১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায়) ২০১৬
’পাপে বিরত থাকো’ – কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:
- বাক্যে 'পাপ' থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।
- কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, জাত, বিরত, বা দূরে থাকা বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- পাপ শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি (পাপ + এ) যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
Edition’ শব্দের অর্থ –
এখানে সঠিক উত্তর হলো সংস্করণ। ইংরেজি শব্দ 'Edition'-এর বাংলা পরিভাষা বা অর্থ হলো কোনো বই, ম্যাগাজিন বা পত্রিকার প্রকাশিত রূপ বা সংস্করণ। যেমন—বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে (The second edition of the book has been published)। তাই অন্য অপশনগুলো বাদ দিয়ে সঠিক উত্তর হিসেবে 'সংস্করণ' বেছে নিতে হবে।
’রাত্রি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভানু। কারণ 'ভানু' শব্দের অর্থ হলো সূর্য, যা কোনোভাবেই রাত্রির সমার্থক শব্দ নয়।
অন্যদিকে, 'শর্বরী', 'ত্রিযামা' এবং 'ক্ষণদা'—এই তিনটি শব্দই রাতের বিভিন্ন সুন্দর ও কাব্যিক নাম বা সমার্থক শব্দ।
’পূর্বে ছিল এখন নেই’ বাক্য সংকোচন কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভূতপূর্ব।
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো কিছু আগে ছিল কিন্তু বর্তমানে তার অস্তিত্ব নেই বা আর নেই, এমন পরিস্থিতি বোঝাতে 'ভূতপূর্ব' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যেমন—'ভূতপূর্ব রাষ্ট্রপতি' বলতে এমন একজন রাষ্ট্রপতিকে বোঝানো হয় যিনি আগে এই দায়িত্বে ছিলেন, বর্তমানে নেই। তাই নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর অপশন এ।
’কেতা দুরস্ত’ বাগধারার অর্থ কী ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো পরিপাটি।
'কেতা দুরস্ত' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে খুব পরিচ্ছন্ন, মার্জিত এবং সুশৃঙ্খল স্বভাব বা অবস্থাকে বোঝানো হয়। যখন কোনো ব্যক্তি বা জিনিস সবসময় নিয়ম মেনে খুব সুন্দর ও পরিপাটিভাবে থাকে, তখন তাকে এককথায় 'কেতা দুরস্ত' বলা হয়।
সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয় ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ধ্বনিতত্ত্বে।
বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক:
- সন্ধি মানেই দুটি ধ্বনির মিলন। যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ($\text{আ} + \text{আ} = \text{আ}$)।
- যেহেতু এখানে ধ্বনির পরিবর্তন, সংযোজন বা বিলোপ ঘটে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি সরাসরি ধ্বনির সঙ্গেই সম্পর্কিত।
- তাই এটি ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়।
বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন কে ?
’মহিমা’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B: মহৎ + ইমন।
খুব সহজে সন্ধি বা প্রত্যয় মনে রাখার জন্য নিয়মটা মাথায় রাখলে আর ভুল হবে না:
- 'মহিম' বা 'মহিমা' শব্দের মূল বা প্রাক-রূপ হলো বিশেষণ পদ 'মহৎ'।
- এর সাথে ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয় 'ইমন' প্রত্যয়।
- নিয়ম অনুযায়ী 'মহৎ' শব্দের 'ৎ' এবং 'ইমন' মিলে গঠিত হয় 'মহিম', আর সাথে থাকা 'আ' মিলে তৈরি হয় সুন্দর শব্দ 'মহিমা'।
’আবির্ভাব’ – এর বিপরীত শব্দ কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো তিরোভাব।
খুব সহজ কথায়, 'আবির্ভাব' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রকাশ পাওয়া বা সৃষ্টি হওয়া, আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'তিরোভাব' শব্দটি, যার অর্থ হলো হারিয়ে যাওয়া বা অন্তধান হওয়া। তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে এটিই সবচেয়ে মানানসই।
’দহরম মহরম’ – এর বিপরীত বাগধারা কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো অহিনকুল।
খুব সহজে মনে রাখার উপায়:
- 'দহরম মহরম' বাগধারাটির অর্থ হলো গভীর সক্ষ্য, মিল বা সম্প্রীতি।
- এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'অহিনকুল', যার অর্থ হলো সাপ ও নেউলের মতো চরম শত্রুতা বা অমিল।