x 4 - 1 x 3 15 এর বিস্তৃতিতে x 32 এর সহগ কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: 1365। খুব সহজেই দ্বিপদী বিস্তৃতির সাধারণ পদ ব্যবহার করে এটি বের করা যায়:
- প্রথমে দ্বিপদী রাশিটির সাধারণ পদের সূত্রটি লিখে ফেলি, যেখানে সাধারণ পদ $T_{r+1} = \binom{n}{r} a^{n-r} b^r$।
- এখানে রাশিটি হলো $\left(x^4 - \frac{1}{x^3}\right)^{15}$, যার ক্ষেত্রে $n = 15$, প্রথম পদ $a = x^4$ এবং দ্বিতীয় পদ $b = -\frac{1}{x^3}$।
- সাধারণ পদটিতে মানগুলো বসালে পাই: $$\binom{15}{r} (x^4)^{15-r} \left(-\frac{1}{x^3}\right)^r = \binom{15}{r} (-1)^r x^{60-4r} x^{-3r} = \binom{15}{r} (-1)^r x^{60-7r}$$
- আমাদের $x^{32}$ এর সহগ বের করতে হবে, তাই সূচক সমান করে পাই: $60 - 7r = 32$ বা $7r = 28$, অর্থাৎ $r = 4$।
- এখন $r = 4$ বসালে সহগটি দাঁড়ায়: $\binom{15}{4} (-1)^4 = \frac{15 \times 14 \times 13 \times 12}{1 \times 2 \times 3 \times 4} \times 1 = 1365$।
১ মার্চ ২০২৫ তারিখে আরিফ ৪/২০, ৯/৩০ শর্তে আলিফের নিকট ২৫০০০ টাকার পণ্য ধারে বিক্রয় করে। আলিফ ১০ মার্চ তারিখে ৫০০০ টাকা ফেরত দেয় এবং ১৫ মার্চ তারিখে পাওনা পরিশোধ করে। আলিফের পরিশোধিত অর্থের পরিমাণ কত টাকা?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ১৯,২০০ টাকা। বিষয়টি খুব সহজে হিসাব করা যায়:
- শর্তটি হলো $4/20, 9/30$, যার মানে দাঁড়ায় ১০ দিনের মধ্যে (১০ মার্চ) টাকা পরিশোধ করলে ৪% বাট্টা পাওয়া যাবে। কিন্তু আলিফ ১০ তারিখে মাত্র ৫,০০০ টাকা ফেরত দেয়, যা সম্পূর্ণ পাওনা পরিশোধ নয়।
- মূল পাওনা ছিল $25,000$ টাকা। এর মধ্যে ১০ মার্চ দেওয়া হলো $5,000$ টাকা।
- তাহলে বাকী পাওনা থাকে: $25,000 - 5,000 = 20,000$ টাকা।
- যেহেতু ১৫ মার্চ তারিখে বাকি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে, যা চালানের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পড়ে (৩০ দিনের বাট্টার মেয়াদের মধ্যে), তাই এই টাকার ওপর ১% বাট্টা ($9/30$ শর্ত অনুযায়ী) প্রযোজ্য হবে।
- অতএব, বাট্টার পরিমাণ: $20,000$ টাকার $1\% = 200$ টাকা।
- পরিশোধিত অর্থের পরিমাণ: $20,000 - 200 =$ ১৯,২০০ টাকা।
নিম্নের কোনটি হিসাব সমীকরণের 'বর্ধিত প্রকাশ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো: সম্পদ = দায় + মালিকের মূলধন - মালিকের উত্তোলন + আয় - ব্যয়। হিসাব সমীকরণের মূল রূপটি হলো $Assets = Liabilities + Equity$। এই মূলধনকে আরও বিস্তারিত বা বর্ধিত করলে আমরা পাই:
- প্রাথমিক মূলধনের সাথে অতিরিক্ত মূলধন ও আয় যোগ হয়।
- অন্যদিকে খরচ বা ব্যয় এবং মালিকের উত্তোলন মূলধনকে কমিয়ে দেয় বলে সেগুলো বিয়োগ করতে হয়।
তাই সঠিক বর্ধিত হিসাব সমীকরণটি দাঁড়ায়: $$\text{সম্পদ} = \text{দায়} + \text{মালিকের মূলধন} - \text{মালিকের উত্তোলন} + \text{আয়} - \text{ব্যয়}$$
হিসাবচক্রের যে ধাপে কার্যপত্র প্রস্তুত করতে হয়-
এখানে সঠিক উত্তর হলো ৭ম ধাপ। হিসাববিজ্ঞানের হিসাবচক্রের পুরো প্রক্রিয়াটিকে সাধারণত ১০টি ধাপে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে ৭ম ধাপে গিয়ে 'কার্যপত্র' বা Worksheet প্রস্তুত করা হয়ে থাকে।
মেশিন সংস্থাপন ব্যয় বাবদ মজুরি প্রদান ৫০০ টাকা, মজুরি হিসাবে ডেবিট করা হলে এটি হবে -
এখানে সঠিক উত্তর হলো নীতিগত ভুল। কারণ হিসাববিজ্ঞানের মূলনীতি অনুযায়ী মূলধন জাতীয় ব্যয়কে (যেমন: মেশিন সংস্থাপন ব্যয়) মুনাফা জাতীয় ব্যয় (যেমন: মজুরি হিসাব) হিসেবে লেখা হয়েছে।
সহজ কথায় বলতে গেলে, কোনো লেনদেনে হিসাবের মূলনীতি বা শ্রেণিবিভাগে ভুল করা হলে তাকে নীতিগত ভুল বলা হয়। এখানে মেশিন একটি স্থায়ী সম্পদ, তাই এর সংস্থাপন খরচ মূলধন জাতীয় হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু ভুলবশত তা সাধারণ মজুরি হিসেবে দেখানো হয়েছে।
সমবায়ে অর্জিত মুনাফার কত পার্সেন্ট সমবায় উন্নয়ন তহবিলে চাঁদ হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ৩%। সমবায় আইন ও বিধি অনুযায়ী, যেকোনো সমবায় সমিতির বার্ষিক অর্জিত নিট মুনাফার একটি নির্দিষ্ট অংশ বাধ্যতামূলকভাবে বিভিন্ন তহবিলে সংরক্ষণ করতে হয়। এর মধ্যে সমবায় উন্নয়ন তহবিলে চাঁদা হিসেবে জমা দিতে হয় ঠিক ৩% অংশ, যা সমবায়ের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।
টাকা কোন ধরনের বলবর্গ?
নিচের কোনটি বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় খরচ?
সঠিক উত্তর হলো প্রাথমিক খরচ। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:
- বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় খরচ বলতে এমন কিছু খরচকে বোঝায় যা একবার করা হয়, কিন্তু এর সুবিধা দীর্ঘ সময় ধরে পাওয়া যায়।
- ব্যবসা শুরু করার সময় যে খরচগুলো হয়, যেমন—কোম্পানি গঠন সংক্রান্ত খরচ বা প্রাথমিক খরচ, তা এক বছরেই হিসাবভুক্ত না করে কয়েক বছর ধরে ভাগ করে দেখানো হয়।
- যেহেতু এই খরচের সুবিধা একাধিক বছর পাওয়া যায়, তাই একে চলতি বছরের সাধারণ খরচ না ধরে বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় খরচ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সহজ কথায়, যে খরচের উপযোগিতা দীর্ঘমেয়াদী কিন্তু তা কোনো স্থায়ী সম্পদ তৈরি করে না, সেটিই হলো প্রাথমিক খরচ।
দুইজন অংশীদারের মুনাফা বণ্টন অনুপাত ২ : ১ । তৃতীয়জনকে ১/৫ অংশ মুনাফা বণ্টনের চুক্তিতে তারা ব্যবসায়ের নতুন অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করলে মুনাফার নতুন অনুপাত কত হবে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ৮ : ৪ : ৩। বিষয়টি খুব সহজভাবে হিসাব করা যায়:
- নতুন অংশীদারকে মুনাফার $\frac{1}{5}$ অংশ দেওয়া হলে, অবশিষ্ট মুনাফা থাকে: $1 - \frac{1}{5} = \frac{4}{5}$ অংশ।
- এই অবশিষ্ট মুনাফা পুরনো অংশীদাররা তাদের আগের অনুপাত ২ : ১ অনুযায়ী ভাগ করে নেবে।
- প্রথম অংশীদারের নতুন অংশ: $\frac{4}{5} \times \frac{2}{3} = \frac{8}{15}$
- দ্বিতীয় অংশীদারের নতুন অংশ: $\frac{4}{5} \times \frac{1}{3} = \frac{4}{15}$
- তৃতীয় অংশীদারের অংশ: $\frac{1}{5} = \frac{3}{15}$ (হর সমান করার জন্য ৩ দিয়ে গুণ করা হয়েছে)।
সুতরাং, নতুন মুনাফার অনুপাত দাঁড়ায় ৮ : ৪ : ৩।
মুদ্রাস্ফীতির সময় কোন মূল্য পদ্ধতি অধিক কার্যকর?
মুদ্রাস্ফীতির সময় যখন পণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকে, তখন FIFO (First-In, First-Out) পদ্ধতিটি সবচেয়ে কার্যকর। এর কারণগুলো খুব সহজ:
- এই পদ্ধতিতে সবার আগে কেনা বা তৈরি করা পণ্যগুলো সবার আগে বিক্রি দেখানো হয়।
- মুদ্রাস্ফীতির বাজারে পুরনো পণ্যের ক্রয়মূল্য বর্তমান বাজারের তুলনায় কম থাকে।
- ফলে, কম খরচের পণ্য আগে বিক্রি হওয়ায় বিক্রিত পণ্যের ব্যয় বা Cost of Goods Sold (COGS) কম দেখায়।
- এর ফলে প্রতিষ্ঠানের নিট মুনাফা এবং করযোগ্য আয়ের পরিমাণ বেশি দেখায়, যা আর্থিক প্রতিবেদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সহজ কথায়, কম খরচের পণ্য আগে বিক্রির খাতায় তুলে মুনাফা বেশি দেখানোর জন্য হিসাববিজ্ঞানে এই পদ্ধতিটিই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।