বিস্তারিত সমাধান
ফ্রি ২০টি প্রশ্নের পড়ার কোটা সমাপ্ত!
লগইন ছাড়া আপনি সর্বোচ্চ ২০টি প্রশ্ন পড়তে পারবেন।
আরও শত শত প্রশ্ন, সমাধান ও ব্যাখ্যা পড়তে চান?
আমাদের সকল প্রশ্ন ব্যাংক, ব্যাখ্যা ও মডেল টেস্টে সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস পেতে এখনই লগইন করুন অথবা সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন।
সম্পর্কিত পরীক্ষা সমূহ
সম্পর্কিত বিষয় সমূহ
সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন
২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
২০১৭ সালের আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংল্যান্ড ও ওয়েলস-এ। এই টুর্নামেন্টটি মূলত ইংল্যান্ডের মাটিতেই আয়োজিত হয়েছিল, যেখানে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে পাকিস্তান প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
- টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল: ইংল্যান্ড।
- সময়কাল: ১ জুন থেকে ১৮ জুন, ২০১৭।
- ফলাফল: পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন এবং ভারত রানার্স-আপ।
সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, ২০১৭ সালের এই বড় আসরটি ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
BARD- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
সঠিক উত্তর হলো ড. আখতার হামিদ খান। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা হলেন ড. আখতার হামিদ খান।
- তিনি মূলত পল্লী উন্নয়নের মডেল বা 'কুমিল্লা মডেল' তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
- ১৯৫৯ সালে তিনি এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতি ও সমবায় নিয়ে যুগান্তকারী কাজ করে আসছে।
সহজ কথায়, পল্লী উন্নয়নের কথা এলেই ড. আখতার হামিদ খানের নাম সবার আগে আসে, তাই BARD-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তাঁর নাম মনে রাখা সবচেয়ে কার্যকর।
মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেন?
সঠিক উত্তর হলো ১৯৬৯ সাল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এই উপাধি ঘোষণা করেন।
- ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার ঠিক পরেই তিনি এই সম্মান অর্জন করেন, যা তাকে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
চিকনগুনিয়া রোগটি কোন মাধ্যম বাহিত রোগ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো পতঙ্গবাহিত। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ চিকনগুনিয়া মূলত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়।
- চিকনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত Aedes aegypti এবং Aedes albopictus প্রজাতির মশার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।
- যেহেতু মশা একটি পতঙ্গ, তাই এই রোগকে সরাসরি পতঙ্গবাহিত রোগ বলা হয়।
- এটি কোনোভাবেই পানি, বাতাস বা সরাসরি রক্ত আদান-প্রদানের মাধ্যমে ছড়ায় না, তাই মশার বংশবিস্তার রোধ করাই এই রোগ থেকে বাঁচার প্রধান উপায়।
বাংলা নববর্ষে পহলে বৈশাখ চালু করেন?
বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ উদযাপনের প্রথাটি মূলত সম্রাট আকবর প্রবর্তন করেন। এর পেছনের কারণটা বেশ মজার এবং বুদ্ধিদীপ্ত:
- আকবরের শাসনামলে ফসলি সন বা কৃষিভিত্তিক ক্যালেন্ডার হিসাব করা হতো হিজরি সন অনুযায়ী, যা ছিল চন্দ্রনির্ভর।
- চন্দ্রবর্ষ সৌরবর্ষের চেয়ে ১১ দিন ছোট হওয়ায় ঋতু ও ফসলের হিসাবের সাথে সময়ের গরমিল হয়ে যেত।
- এই সমস্যা দূর করতে সম্রাট আকবর ১৫৮৪ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজীর সহায়তায় সৌর ক্যালেন্ডার বা বঙ্গাব্দ চালু করেন।
- মূলত খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে এবং কৃষকদের ঋতুচক্রের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে এই নতুন ক্যালেন্ডারটি চালু করা হয়, যা আজ আমাদের পহেলা বৈশাখ হিসেবে পরিচিত।
কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো লর্ড কার্জন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে বাংলা প্রদেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করেন।
- ইতিহাসে এটিই বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত, যা তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
- সহজ কথায়, বঙ্গভঙ্গের মূল পরিকল্পনাকারী এবং বাস্তবায়নকারী ছিলেন লর্ড কার্জন, তাই এই নামটির সাথে বঙ্গভঙ্গ শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কয় দফা ছিল?
১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে মোট ২১টি দফা ছিল। এই দফাগুলো তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের অধিকার আদায়ের দাবি হিসেবে পরিচিত ছিল।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- নির্বাচনের নাম: ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচন।
- দফার সংখ্যা: ২১।
- মূল লক্ষ্য: এই ২১ দফার মাধ্যমেই মূলত তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা হয়েছিল, যা নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিশাল জয়ের পথ তৈরি করে।
বাংলাদেশে মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
সঠিক উত্তর হলো সিলেট।
বিষয়টা খুব সহজ! বাংলাদেশের সিলেটে বসবাসরত মণিপুরী সম্প্রদায়ের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো এই নাচ। মূলত তাদের ধর্মীয় উৎসব ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে এই নাচের পরিবেশনা দেখা যায়।
- মণিপুরী নাচ: এটি মূলত সিলেটের মণিপুরী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব শিল্পকলা।
- বৈশিষ্ট্য: এই নাচের ছন্দ ও মুদ্রা অত্যন্ত লাবণ্যময় এবং এটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
- ঐতিহ্য: ভৌগোলিকভাবে সিলেটের মৌলভীবাজার ও সিলেট অঞ্চলে মণিপুরী বসতি বেশি হওয়ায়, এই নাচটি ওই অঞ্চলের সংস্কৃতির প্রধান পরিচয় হয়ে উঠেছে।
জীব জগতের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
জীব জগতের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর রশ্মি হলো গামা রশ্মি। এর কারণ হলো এর প্রচণ্ড শক্তি এবং ভেদন ক্ষমতা। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:
- উচ্চ শক্তি: গামা রশ্মির ফোটনগুলোর শক্তি অত্যন্ত বেশি, যা সাধারণ আলোক রশ্মি বা অন্যান্য বিকিরণের তুলনায় অনেক গুণ বেশি।
- ভেদন ক্ষমতা: এই রশ্মি আমাদের শরীরের চামড়া ভেদ করে ভেতরে ঢুকে কোষের ডিএনএ (DNA) পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।
- কোষের ক্ষতি: ডিএনএ-র গঠন নষ্ট করে দেওয়ার ফলে কোষের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ব্যাহত হয়, যা ক্যান্সার বা জেনেটিক মিউটেশনের মতো মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করে।
সহজ কথায়, গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুবই কম ($\lambda \to 0$) হওয়ায় এর কম্পাঙ্ক ও শক্তি অনেক বেশি হয়, যা জীবন্ত কোষের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র কোনটি?
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র হলো তৈরী পোশাক। আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে এই খাতটি সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে এই খাত থেকে।
- বিশ্ববাজারে 'মেড ইন বাংলাদেশ' ট্যাগযুক্ত পোশাকের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের শীর্ষে রয়েছে।
- দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০%-এর বেশি আসে এই তৈরী পোশাক শিল্প থেকে।