‘ভাব ও কাজ' প্রবন্ধ অনুযায়ী জুয়েলের আচরণ হচ্ছে-
এখানে সঠিক উত্তর হলো সৌরভহীন পুষ্প।
কাজী নজরুল ইসলামের ‘ভাব ও কাজ’ প্রবন্ধে বলা হয়েছে, শুধু মুখের সুন্দর সুন্দর কথা বা ভাবের কথা কাজে পরিণত না করলে তার কোনো দাম থাকে না। এটি ঠিক সৌরভহীন ফুলের মতো, যা দেখতে সুন্দর হলেও যার কোনো ঘ্রাণ বা সুবাস নেই। জুয়েলের আচরণও ঠিক তেমনি ফাঁকা আওয়াজ বা কাজের কাজ কিছু না করার সাথে তুলনীয়।
‘ভাব ও কাজ' প্রবন্ধ অনুযায়ী জুয়েলের উচিত- i. ভাব ও কাজের সমন্বয় করা ii. ভাবের উচ্ছ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করা iii. বাস্তবধর্মী কাজে তৎপর হওয়া নিচের কোনটি সঠিক ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও iii।
কাজী নজরুল ইসলামের 'ভাব ও কাজ' প্রবন্ধ অনুসারে, মানবজীবনে শুধু ভাব বা কল্পনা নিয়ে বসে থাকলেই চলে না, বরং তার সাথে কাজের বাস্তব মেলবন্ধন ঘটাতে হয়। প্রবন্ধের মূল শিক্ষা অনুযায়ী জুয়েলের উচিত—
- ভাব ও কাজের সমন্বয় করা: শুধু উচ্চাশা বা সুন্দর ভাব দিয়ে কিছু হয় না, তাকে বাস্তব কাজের রূপ দিতে হয়।
- বাস্তবধর্মী কাজে তৎপর হওয়া: অলস কল্পনায় সময় নষ্ট না করে দেশ ও দশের কল্যাণে বাস্তবমুখী ও সুনির্দিষ্ট কাজে ঝাঁপিয়ে পড়া।
তাই জুয়েলের জন্য প্রথম ও তৃতীয় পয়েন্টটিই একদম সঠিক।
শচী ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিভূ ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বিধু।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে বিধু হলো দলীয় প্রধান বা নেতার মতো। সে বয়সে একটু বড় এবং বুদ্ধিমান। কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সটি কীভাবে মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া হবে এবং পুরো ঘটনার নেতৃত্ব কীভাবে দিতে হবে—এই পুরো বিষয়টিতে বিধুর ভূমিকা ছিল সবচেয়ে জোরালো ও বিচক্ষণ। তাই তাকেই এই চরিত্রের প্রধান প্রতিভূ হিসেবে ধরা হয়।
লেখকের চমৎকার অর্থে ব্যবহৃত 'দিব্যি' শব্দটি আমরা আর কোন অর্থে ব্যবহার করে থাকি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো শপথ।
বাংলা ভাষায় 'দিব্যি' শব্দটি মূলত চমৎকার বা চমৎকারিত্ব প্রকাশের পাশাপাশি খুব জোর দিয়ে কোনো কিছু বোঝাতে বা শপথ করার অর্থেও বেশ জনপ্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন—"দিব্যি কেটে বলছি" কথাটির মাধ্যমে আমরা কোনো বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করতে শপথের বিষয়টিই প্রকাশ করে থাকি।
চাঁপাতলীর আমের ব্যাপারে এত আগ্রহের কারণ তা- i. প্রচুর পাওয়া যায় ii. খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু iii. নির্বিঘ্নে কুড়ানো যায় নিচের কোনটি সঠিক ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও ii। অর্থাৎ, চাঁপাতলীর আমের প্রতি মানুষের এত আগ্রহের মূল কারণ হলো সেগুলো যেমন প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, তেমনি খেতেও অত্যন্ত সুস্বাদু। এই বিশেষ আমের গুণের কারণেই সবাই এর প্রতি এতটা আকৃষ্ট হয়।
উল্লিখিত তুলনাটা কোন মানদণ্ডে বিচার্য ? উভয়েই— i. ন্যায় ও কর্তব্যবোধে উদ্বুদ্ধ ii. লোকলজ্জার ভয়ে ভীত iii. অকল্যাণ চিন্তায় তাড়িত নিচের কোনটি সঠিক ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও ii। কারণ নৈতিকতা ও মানবীয় মূল্যবোধের বিচারে একজন আদর্শ মানুষ সবসময় ন্যায়পরায়ণ ও কর্তব্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হন। পাশাপাশি, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং লোকলজ্জার ভয়েও মানুষ সাধারণত অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকে। তাই এই দুটি মানদণ্ডই সঠিক।
নগেনের সাথে পরাশর ডাক্তারের প্রথম দেখা হয় কখন ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: ২ মাস আগে।
গল্প বা পাঠ্যবইয়ের তথ্য অনুযায়ী, নগেনের সাথে পরাশর ডাক্তারের প্রথম দেখা হয়েছিল ঠিক ২ মাস আগে। স্মৃতি থেকে এই ধরনের তথ্য মনে রাখতে ঘটনার সময়কালগুলো আলাদা করে খেয়াল রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
নগেন কার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত?
এখানে সঠিক উত্তর হলো মামার বাড়ি। কারণ গল্প বা উপন্যাসের কাহিনী অনুযায়ী নগেন তার মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যেত। এই বিষয়টি সরাসরি মূল পাঠ্য থেকেই নেওয়া হয়েছে, তাই এখানে অন্য কোনো অপশনে যাওয়ার সুযোগ নেই।
এরূপ সাদৃশ্যের মূলে কোনটি বিদ্যমান?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: বাস্তবজ্ঞানের অভাব।
কোনো বিষয়ে ভুল বা অবাস্তব সাদৃশ্য কল্পনা করার মূল কারণ হলো আমাদের চারপাশের পৃথিবীর সঠিক ও বাস্তবসম্মত ধারণার ঘাটতি। যখন আমাদের মধ্যে বাস্তবজ্ঞানের অভাব থাকে, তখন আমরা অনেক সময় কাল্পনিক বা অমিল বিষয়ের মধ্যে মিল খুঁজে বের করার ভুল করে বসি। তাই সঠিক উপলব্ধি এবং বিচারবুদ্ধির জন্য বাস্তবধর্মী জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি।
উদ্দীপকের আদনান-এর সাথে 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের নগেনের সাদৃশ্যের কারণ—
এখানে সঠিক উত্তর হলো: তারা ভীষণ ভীতু ছিল।
'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পে নগেন চরিত্রটির মূল বৈশিষ্ট্য ছিল তার অতিরিক্ত ভয় পাওয়ার স্বভাব। সে একটুতেই ভয় পেত এবং রাতের বেলা ভূতের ভয়ে অস্থির থাকত। উদ্দীপকের আদনান চরিত্রের মধ্যেও ঠিক একই রকম অতিরিক্ত ভয় পাওয়ার মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে। মূল গল্পের নগেনের মতো আদনানও স্বভাবগতভাবে ভীষণ ভীতু প্রকৃতির ছিল বলেই তাদের মধ্যে এই মিলটি দেখা যায়।