T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2016
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
৯৮
মোট প্রশ্ন
৯৮
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১

কোন বানানটি শুদ্ধ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রণয়ন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রণয়ন। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শেষে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হলে সেখানে মূর্ধন্য (ণ) ব্যবহৃত হয়।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • 'প্রণয়ন' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'প্র' উপসর্গ এবং 'নয়ন' ধাতুর সমন্বয়ে।
  • বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ঋ, র, ষ-এর পরে দন্ত্য-ন (ন) পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ণ (ণ) হয়।
  • এখানে 'প্র' উপসর্গের 'র' কারের প্রভাবে পরের 'ন' পরিবর্তিত হয়ে ণ হয়েছে, তাই সঠিক বানানটি হবে প্রণয়ন।
২

কোন বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল নেই ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হাইফেন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো হাইফেন।

বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্নগুলোর মধ্যে একমাত্র হাইফেনের ক্ষেত্রেই কোনো প্রকার বিরতিকালের বা থমার প্রয়োজন হয় না। এটি মূলত দুটি শব্দকে যুক্ত করতে বা পাশাপাশি বসাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন— 'সুখ-দুঃখ'।

৩

আলালি বা হুতোমি ভাষা বলা হয় কোন ভাষাকে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চলিত
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো চলিত ভাষা।

উনিশ শতকে প্যারিচাঁদ মিত্র ও কালীপ্রসন্ন সিংহ বাংলা গদ্যে এক নতুন রীতির প্রবর্তন করেন, যা তৎকালীন মুখের ভাষার খুব কাছাকাছি ছিল। এই প্রাণবন্ত ও গতিশীল ভাষার রূপটিই পরবর্তীতে 'আলালি' (প্যারিচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের নামানুসারে) এবং 'হুতোমি' (কালীপ্রসন্ন সিংহের হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থের নামানুসারে) ভাষা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে, যা মূলত আধুনিক চলিত রীতিরই আদি রূপ।

৪

দুহিতা-এর বিপরীত শব্দ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পুত্র
সমাধান
'দুহিতা' - এর বিপরীত শব্দ 'পুত্র' । 'স্ত্রী' শব্দের বিপরীত হলো স্বামী । আর 'কণ্যা' শব্দের প্রতিশব্দ হলো দুহিতা, আত্মজা, তনয়া, সুতা, নন্দিনী ,মেয়ে।
৫

‘Autonomous’ শব্দের অর্থ –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
স্বায়ওশাসিত
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো স্বায়ওশাসিত।

ইংরেজি শব্দ 'Autonomous'-এর বাংলা পরিভাষা হলো যা নিজের আইন বা নিয়মে চলে, অর্থাৎ যা 'স্বায়ওশাসিত'। সহজ কথায়, যে প্রতিষ্ঠান বা অঞ্চল নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তাকেই অটোনমাস বা স্বায়ওশাসিত বলা হয়।

৬

’জায়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অর্ধাঙ্গী
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অর্ধাঙ্গী।

খুব সহজ কথায়, 'জায়া' শব্দের অর্থ স্ত্রী বা পত্নী। আর 'অর্ধাঙ্গী' শব্দটি ঠিক একই অর্থে ব্যবহার করা হয়, যার মানে জীবনসঙ্গিনী বা স্ত্রী। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে 'অর্ধাঙ্গী' বেছে নেওয়া হয়েছে।

৭

’চতুষ্পদ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চতুঃ + পদ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো চতুঃ + পদ। কারণ বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের ($\text{ঃ}$) পরে যদি বর্গের প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ণ, কিংবা শ, ষ, স থাকে, তবে সেই বিসর্গটি সাধারণত মূর্ধন্য ষ ($\text{ষ}$) হয়ে যায়।

  • শব্দটি হলো চতুষ্পদ, যা মূলত চতুঃ + পদ যোগে গঠিত।
  • নিয়ম মেনে এখানে বিসর্গের জায়গায় ষ ($\text{ষ}$) এসেছে, তাই সঠিক রূপটি হলো চতুষ্পদ।
৮

’সিংহপুরুষ’ কোন সমাস ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
উপমিত কর্মধারয়
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো উপমিত কর্মধারয়।

খুব সহজে চেনার উপায় হলো:

  • এখানে তুলনাবাচক শব্দ (যেমন— মতো) মাঝখানে না বসে শেষে বসেছে।
  • যার সাথে তুলনা করা হয়েছে (সিংহ) সে হলো উপমান এবং যাকে তুলনা করা হয়েছে (পুরুষ) সে হলো উপমেয়।
  • সাধারণ গুণবাচক পদের উল্লেখ না রেখে যখন উপমেয় পদের সাথে উপমানের তুলনা বোঝায়, তখন তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন— সিংহ পুরুষের ন্যায় = সিংহপুরুষ।
৯

’মানব’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মনু + ষ্ণ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো মনু + ষ্ণ।

শব্দটির উৎপত্তি ও গঠন বোঝার জন্য একটি সহজ নিয়ম মনে রাখতে পারি:

  • 'মানব' শব্দটির মূল বা প্রকৃতি হলো মনু (মনু + ষ্ণ)।
  • এখানে প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয়েছে ষ্ণ ($\text{ষ্ণ}$ যুক্ত হলে আদিতে 'অ' বা 'আ' থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে 'আ' হয়)।
  • তাই মনু শব্দের সাথে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে খুব সহজেই তৈরি হয় মানব শব্দটি।
১০

যে উপকারীর অপকার করে –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কৃতঘ্ন
সমাধান
যে উপকারীর উপকার করে - কৃতঘ্ন। যে উপকারীর উপকার করে না - অকৃতঘ্ন। যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে - কৃতজ্ঞ। যে " " " " না - অকৃতজ্ঞ।