বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
- আমাদের প্রশাসনিক কাঠামোর একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে ইউনিয়ন পরিষদ।
- এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সবচেয়ে ছোট এবং প্রাথমিক একক।
- সাধারণত ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে একটি ইউনিয়ন গঠিত হয়, যা সরাসরি জনগণের সেবা নিশ্চিত করে।
তাই প্রশাসনিক বিন্যাস অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদই হলো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের সর্বনিম্ন স্তর।
গফুর সাহেবের কর্মসংস্থানের ব্যর্থতা কোন সমস্যাকে চিহ্নত করে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বেকারত্ব। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ যখন কোনো ব্যক্তি কাজ করতে ইচ্ছুক এবং সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও কোনো উপার্জনের উৎস খুঁজে পান না, তখন সেই অবস্থাকেই অর্থনীতিতে বেকারত্ব বলা হয়।
- গফুর সাহেবের কর্মসংস্থানের অভাব সরাসরি নির্দেশ করে যে তিনি শ্রমবাজারে কাজ পাচ্ছেন না।
- যেহেতু তিনি কাজ করতে চাইছেন কিন্তু পারছেন না, তাই এটি কোনো সামাজিক বা পরিবেশগত সমস্যা নয়, বরং এটি একটি অর্থনৈতিক সমস্যা যা বেকারত্ব হিসেবে পরিচিত।
ভারত সরকার বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদান করে কখন?
সঠিক উত্তর হলো ৬ ডিসেম্বর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ১৯৭১ সালের এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক।
- মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে মিত্রবাহিনীর সহায়তায় বাংলাদেশ যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এই স্বীকৃতির ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয় এবং যুদ্ধ জয়ের পথ আরও সুগম হয়।
- ইতিহাসের পাতায় এই তারিখটি তাই চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
আন্তর্জাতিক আদালত কতজন বিচারক নিয়ে গঠিত?
আন্তর্জাতিক আদালত বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিস (ICJ) মোট ১৫ জন বিচারক নিয়ে গঠিত। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- এই বিচারকদের নিয়োগ দেওয়া হয় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে।
- তাদের কার্যকাল হয় দীর্ঘ ৯ বছর।
- প্রতি ৩ বছর অন্তর আদালতের এক-তৃতীয়াংশ বিচারকের পদের মেয়াদ শেষ হয় এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সহজ কথায়, আদালতের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সবসময় ১৫ জন বিচারকই দায়িত্ব পালন করেন।
সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবর্তক ছিলেন-
এখানে সঠিক উত্তর হলো জন লক। কারণ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও দর্শনের ইতিহাসে জন লক, টমাস হবস এবং জঁ-জাক রুশোকে সামাজিক চুক্তি মতবাদের অন্যতম প্রধান প্রবর্তক বা প্রবক্তা হিসেবে গণ্য করা হয়। তারা মনে করতেন যে, মানুষ প্রাকৃতিক অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এবং নিজেদের জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির সুরক্ষার জন্য পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র বা সমাজ গঠন করেছে।
বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম কী?
এখানে সঠিক উত্তর হলো সুপ্রিম কোর্ট।
খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থায় সবচেয়ে উপরে বা প্রধান স্থানে রয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং এর অধীনেই হাইকোর্টসহ অন্যান্য সকল আদালত পরিচালিত হয়।
২নং চিত্র দ্বারা বাংলাদেশের যে ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছে তা হলো- i. সূর্য সন্তানদের বিজয়োল্লাস ii. একটি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন iii. অর্জিত স্বাধীনতার উল্লাস নিচের কোনটি সঠিক?
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও iii।
চিত্রটি মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের আনন্দ এবং অর্জিত স্বাধীনতার উল্লাসকে ফুটিয়ে তুলেছে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আমাদের এই বিজয় অর্জিত হয়, যা বাঙালি জাতির জীবনে এনে দিয়েছিল সূর্য সন্তানদের বিজয়োল্লাসের পরম আনন্দ।
গণতন্ত্র বিকাশে কার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: রাজনৈতিক দলের।
গণতন্ত্রের মূল কথাই হলো জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটিয়ে সরকার গঠন ও পরিচালনা করা। আর এই কাজটি সফলভাবে করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো সেতু হিসেবে কাজ করে। দলগুলো জনমত গঠন করে, নির্বাচনে অংশ নেয় এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালন করে। তাই একটি দেশে গণতন্ত্রকে অর্থবহ ও শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
উদ্দীপকের দাবির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়ের মিল রয়েছে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ছয় দফা।
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ এবং স্বাধিকার আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলো ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে পেশ করেছিলেন। উদ্দীপকে যখন বাঙালির অধিকার বা স্বাধিকার আদায়ের কোনো মূল দাবির কথা বলা হয়, তখন পাঠ্যবইয়ের এই ছয় দফার সাথেই তার সবচেয়ে বেশি মিল পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের ভাষ্য অনুসারে জাতিসংঘের কোন সংস্থা বা শাখাটি দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকা তথা নামিবিয়ার স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো অছি পরিষদ। জাতিসংঘের এই শাখাটি ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে থাকা অঞ্চলগুলোর তদারকি এবং সেগুলোকে স্বাধীন করে তোলার প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এর মাধ্যমেই দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকা তথা নামিিবয়া তার দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হয়।