উন্নয়নশীল অনেক দেশের সরকার ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠা করতে পারছে না কেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: আইসিটি বিশেষজ্ঞের অভাব।
উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ই-গভর্নেন্স বা ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থা চালু করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো দক্ষ জনবলের ঘাটতি। প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরির জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বা ইচ্ছা থাকলেও, সিস্টেমগুলো সঠিকভাবে পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করার মতো দক্ষ আইসিটি বিশেষজ্ঞের অভাব প্রকট থাকে। ফলে পরিকল্পনা থাকলেও অনেক দেশই সফলভাবে ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠা করতে পারে না।
বাংলাদেশ ই-গভর্নেন্সে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো জনগণের অনাগ্রহ। কারণ ই-গভর্নেন্স বা ডিজিটাল সেবা সফলভাবে চালুর জন্য সবার আগে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা জরুরি। কিন্তু সচেতনতার অভাব, প্রযুক্তি ব্যবহারে ভীতি এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের পর্যাপ্ত দক্ষতার অভাবে সাধারণ মানুষ অনেক সময় সরকারি ডিজিটাল সেবাগুলো নিতে আগ্রহী হয় না, যা ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বড় বাধা।
আফজাল সাহেবের কর্তব্যের ধরন কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: নৈতিক।
বিষয়টা খুব সহজ! মানুষের বিবেক, বোধশক্তি এবং ভালো-মন্দের বিচারবুদ্ধি থেকে যেকর্তব্যগুলো পালন করা হয়, সেগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলা হয়। এর পেছনে কোনো ধরনের আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না, বরং এটি সম্পূর্ণ মানুষের অভ্যন্তরীণ মানবতাবোধ ও দায়িত্ববোধ থেকে উৎসারিত হয়।
রুশো কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ফ্রান্স। ফরাসি দার্শনিক ও লেখক জঁ-জাক রুশো সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর কর্মজীবন এবং বিখ্যাত সব চিন্তাধারা মূলত ফ্রেন্স সমাজ ও বিপ্লবকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল। তাই বিশ্ব ইতিহাসে তাঁকে একজন ফরাসি দার্শনিক হিসেবেই প্রধানত গণ্য করা হয়।
কোনটি মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে সুশাসনের একটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।
বিষয়টা খুব সহজ! সমাজে যখন আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করা হয় এবং অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করা হয়, তখন মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো আপনাআপনি সুরক্ষিত হয়। সুশাসনের মূল কথাই হলো দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা, যার মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের মানবাধিকার ও ন্যায্য অধিকারগুলো নিরাপদে ভোগ করতে পারেন।
রাফির নেতৃত্ব কোন প্রকৃতির?
এখানে সঠিক উত্তর হলো গণতান্ত্রিক। কারণ এই ধরনের নেতৃত্বে নেতার একাই সব সিদ্ধান্ত নেন না, বরং দলের সবার মতামতকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং সবার সাথে আলোচনা করে কাজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
'ক' রাষ্ট্রে নাগরিকের মধ্যে যে বিষয়টি গড়ে উঠেছিল, তা হলো—
এখানে সঠিক উত্তর হলো জনমত। কারণ একটি রাষ্ট্রে বসবাসকারী নাগরিকদের সাধারণ স্বার্থ, চিন্তা-চেতনা এবং সচেতনতার ভিত্তিতে যে অভিন্ন মতামত গড়ে ওঠে, তাকেই মূলত জনমত বলা হয়। এটি নাগরিকদের পারস্পরিক মেলবন্ধন এবং রাজনৈতিক সচেতনতার বহিঃপ্রকাশ।
আলোচ্য উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য ছাড়া আর যে বৈশিষ্ট্য রয়েছে সেগুলো হলো- i. সুস্পষ্ট অভিমত ii. প্রভাবশালী মত iii. শ্রেণিগত মত নিচের কোনটি সঠিক?
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও ii। এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে মূল পাঠ্যবইয়ের নির্দিষ্ট টপিক বা ছকটি ভালোভাবে মনে রাখতে হয়। উদ্দীপকে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যগুলোর বাইরে এর সাথে মিল রয়েছে সুস্পষ্ট অভিমত এবং প্রভাবশালী মত—এই দুটি বিষয়। তাই প্রথম ও দ্বিতীয় অপশন মিলেই সঠিক সেটটি গঠিত হয়।
উদ্দীপকের চিত্রটি দ্বারা কী বোঝায়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ।
বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:
- সরকারের প্রধান তিনটি বিভাগ—শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ যখন একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বাধীনভাবে কাজ করে, তখন তাকেই ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ বলা হয়।
- উদ্দীপকে মূলত এই ক্ষমতার বিভাজন বা স্বাতন্ত্র্যই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যাতে কোনো একটি বিভাগের হাতে সব ক্ষমতা কুক্ষিগত না থাকে।
অনুচ্ছেদে নাহিদের কথায় কোন নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ক্ষমতার ভারসাম্য নীতি। কারণ, যখন কোনো রাষ্ট্রে বা সংস্থায় ক্ষমতার একচ্ছত্র আধিপত্য রোধ করতে বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতা এমনভাবে ভাগ করে দেওয়া হয় যাতে কেউ এককভাবে সর্বেসর্বা হয়ে উঠতে না পারে এবং একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তখন তাকে ক্ষমতার ভারসাম্য বলা হয়। নাহিদের কথায় ঠিক এই পারস্পরিক নিয়ন্ত্রণের ধারণারই প্রকাশ ঘটেছে।