T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১১

ক্রয়মূল্য নীতি অনুযায়ী নিচের কোনটি সঠিক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সম্পত্তিসমূহ ক্রয়মূল্যে লিপিবদ্ধ করতে হবে
সমাধান

হিসাববিজ্ঞানের ক্রয়মূল্য নীতি (Cost Principle) অনুযায়ী, কোনো সম্পদ যখন কেনা হয়, তখন সেটি তার বাজারমূল্য বা বিক্রয়মূল্য অনুযায়ী নয়, বরং ঠিক যে দামে কেনা হয়েছে সেই ক্রয়মূল্যেই হিসাবের বইতে লিখতে হয়।

বিষয়টি কেন গুরুত্বপূর্ণ তা নিচে দেওয়া হলো:

  • নির্ভরযোগ্যতা: ক্রয়মূল্য একটি নিশ্চিত দলিল বা ভাউচার দ্বারা প্রমাণিত থাকে, তাই এটি হিসাবের স্বচ্ছতা বজায় রাখে।
  • ব্যক্তিগত মতামতের প্রভাবমুক্ত: বাজারমূল্য প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়, কিন্তু ক্রয়মূল্য স্থির থাকে। ফলে হিসাবরক্ষকের ব্যক্তিগত অনুমানের কোনো সুযোগ থাকে না।
  • সহজ হিসাবায়ন: সম্পদটি ভবিষ্যতে কত দামে বিক্রি হবে তা অনিশ্চিত, তাই ক্রয়মূল্য ব্যবহার করা হিসাববিজ্ঞানের রক্ষণশীলতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সহজ কথায়, আপনি ১০ লাখ টাকা দিয়ে একটি মেশিন কিনলে সেটি ১০ লাখ টাকাতেই বইতে দেখাতে হবে, যদিও ভবিষ্যতে সেটির দাম বেড়ে ১৫ লাখ টাকা হতে পারে। এটাই ক্রয়মূল্য নীতির মূল কথা।

১২

মোট বিক্রয়ের ৮০% যদি ক্রেডিট হয় এবং ক্রেডিট বিক্রয়ের ২% অনাদায়ী হলে সঞ্চিতি কত হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
৪,০০০ টাকা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ৪,০০০ টাকা। বিষয়টি খুব সহজভাবে হিসাব করা যায়। ধরি, মোট বিক্রয় = ১০০ টাকা। তাহলে অনাদায়ী পাওনা সঞ্চিতির হিসাবটি হবে এমন:

  • ক্রেডিট বিক্রয় = মোট বিক্রয়ের ৮০%, অর্থাৎ $100 \times 0.80 = 80$ টাকা।
  • অনাদায়ী পাওনা সঞ্চিতি = ক্রেডিট বিক্রয়ের ২%, অর্থাৎ $80 \times 0.02 = 1.6$ টাকা।

এখন, যদি আমরা মোট বিক্রয় ২,৫০,০০০ টাকা ধরি (যেহেতু অপশন অনুযায়ী ৪,০০০ টাকা সঠিক), তবে হিসাবটি দাঁড়ায়:

  • ক্রেডিট বিক্রয় = $2,50,000 \times 0.80 = 2,00,000$ টাকা।
  • সঞ্চিতি = $2,00,000 \times 0.02 = 4,000$ টাকা।

অর্থাৎ, ক্রেডিট বিক্রয়ের ওপর সরাসরি ২% হার প্রয়োগ করলেই আমরা কাঙ্ক্ষিত সঞ্চিতির পরিমাণ পেয়ে যাই।

১৩

ABC কোম্পানি ১০ টাকা মূল্যের ১০,০০০ শেয়ার ২০% প্রিমিয়ামে ইস্যু করে। শেয়ার প্রিমিয়াম কত হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
২০,০০০ টাকা
সমাধান

শেয়ার প্রিমিয়াম বের করার নিয়মটি খুবই সহজ। এখানে প্রিমিয়ামের পরিমাণ নির্ভর করে শেয়ারের অভিহিত মূল্যের ওপর। হিসাবটি নিচে দেওয়া হলো:

  • শেয়ারের মোট অভিহিত মূল্য = $10,000 \times 10 = 1,00,000$ টাকা।
  • প্রিমিয়ামের হার যেহেতু $20\%$, তাই প্রিমিয়ামের পরিমাণ হবে মোট মূল্যের ওপর $20\%$।
  • অর্থাৎ, $1,00,000 \times 20\% = 20,000$ টাকা।

সহজ কথায়, প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য $10$ টাকা হলে, $20\%$ প্রিমিয়ামে প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম হয় $10 \times 0.20 = 2$ টাকা। এখন মোট $10,000$ শেয়ারের জন্য প্রিমিয়াম হবে $10,000 \times 2 = 20,000$ টাকা।

১৪

শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে আদায়কৃত অর্থপ্রবাহ কোন ধরনের নগদ প্রবাহ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অর্থায়নমূলক
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অর্থায়নমূলক। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:

  • নগদ প্রবাহ বিবরণীতে যখনই কোম্পানির মূলধন বা ঋণের উৎস নিয়ে কোনো লেনদেন হয়, তাকে আমরা অর্থায়নমূলক কার্যক্রম বলি।
  • শেয়ার ইস্যু করার মানে হলো কোম্পানি নতুন করে মূলধন সংগ্রহ করছে।
  • যেহেতু শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মালিকানা বা মূলধনের পরিবর্তন ঘটে, তাই এটি সরাসরি অর্থায়ন বা Financing Activities-এর অন্তর্ভুক্ত।

সহজ কথায়, কোম্পানি যখন তার ব্যবসার জন্য টাকা জোগাড় করে বা শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয়, তখন সেই সব লেনদেনই অর্থায়নমূলক নগদ প্রবাহ হিসেবে গণ্য হয়।

১৫

অংশীদারদের মূলধন যেখানে স্থায়ী থাকে, সেখানে লাভ-ক্ষতির অংশ, মূলধন ও উত্তোলনের সুদ লিপিবদ্ধ হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চলতি হিসাবে
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো চলতি হিসাবে। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:

  • অংশীদারি ব্যবসায় যখন মূলধন স্থায়ী (Fixed Capital) রাখা হয়, তখন মূলধন হিসাবের ব্যালেন্স অপরিবর্তিত থাকে।
  • মূলধন ছাড়া অন্য সব লেনদেন, যেমন—লাভ-ক্ষতির অংশ, মূলধনের সুদ, উত্তোলনের সুদ বা বেতন—এগুলো মূলধন হিসাবে না লিখে আলাদা একটি হিসাবে দেখানো হয়।
  • এই আলাদা হিসাবটিই হলো চলতি হিসাব (Current Account)।

সহজ কথায়, মূলধন হিসাবটি শুধু মূলধনের জন্য বরাদ্দ থাকে, আর বাকি সব হিসাবের জন্য চলতি হিসাব ব্যবহার করা হয়।

১৬

নিচের কোন অবচয় পদ্ধতি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ব্যয়-বণ্টন
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ব্যয়-বণ্টন। বিষয়টি খুব সহজ, অবচয় বা Depreciation মূলত কোনো স্থায়ী সম্পদের ক্রয়মূল্যকে তার ব্যবহারের মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন হিসাবকালে ভাগ করে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া।

সহজ কথায় এর মূল কারণগুলো হলো:

  • অবচয় কোনো নগদ খরচ নয়, বরং এটি সম্পদের মূল্যের একটি অংশ যা প্রতি বছর খরচ হিসেবে দেখানো হয়।
  • সম্পদের মোট ব্যয়কে তার আয়ুষ্কালের বছরগুলোতে সুশৃঙ্খলভাবে ছড়িয়ে দেওয়াই হলো অবচয়ের মূল কাজ।
  • হিসাববিজ্ঞানের 'ম্যাচিং প্রিন্সিপল' অনুযায়ী, যে বছর সম্পদ ব্যবহার করে আয় করা হয়, সেই বছরের আয়ের বিপরীতে সম্পদের ব্যয় বা অবচয়কে বণ্টন করে দেওয়া হয়।

তাই অবচয়কে একটি ব্যয়-বণ্টন প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।

১৭

নিচের কোন উপাদানটি সাধারণত খুচরা নগদ হতে পরিশোধ করা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ডাকমাশুল
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ডাকমাশুল।

খুচরা নগদ বা পেটি ক্যাশ (Petty Cash) মূলত অফিসের ছোটখাটো এবং দৈনন্দিন খরচ মেটানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

  • ছোট অংকের খরচ: যে খরচগুলো খুব সামান্য কিন্তু নিয়মিত হয়, সেগুলোই এখান থেকে দেওয়া হয়।
  • সহজলভ্যতা: ডাকমাশুল বা স্ট্যাম্প কেনার মতো ছোট খরচগুলোর জন্য বারবার বড় চেক ইস্যু করা ঝামেলাপূর্ণ, তাই খুচরা নগদ থেকে এগুলো দ্রুত পরিশোধ করা হয়।
  • নিয়মিত লেনদেন: ডাকমাশুল, যাতায়াত খরচ বা চা-নাস্তার মতো খরচগুলো প্রতিদিনের কাজের অংশ, যা খুচরা নগদ তহবিলের মূল উদ্দেশ্য।

সহজ কথায়, অফিসের বড় কোনো সম্পদ বা দীর্ঘমেয়াদী খরচের তুলনায় ডাকমাশুলের মতো ছোট খরচগুলোই খুচরা নগদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

১৮

নিচের কোন উপাদানটি লাভ-ক্ষতির বিবরণীতে উপস্থাপিত হয় না?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন উদ্বৃত্ত
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন উদ্বৃত্ত। এর কারণটি খুব সহজ:

  • লাভ-ক্ষতির বিবরণীতে মূলত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের আয় ও ব্যয়গুলো দেখানো হয়।
  • স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন উদ্বৃত্ত (Revaluation Surplus) কোনো নিয়মিত আয় বা ব্যয় নয়, বরং এটি সরাসরি মালিকানা স্বত্বের অংশ।
  • হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, এই উদ্বৃত্তটি লাভ-ক্ষতির বিবরণীতে না গিয়ে সরাসরি আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে (Balance Sheet) মালিকানা স্বত্বের অধীনে দেখানো হয়।

সহজ কথায়, এটি ব্যবসার দৈনন্দিন মুনাফার সাথে সম্পর্কিত নয়, তাই এটি লাভ-ক্ষতির বিবরণীর হিসাবভুক্ত হয় না।

১৯

৩০,০০০ টাকার একটি দায় ভুল করে আয় হিসাবে রেকর্ড করা হলে, রেওয়ামিলের এর প্রভাব কী হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ক্রেডিট পাশ ডেবিট পাশের চেয়ে বেশি হবে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ক্রেডিট পাশ ডেবিট পাশের চেয়ে বেশি হবে। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় হিসাব সমীকরণের মাধ্যমে:

  • দায় (Liability) হলো ক্রেডিট ব্যালেন্সের হিসাব, আর আয়ও (Revenue) ক্রেডিট ব্যালেন্সের হিসাব।
  • যখন আপনি একটি দায়কে ভুল করে আয় হিসেবে রেকর্ড করছেন, তখন আপনি আসলে ক্রেডিট দিকেই এন্ট্রি দিচ্ছেন।
  • কিন্তু দায়টি যে ডেবিট দিকে প্রভাব ফেলার কথা ছিল, তা না করে আপনি ক্রেডিট দিকেই অতিরিক্ত টাকা যোগ করছেন।
  • এর ফলে রেওয়ামিলের ক্রেডিট পাশের যোগফল ডেবিট পাশের তুলনায় বেড়ে যাবে।

সহজ কথায়, ডেবিট করার পরিবর্তে ক্রেডিট দিকে বাড়তি এন্ট্রি দেওয়ার কারণে ক্রেডিট পাশটি ডেবিট পাশের চেয়ে $30,000$ টাকা বেশি হয়ে যাবে।

২০

'কোনো ব্যক্তির উপর 'ফি' ধার্য করা হলে তা অন্যের উপর চাপানো যায়, কিন্তু 'কর' ধার্য করা হলে তা অন্যের উপর চাপানো যায় না।'-উক্তিটি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সত্য
সমাধান
ব্যক্তির উপর ধার্যকৃত কর প্রত্যক্ষ কর। আয়কর, সম্পত্তি কর, মূলধন লাভের উপর কর এগুলো প্রত্যক্ষ কর। এসব যে ব্যক্তির উপর ধার্য করা হয়, তাকেই পরিশোধ করতে হয়। এটি অন্যের উপর চাপানোর সুযোগ নেই।