T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2016
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
৯১
মোট প্রশ্ন
৯১
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১১

কোনগুলো দন্ত্য ধ্বনি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ত থ দ ধ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ত থ দ ধ। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ টেকনিক হলো "ত-বর্গীয়" ধ্বনিগুলোই হলো দন্ত্য ধ্বনি। অর্থাৎ, উচ্চারণ করার সময় আমাদের জিব দাঁতের সাথে লাগে।

  • ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয়।
  • প-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো ঔষ্ঠ্য (ঠোঁট দিয়ে উচ্চারিত)।
  • ট-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো মূর্ধন্য।
  • আর ত থ দ ধ উচ্চারণে জিব সরাসরি দাঁতকে স্পর্শ করে, তাই এগুলো নিশ্চিতভাবেই দন্ত্য ধ্বনি।
১২

কোনটি দেশী শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কুলা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কুলা।

খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, আমাদের গ্রামীণ জীবনে ব্যবহৃত দৈনন্দিন জিনিসপত্র ও আদিবাসীদের ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে দেশী শব্দ বলা হয়। যেমন— কুলা, ঢেঁকি, কুড়েঘর, খোকা ইত্যাদি। পক্ষান্তরে রিকশা জাপানি শব্দ, চা চীনা শব্দ এবং কিতাব আরবি শব্দ। তাই সঠিক উত্তরটি হলো কুলা।

১৩

‘পতাকা‘- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কেতন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কেতন।

খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন যে, 'পতাকা' শব্দের বেশ কিছু সুন্দর সমার্থক শব্দ রয়েছে, যার মধ্যে একটি অন্যতম বহুল ব্যবহৃত শব্দ হলো কেতন। এছাড়া এর সমার্থক হিসেবে নিশানা, ধ্বজ বা পতাকা বহুল প্রচলিত। তাই সঠিক অপশনটি হবে 'কেতন'।

১৪

‘নয়ন‘- শব্দটির সঠিক প্রত্যয় নির্ণয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নী + অন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো নী + অন। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ টেকনিক হলো, বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে 'নয়ন' শব্দের মূল ধাতু হলো 'নী'।

  • 'নী' ধাতুর সাথে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয় নয়ন।
  • এটি একটি অনাদি প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যেখানে 'নী' মানে চালনা করা বা নিয়ে যাওয়া।

তাই পরীক্ষার হলে কনফিউজড না হয়ে সরাসরি নী + অন দাগিয়ে ফেলবে!

১৫

বাক্যে বিস্ময়সূচক (!) চিহ্ন থাকলে কতক্ষণ থামতে হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
১ সেকেন্ড
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ১ সেকেন্ড। বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • বাক্যে আনন্দ, বিষ্ময়, ঘৃণা, ভয় বা আবেগ প্রকাশ করতে বিস্ময়সূচক (!) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
  • এই চিহ্নটি বাক্যের শেষে বা মাঝে বসলে থামার স্থকাল বা বিরতির পরিমাণ হলো ১ সেকেন্ড।
  • অর্থাৎ, বিস্ময়সূচক চিহ্ন দেখলে নিঃশ্বাস ফেলার বা কথা থামানোর জন্য ঠিক এক সেকেন্ড সময় বিরতি নিতে হয়।
১৬

‘অলীক‘ এর বিপরীত শব্দ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বাস্তব
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: বাস্তব।

'অলীক' শব্দের অর্থ হলো যা মিথ্যা, অসত্য বা যা কেবল কল্পনায় আছে। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'বাস্তব' শব্দটি, যার অর্থ সত্যি বা সত্য ঘটনা।

১৭

‘পড়ায় আমার মন বসে না‘- এখানে ‘পড়ায়‘ কোন কারকে কোন বিভক্তি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি।

  • বাক্যটিতে ‘পড়ায়’ বলতে পড়াশোনা নামক বিষয় বা ক্ষেত্রে মন বসার কথা বোঝানো হয়েছে।
  • কোনো কিছুতে বা বিষয়ে বোঝাতে সাধারণত অধিকরণ কারক হয় (বিষয়াধিকরণ)।
  • শব্দটির শেষে ‘য়’ বা ‘এ’ যুক্ত থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি।
১৮

‘নদী‘- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সরিৎ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: সরিৎ।

খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো, 'নদী' শব্দের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যার মধ্যে 'সরিৎ', 'তটিনী', 'নিন্ধা' ইত্যাদি অন্যতম। অন্যদিকে, 'নগ' ও 'গিরি' হলো পাহাড় বা পর্বতের সমার্থক এবং 'বিহগ' হলো পাখির সমার্থক শব্দ। তাই সঠিক উত্তরটি হবে সরিৎ।

১৯

‘নাদ‘ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সিংহের ডাক
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সিংহের ডাক।

'নাদ' একটি সুন্দর ও ঐতিহ্যবাহী শব্দ, যা মূলত সিংহের গর্জন বা ডাক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বাংলা সাহিত্যে এবং ব্যাকরণে নির্দিষ্ট কিছু পশুর ডাকের জন্য নির্দিষ্ট শব্দ রয়েছে, যার মধ্যে 'সিংহের ডাক' বোঝাতেই মূলত 'নাদ' শব্দটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।

২০

অনুবাদ কত প্রকার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
২ প্রকার
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ২ প্রকার। খুব সহজভাবে বলতে গেলে, অনুবাদ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। একটি হলো আক্ষরিক অনুবাদ (শব্দে শব্দে বা হুবহু অনুবাদ) এবং অন্যটি হলো ভাবানুবাদ (মূল অর্থের ঠিক রেখে নিজের ভাষায় সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা)। তাই যখনই অনুবাদের প্রকারভেদ নিয়ে কথা উঠবে, তখন চোখ বন্ধ করে উত্তর হবে দুই প্রকার!