‘?' চিহ্নিত স্থানে কোনটি বসবে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো সুশাসন। খুব সহজ কথায়, একটি রাষ্ট্রে যখন জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন এবং জনকল্যাণমূলক কাজের সঠিক বাস্তবায়ন ঘটে, তখন তাকে সামগ্রিকভাবে সুশাসন বলা হয়। এটি সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।
অনুচ্ছেদে পৌরনীতি ও নাগরিকতার সাথে কোন বিষয়ের সাদৃশ্যপূর্ণ সম্পর্ক দেখানো হয়েছে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
পৌরনীতি ও নাগরিকতা মূলত সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা সমস্যা নিয়ে কাজ করে এবং আধুনিক যুগে এসব সমস্যা সমাধানে ও নাগরিক সেবাসমূহ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। এই পারস্পরিক গভীর সম্পর্কের কারণেই অনুচ্ছেদে পৌরনীতি ও নাগরিকতার সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাদৃশ্য দেখানো হয়েছে।
উক্ত বিষয়টি পৌরনীতি ও সুশাসনের যে বিষয়ের উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে— i. ই-গভর্নেন্স ii. ই -গণতন্ত্র iii. ই-গভর্নমেন্ট নিচের কোনটি সঠিক?
এখানে সঠিক উত্তর হলো (Option D: i, ii ও iii)। কারণ প্রশ্নোক্ত বিষয়টি আধুনিক প্রযুক্তির সুফলকে কাজে লাগিয়ে সরকারি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণমূলক ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সমানভাবে ভূমিকা রাখে। আর এই সবগুলো ধারণাই মূলত ই-গভর্নেন্স, ই-গণতন্ত্র এবং ই-গভর্নমেন্ট ব্যবস্থার পরিধিভুক্ত।
সুশাসনের জন্য স্বচ্ছতা প্রয়োজন কেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো আমলা নির্ভরতা কমায়।
বিষয়টা খুব সহজ! প্রশাসনে স্বচ্ছতা থাকলে সব ধরনের কার্যক্রম সবার চোখের সামনে উন্মুক্ত থাকে। এর ফলে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা দপ্তরের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করতে হয় না এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বা দৌরাত্ম্য নিজে থেকেই অনেক কমে যায়।
মিডিয়ার স্বাধীনতা প্রয়োজন কেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রকৃত তথ্য জানার জন্য। কারণ, একটি স্বাধীন গণমাধ্যম বা মিডিয়া সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করে। এর প্রধান কাজ হলো কোনো রাখঢাক বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়া ঘটনার পেছনের আসল সত্য বা প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা, যাতে সাধারণ মানুষ সঠিক ধারণা পেতে পারে।
প্রত্যেক নাগরিকের শিক্ষা লাভ করা আবশ্যক কেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো: শিক্ষা মানবীয় গুণাবলি বিকশিত করে বলে।
বিষয়টা খুব সহজ! শিক্ষা শুধু আমাদের কোনো ডিগ্রি দেয় না, বরং মানুষের ভেতরে থাকা দয়া, সততা, বিবেক এবং সঠিক মূল্যবোধগুলোকে জাগ্রত করে। একজন সুশিক্ষিত মানুষ সহজেই ভালো-মন্দের তফাত বুঝতে পারে এবং সমাজের কল্যাণে নিজের ভেতরের মানবীয় গুণগুলোকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে। তাই একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য শিক্ষা লাভ করা সবচেয়ে বেশি জরুরি।
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য হলো-
এখানে সঠিক উত্তর হলো নियमित কর প্রদান করা। কারণ, একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং টিকিয়ে রাখতে নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা অত্যন্ত জরুরি। রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কাজ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক সেবা নিশ্চিত করার জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়, যা মূলত নাগরিকদের দেওয়া কর থেকেই আসে। তাই নিয়মিত কর প্রদান করা প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের অন্যতম প্রধান ও বাধ্যতামূলক কর্তব্য।
উদ্দীপকে প্রশ্নচিহ্নিত '(?)' স্থানে নিচের কোনটিকে নির্দেশ করে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো সাম্য।
নাগরিক জীবনে আইনের চোখে সবাই সমান এবং সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরাসরি সাম্য ধারণার সাথে জড়িত। এটি এমন এক পরিস্থিতি যেখানে কোনো বৈষম্য ছাড়াই প্রতিটি নাগরিক তার মেধা ও যোগ্যতার বিকাশের সমান সুযোগ পায়। তাই প্রশ্নচিহ্নিত স্থানে 'সাম্য' বসবে।
E-Governance এর পূর্ণরূপ কী?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Electronic governance।
খুব সহজ কথায়, প্রযুক্তির ব্যবহার করে যখন সরকারি সেবাগুলো জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয় এবং সরকারি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত করা হয়, তখন তাকে সংক্ষেপে E-Governance (ইলেকট্রনিক গভর্ন্যান্স বা ই-শাসন) বলা হয়। এখানে 'E' অক্ষরটি মূলত Electronic শব্দটিকে নির্দেশ করে।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ফেসবুক। কারণ এটি একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া, যার মাধ্যমে খুব সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে দেশ-বিদেশের মানুষের সাথে যোগাযোগ করা যায়, ছবি ও তথ্য শেয়ার করা যায়। বাকি অপশনগুলো যেমন সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশন হলো মূলত গণমাধ্যম বা একমুখী তথ্য প্রচারের মাধ্যম।