শেখ মুজিবুর রহমান রচনাবলি ১ম খণ্ড সম্পাদনা করেন -
সঠিক উত্তর হলো শেখ হাসিনা। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি ও ডায়েরিগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে বই আকারে প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তার জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা।
মূলত বঙ্গবন্ধুর লেখালেখিগুলো গুছিয়ে পাঠক ও নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বটি তিনি অত্যন্ত নিপুণভাবে পালন করেছেন। তাই এই রচনাবলির সম্পাদনার সাথে সরাসরি তার নাম জড়িয়ে আছে।
- মূল উদ্যোগ: বঙ্গবন্ধুর লেখা পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ।
- সম্পাদনা: শেখ হাসিনা কর্তৃক সম্পাদিত।
- গুরুত্ব: এই রচনাবলিগুলো আমাদের ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল।
যোগরূঢ় শব্দ কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো পঙ্কজ। কারণ যে সমস্ত শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে কোনো সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন বা নতুন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন—
- 'পঙ্কজ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'পঙ্কে জন্মে যা'।
- পঙ্কে বা কাদায় অনেক কিছুই জন্মায় (যেমন—শৈবাল, কচুরিপানা ইত্যাদি), কিন্তু 'পঙ্কজ' বলতে নির্দিষ্ট করে শুধুমাত্র পদ্মফুলকে বোঝায়।
তাই এটি একটি যোগরূঢ় শব্দের চমৎকার উদাহরণ।
সে' কোন পুরুষ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো নাম পুরুষ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল আছে:
- বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ বা পুরুষবাচক সর্বনামকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
- আমি, আমরা—এগুলো হলো উত্তম পুরুষ।
- তুমি, তোমরা, আপনি—এগুলো হলো মধ্যম পুরুষ।
- বাকি সব, অর্থাৎ যে বা যারা সামনে উপস্থিত নেই বা যাদের নিয়ে কথা বলা হচ্ছে, তারা সবাই নাম পুরুষ (যাকে অনেকে প্রথম পুরুষও বলে থাকেন)।
যেহেতু 'সে' বলতে অন্য কাউকে বোঝানো হচ্ছে, তাই এটি সরাসরি নাম পুরুষ-এর অন্তর্ভুক্ত।
what is the slope of the line perpendicular to the line y = -5x +9 ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option C: \frac{1}{5}। খুব সহজেই এটি বের করা যায়:
- প্রথমে প্রদত্ত সমীকরণ $y = -5x + 9$ থেকে রেখাটির ঢাল বের করি। সমীকরণটি সরলরেখার সাধারণ রূপ $y = mx + c$ এর সাথে তুলনা করলে ঢাল, $m_1 = -5$ পাওয়া যায়।
- আমরা জানি, দুটি রেখা পরস্পর লম্ব হলে তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল সবসময় $-1$ হয় (অর্থাৎ, $m_1 \times m_2 = -1$)।
- তাহলে লম্ব রেখার ঢাল হবে প্রদত্ত ঢালের ঠিক উল্টো এবং বিপরীত চিহ্নযুক্ত (Negative reciprocal)।
- অতএব, লম্ব রেখার ঢাল হবে: $m_2 = -\left(\frac{1}{-5}\right) = \frac{1}{5}$।
উচ্চ পর্বতের উপর পানির স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়, কারণ ঐ উচ্চতায়-
উচ্চ পর্বতের চূড়ায় পানির স্ফুটনাঙ্ক কমে যাওয়ার মূল কারণ হলো সেখানে বায়ুমণ্ডলের চাপ অনেক কম থাকে। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:
- পানির স্ফুটনাঙ্ক নির্ভর করে চারপাশের বায়ুর চাপের ওপর। বায়ুর চাপ যত বেশি হয়, পানিকে ফোটানোর জন্য তত বেশি তাপশক্তির প্রয়োজন হয়।
- উচ্চতায় বায়ুর ঘনত্ব কমে যায়, ফলে বায়ুর চাপও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে যায়।
- চাপ কমে গেলে পানির অণুগুলো খুব সহজেই বাষ্পে পরিণত হতে পারে। ফলে পানি $100^\circ\text{C}$ তাপমাত্রার আগেই ফুটতে শুরু করে।
সহজ কথায়, পাহাড়ের ওপর বায়ুর চাপ কম থাকায় পানি কম তাপমাত্রাতেই ফুটে যায়, তাই সেখানে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আসন কতটি ছিল?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ১৬৯। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মোট ১৭৯টি আসন বরাদ্দ ছিল, যার মধ্যে সাধারণ আসন ছিল ১৬৯টি এবং ১০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। অর্থাৎ, সরাসরি নির্বাচনের জন্য পূর্ব পাকিস্তানের আসনসংখ্যা ছিল ১৬৯টি।
১৭ মার্চ, ২০২৩ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কততম জন্মবার্ষিকী পালিত হলো?
১৭ মার্চ, ২০২৩ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম সাল হলো ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ।
- ২০২৩ সাল থেকে তাঁর জন্ম সাল বিয়োগ করলেই আমরা জন্মবার্ষিকী পেয়ে যাই।
- হিসাবটি হলো: $2023 - 1920 = 103$
অর্থাৎ, ২০২৩ সালে তাঁর জন্মগ্রহণের পর থেকে মোট ১০৩ বছর পূর্ণ হয়েছে।
সন্ধ্যায় সূর্য অন্ত যায়' এটি কোন বর্তমান কালের ?
Badminton (ব্যাডমিন্টন) কোন্ দেশের জাতীয় খেলা?
ব্যাডমিন্টন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ইন্দোনেশিয়ায় ব্যাডমিন্টন অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা এবং বিশ্বমঞ্চে তাদের খেলোয়াড়দের আধিপত্য অনেক বেশি।
- ইন্দোনেশিয়া: ব্যাডমিন্টন তাদের ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে।
- জনপ্রিয়তা: দেশটির প্রায় প্রতিটি এলাকায় ব্যাডমিন্টন কোর্ট দেখা যায়, যা তাদের জাতীয় ক্রীড়া সংস্কৃতির মূল ভিত্তি।
তাই যখনই ব্যাডমিন্টনের জাতীয় খেলার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ইন্দোনেশিয়া উত্তরটি বেছে নিতে পারেন।
নিচের কোনটি চার্লসের সূত্র?
চার্লসের সূত্রটি মূলত গ্যাসের আয়তন এবং তাপমাত্রার মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে। এখানে সঠিক উত্তর হলো V ∝ T, কারণ বিষয়টি খুবই সহজ:
- চার্লসের সূত্র অনুযায়ী, স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের আয়তন ($V$) তার পরম তাপমাত্রার ($T$) সাথে সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ, তাপমাত্রা বাড়ালে গ্যাসের আয়তন বাড়ে এবং তাপমাত্রা কমালে আয়তন কমে।
- গাণিতিকভাবে একে লেখা হয়: $$V \propto T$$
- এখানে চাপ ($P$) স্থির থাকে, তাই এই সম্পর্কটি মেনে চলে।