মনে রাখতে চাইলে এভাবে ভাবতে পারেন: "একুশের মাথা নত না করার সাহস জুগিয়েছেন আবুল ফজল।"
কোন গল্পকারের গল্পে ম্যাজিক রিয়েলিজমের প্রতিফলন ঘটেছে?
সঠিক উত্তর হলো শহীদুল জহির। বাংলা সাহিত্যে ম্যাজিক রিয়েলিজম বা জাদুবাস্তবতার সার্থক প্রয়োগের জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
বিষয়টা খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:
- শহীদুল জহিরের গল্পে বাস্তব জীবনের সাধারণ ঘটনার সাথে অতিপ্রাকৃত বা অবাস্তব উপাদানের এক অদ্ভুত মিশেল দেখা যায়।
- তার লেখায় কল্পনা এবং বাস্তবতার সীমানা এমনভাবে মিলেমিশে থাকে যে পাঠক সহজেই জাদুবাস্তবতার স্বাদ পান।
- তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ যেমন 'ডুমুরখেকো মানুষ' বা 'কোথায় পাবো তারে'-তে এই শৈলীটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।
সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যে জাদুবাস্তবতার জাদুকর বলতেই শহীদুল জহিরের নাম সবার আগে আসে।
ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গ্রন্থের চরিত্র?
ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা কমলাকান্ত-এর একটি অবিস্মরণীয় চরিত্র। বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর এই গ্রন্থে কমলাকান্তের জবানিতে সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন, যেখানে ভীষ্মদেব খোশনবীশ চরিত্রটি অত্যন্ত চতুর এবং স্বার্থপর প্রকৃতির মানুষ হিসেবে চিত্রিত হয়েছে।
সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:
- গ্রন্থ: কমলাকান্তের দপ্তর বা কমলাকান্ত।
- চরিত্রের বৈশিষ্ট্য: ভীষ্মদেব খোশনবীশ মূলত একজন ধূর্ত এবং সুবিধাবাদী ব্যক্তি, যাকে বঙ্কিমচন্দ্র অত্যন্ত নিপুণভাবে তাঁর রচনায় ফুটিয়ে তুলেছেন।
পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন—বঙ্কিমচন্দ্রের রসবোধের অন্যতম সেরা নিদর্শন এই কমলাকান্ত গ্রন্থেই ভীষ্মদেব খোশনবীশের দেখা মেলে।
দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকের ইংরেজি অনুবাদক –
সঠিক উত্তর হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক ‘নীলদর্পণ’ ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
- তৎকালীন নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের কাহিনী বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার জন্য এর ইংরেজি অনুবাদের প্রয়োজন ছিল।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন, যার নাম ছিল ‘The Indigo Planting Mirror’।
সহজ কথায়, নীল বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে লেখা এই কালজয়ী নাটকের ইংরেজি রূপ দিয়েছিলেন বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
রঞ্জন চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের?
রঞ্জন চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত নাটক রক্তকরবী-র প্রধান পুরুষ চরিত্র। এই নাটকটি বোঝার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:
- রক্তকরবী নাটকে রঞ্জন হলো প্রাণশক্তির প্রতীক, যে যক্ষপুরীর যান্ত্রিক ও প্রাণহীন শাসনের বিপরীতে তারুণ্য ও ভালোবাসার বার্তা নিয়ে আসে।
- নাটকটির মূল উপজীব্য হলো মানুষের স্বাভাবিক আবেগ ও প্রকৃতির সাথে যন্ত্রসভ্যতার দ্বন্দ্ব, যেখানে রঞ্জন তার অদম্য সাহসের মাধ্যমে সেই অচলায়তন ভাঙার ইঙ্গিত দেয়।
- রঞ্জন চরিত্রটি মূলত নন্দিনী নামের প্রধান নারী চরিত্রের ভালোবাসার মানুষ, যে যক্ষপুরীর অন্ধকার জগতের মাঝেও সজীবতার পরিচয় বহন করে।
সহজ কথায়, যেখানেই রঞ্জন বা নন্দিনীর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন সেটি রক্তকরবী নাটকের অংশ।
‘তৈল’ প্রবন্ধটি লিখেছেন –
সঠিক উত্তর হলো হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘তৈল’ মূলত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা। এই প্রবন্ধটি তাঁর ‘বেনামী সে লেখা’ নামক প্রবন্ধ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।
- প্রবন্ধটির মূল বিষয়বস্তু হলো সমাজের মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং তৈল বা তোষামোদ করার প্রবণতা।
- লেখক অত্যন্ত রসাত্মক ভাষায় দেখিয়েছেন যে, কীভাবে মানুষ নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্যের তোষামোদ বা 'তৈল' মর্দন করে থাকে।
সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা সাহিত্যে 'তৈল' বা তোষামোদ নিয়ে এমন তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত রচনার কথা মনে পড়লেই হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম মাথায় আসা উচিত।
“নাম রেখেছি কোমল গান্ধার” কাব্যের রচয়িতা –
সঠিক উত্তর হলো বিষ্ণু দে।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বিষ্ণু দে আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি তাঁর কাব্যশৈলীতে নতুনত্ব ও বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার জন্য পরিচিত। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে "নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" অন্যতম।
- কবি: বিষ্ণু দে।
- কাব্যগ্রন্থ: নাম রেখেছি কোমল গান্ধার।
- মনে রাখার কৌশল: বিষ্ণু দে-র কাব্যধারায় প্রায়ই সংগীত ও শিল্পের গভীর ছোঁয়া পাওয়া যায়, যা এই কাব্যগ্রন্থের নামকরণের মধ্যেও ফুটে উঠেছে।
শামসুর রাহমানের রচিত উপন্যাস –
শামসুর রাহমানের সাহিত্যকর্মের কথা বললে প্রথমেই আমাদের মাথায় আসে তাঁর কবিতার কথা, তবে তিনি গদ্যেও দারুণ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো অদ্ভুত আঁধার এক।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- শামসুর রাহমানের লেখা একমাত্র উপন্যাস হলো অদ্ভুত আঁধার এক।
- এটি তাঁর গদ্য রচনার একটি অনন্য নিদর্শন, যা তাঁর কাব্যিক শৈলীর মতোই গভীর ও চিন্তাশীল।
- পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য শুধু এই নামটির সাথে লেখকের নামটি একবার মিলিয়ে নিলেই চলবে।
‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ -গানটির রচয়িতা –
সঠিক উত্তর হলো কাজী নজরুল ইসলাম।
এই বিখ্যাত গানটি নিয়ে কিছু মজার তথ্য যা মনে রাখা খুব সহজ:
- গানটি বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর লেখা।
- এটি কেবল একটি গান নয়, বরং বাঙালির ঈদ উদযাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- গানটি প্রথম রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৩২ সালে, যা আজও সমান জনপ্রিয়।
সহজ কথায়, ঈদের আনন্দ আর নজরুল ইসলামের এই কালজয়ী সৃষ্টি যেন একে অপরের পরিপূরক। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে এই গানটির রচয়িতা হিসেবে চোখ বন্ধ করে কাজী নজরুল ইসলামকেই বেছে নিতে পারেন!
‘পৃথক পালঙ্ক’ কাব্যগ্রন্থের কবি –
সঠিক উত্তর হলো আবুল হাসান। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আবুল হাসান তার কাব্যিক শৈলী এবং আবেগী শব্দচয়নের জন্য বাংলা সাহিত্যে বেশ পরিচিত।
সহজ কিছু তথ্য মনে রাখতে পারেন:
- পৃথক পালঙ্ক কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি আবুল হাসানের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ।
- তার প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম রাজা যায় রাজা আসে, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কবির এই দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা একদমই থাকবে না!