T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2018
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
৮৯
মোট প্রশ্ন
৮৯
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১১

নিচের কোনটি জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধ গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কবিতার কথা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কবিতায় কথা। জীবনানন্দ দাশ মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু মননশীল প্রবন্ধও রচনা করেছেন। তাঁর অনন্য প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর মধ্যে কবিতায় কথা অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য, যেখানে তিনি কবিতার গঠনরীতি, নিজস্ব কাব্যভাবনা এবং সাহিত্য দর্শন খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।

১২

সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয় –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অব্যয় পদ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অব্যয় পদ। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ ট্রিক হলো, সাধু ও চলিত রীতিতে বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ বদলালেও অব্যয় পদ (যেমন: এবং, কিন্তু, হায়, যদি ইত্যাদি) সবসময় একই থাকে, এদের কোনো রূপান্তর হয় না।

১৩

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রাতিপদিক
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রাতিপদিক।

সহজ কথায় মনে রাখার নিয়ম:

  • বিভক্তিযুক্ত হওয়ার আগের শব্দমূল বা নামশব্দকেই ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় প্রাতিপদিক।
  • যেমন— 'হাত', 'বই', 'কলম'— এগুলো নিজেই এক একটি প্রাতিপদিক, কারণ এগুলোর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
১৪

‘আমার গানের মালা আমি করব কারে দান।’ বাক্যটিতে ‘কারে’—শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কর্মে সপ্তমী
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কর্মে সপ্তমী। বাক্যটিতে 'কারে' শব্দটির কারক ও বিভক্তি সহজে চেনার উপায় হলো:

  • কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্মকারক। এখানে 'কারে' (কাকে) দান করবে—এই প্রশ্ন করলে কর্মকারক আসে।
  • ‘কারে’ শব্দটির সাথে ‘এ’ (য়) বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তির নির্দেশক।

তাই এটি নিঃসন্দেহে কর্মে সপ্তমী বিভক্তি।

১৫

‘নির্মোক’ কোন শব্দগুচ্ছের সংকুচিত রূপ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সাপের খোলস
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সাপের খোলস।

বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশে এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। 'নির্মোক' শব্দটির নিহিতার্থ বা নির্দিষ্ট অর্থ হলো সাপ খোলস ছাড়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে, অর্থাৎ সহজ কথায় সাপের খোলস। পরীক্ষার হলে এমন প্রশ্ন আসলে সরাসরি এই প্রচলিত ও নির্দিষ্ট অর্থটি মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হয়ে যায়।

১৬

I cannot spare an instant. – বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আমার তিলমাত্র সময় নাই
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো: Option A: আমার তিলমাত্র সময় নাই।

কারণ:

  • English বাক্যের "cannot spare" মানে হলো কোনো কিছু অতিরিক্ত বা দেওয়ার মতো নেই।
  • "An instant" কথাটির অর্থ হলো এক পলক, মুহূর্ত বা বাংলায় যাকে খুব সুন্দরভাবে "তিলমাত্র" বলা হয়।
  • পুরо বাক্যটির সহজ ও স্বাভাবিক ভাবানুবাদ করলে দাঁড়ায়— আমার তিলমাত্র সময় নাই।
১৭

প্রসুন-এর প্রতিশব্দ হলো –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
পুষ্প
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো পুষ্প। খুব সহজে মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবেন, 'প্রসুন' হলো ফুলের একটি সুন্দর ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ। বাংলা ব্যাকরণে বিভিন্ন শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে এ ধরনের প্রমিত প্রতিশব্দগুলো নিয়মিত চর্চা করা খুব জরুরি।

১৮

‘ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো- – বাক্যে ‘হাত’ ব্যবহৃত হয়েছে –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নিপুণতা অর্থে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো নিপুণতা অর্থে।

বাক্যটিতে ‘হাতযশ’ বলতে ডাক্তার সাহেবের চিকিৎসা করার বিশেষ দক্ষতা বা নৈপুণ্যকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, এখানে ‘হাত’ শব্দটি কোনো অঙ্গ না বুঝিয়ে চিকিৎসার কাজে তাঁর বিশেষ নিপুণতা বা পটুত্ব প্রকাশ করেছে।

১৯

‘অনেক’ শব্দটি –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নঞ তৎপুরুষ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো নঞ তৎপুরুষ।

  • নঞ (না-বাচক) অর্থে বা নেতিবাচক ভাব বোঝাতে এই সমাস হয়।
  • ‘অনেক’ শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায় ন + এক।
  • যেহেতু এখানে ‘ন’ (না বা নেই অর্থ) অব্যয়ের সাথে ‘এক’ পদের মিলে না-বাচক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি খুব সহজেই নঞ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত হয়।
২০

‘ঢাক ঢাক গুড় গুড়’ বাগধারাটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
লুকোচুরি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো লুকোচুরি।

‘ঢাক ঢাক গুড় গুড়’ একটি খুব পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে কোনো কিছু পরিষ্কার করে না বলে চেপে যাওয়া বা আড়াল করার অবস্থাকে বোঝানো হয়। অর্থাৎ, কোনো কথা বা বিষয় নিয়ে যখন কেউ পরিষ্কার করে না বলে রহস্য তৈরি করে বা লুকোচুরি খেলে, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।