T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2014
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
১৩৮
মোট প্রশ্ন
১৩৮
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১

“ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে।’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।

খুব সহজে বোঝার উপায়:

  • বাক্যটিতে ঘর ভরার কাজটি কিসের দ্বারা বা কি দিয়ে করা হয়েছে? উত্তর হলো — ‘ফুল’ দিয়ে।
  • কোনো কিছু দিয়ে বা উপকরণের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন বোঝালে সেটি করণ কারক হয়।
  • ফুলে (ফুল + এ) শব্দটিতে শেষে ‘এ’ (বা য়) যুক্ত আছে, যা সপ্তমীর বিভক্তির নির্দেশক। তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
২

নিচের কোনটি তদ্ভব শব্দের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পাতা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো পাতা।

খুব সহজ কথায়, যে শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি আমাদের মুখে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। যেমন—সংস্কৃত 'পত্র' থেকে প্রাকৃত হয়ে আজকের 'পাতা' শব্দটি এসেছে। তাই এটি একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ।

৩

নিচের কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সতীন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সতীন। কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ, যার কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না।

সহজ কথায়, যে শব্দগুলো জন্মগতভাবেই স্ত্রীবাচক এবং যাদের কোনো আলাদা পুরুষবাচক শব্দ পাওয়া যায় না, তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। যেমন: সতীন, সধবা, এয়ো, কুলটা ইত্যাদি।

৪

কোন সমাসে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
উপমিত কর্মধারয়
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো উপমিত কর্মধারয়।

খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো:

  • উপমান কর্মধারয়: এখানে সাধারণ ধর্ম বা তুলনার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ থাকে (যেমন: ভ্রমর-এর মতো কৃষ্ণকেশ = ভ্রমরকৃষ্ণ)।
  • উপমিত কর্মধারয়: এখানে উপমেয় এবং উপমানের তুলনা করা হয় ঠিকই, কিন্তু মাঝখানের সাধারণ ধর্মের কোনো উল্লেখ থাকে না (যেমন: মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ)। এখানে তুলনা করা বোঝাতেই শেষ করা হয়, সাধারণ ধর্ম বা রূপ কী তা বলা হয় না।
৫

‘পঙ্কজ’-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কুসুম
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কুসুম।

‘পঙ্কজ’ একটি বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার ব্যাসবাক্য হলো ‘পঙ্কে জন্মে যা’ (পঙ্ক মানে পাঁক বা কাদা)। পাঁকে বা কাদায় জন্মায় এমন অনেক কিছুর জন্যই এটি ব্যবহার করা হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘কুসুম’ শব্দটির অর্থ ফুল, যা অনেক সময় পদ্ম বা পঙ্কজ অর্থেও ব্যবহৃত হয়। সহজ কথায়, পঙ্কে জন্মে যা অর্থাৎ কুসুম বা পদ্ম—এভাবেই খুব সহজে এটি মনে রাখা যায়।

৬

‘বিধি’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নিষেধ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো নিষেধ।

বাংলা ব্যাকরণে 'বিধি' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর নিয়ম, বিধান বা করার অনুমতি। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'নিষেধ', যার অর্থ কোনো কিছু করতে মানা করা বা বারণ করা। তাই বিধি-র বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে নিষেধ সবচেয়ে উপযুক্ত।

৭

‘উজানের কৈ’-এই বাগধারাটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সহজলভ্য
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সহজলভ্য।

'উজানের কৈ' বাগধারাটির বিশেষ অর্থ রয়েছে। কৈ মাছ সাধারণত স্রোতের প্রতিকূলে বা উজানে চলাফেরা করে, যা ধরা বেশ কঠিন। কিন্তু যখন কৈ মাছ উজানে বা স্রোতের অনুকূলে সহজে পাওয়া যায়, তখন তাকে খুব সহজেই ধরা সম্ভব হয়। এই সহজলভ্য বিষয় থেকেই বোঝানো হয়েছে যা খুব সহজেই পাওয়া যায় বা হাতের কাছেই মিলে যায়।

৮

‘নূপুরের ধ্বনি’ এক কথায় কী বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নিক্কন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো নিক্কন।

খুব সহজ কথায়, নূপুরের জটমটে বা মধুর শব্দকে এককথায় নিক্কন বলা হয়। এটি বাংলা ভাষার একটি সুন্দর এককথায় প্রকাশ, যা বিভিন্ন কাব্য বা সাহিত্যিক বাক্যে নূপুরের শব্দের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়।

৯

নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রুগ্ণ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো রুগ্ণ।

বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'রোগ' শব্দের সঙ্গে 'ন' যুক্ত হয়ে যখন বিশেষণ পদ গঠন করা হয়, তখন মূর্ধন্য ণ-এর নিচে ফলা হিসেবে যুক্ত বর্ণ বসে। তাই সঠিক বানানটি হবে রুগ্ণ (র-ু-গ-ণ-ফলা), যেখানে 'ণ' এর নিচে 'ন' বা অন্য কোনো বর্ণ না হয়ে মূর্ধন্য ণ-এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।

১০

তারিখ লিখতে কোন যতি চিহ্নের ব্যবহার হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কমা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কমা।

খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা লেখায় বার ও মাসের নামের পর কমা বসানোর নিয়ম রয়েছে। যেমন—শুক্রবার, ১২ই কার্তিক। তাই তারিখ লেখার সময় স্পষ্টতা বজায় রাখতে কমা যতি চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।