T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2018
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
৮৯
মোট প্রশ্ন
৮৯
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১

প্রাকৃত শব্দের ভাষাগত অর্থ –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
জনগণের ভাষা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো জনগণের ভাষা। কারণ, 'প্রাকৃত' শব্দটি এসেছে 'প্রকৃতি' থেকে, যার সহজ অর্থ হলো সাধারণ মানুষ বা জনসমাজ। অতীতে রাজপ্রাসাদ বা পন্ডিতদের ভাষা আলাদা থাকলেও সাধারণ মানুষ যে ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথা বলত এবং মনের ভাব প্রকাশ করত, তাকেই প্রাকৃত ভাষা বলা হতো। এটি মূলত প্রাকৃতজন বা সাধারণ মানুষের মুখের বুলি থেকেই গড়ে উঠেছে।

২

গৌড়ীয় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেছেন—

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
রাজা রামমোহন রায়
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো রাজা রামমোহন রায়। কারণ তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বৈজ্ঞানিক ও সহজবোধ্য ব্যাকরণ রচনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।

তাঁর রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটির নাম 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ', যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।

৩

উদাহরণ প্রয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কোলন ড্যাশ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কোলন ড্যাশ ($-:$)।

খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে মনে রাখতে পারেন:

  • কোনো কিছুর উদাহরণ বা বিশদ বিবরণ টানার সময় আমরা সাধারণত কোলন ($:$) এবং ড্যাশ ($-$) একসাথে অর্থাৎ কোলন ড্যাশ ব্যবহার করে থাকি।
  • যেমন: নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও$-: ...$
৪

ব্রজবুলিতে কোন কবি পদাবলি রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বিদ্যাপতি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো বিদ্যাপতি।

বিষয়টা খুব সহজ—মহাকবি বিদ্যাপতি মিথিলার কবি হয়েও বাংলা ও ব্রজবুলি ভাষায় চমৎকার পদ রচনা করেছিলেন। ব্রজবুলি মূলত কোনো আসল ভাষা নয়, এটি বাংলা ও মৈথিলী ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা, যা বৈষ্ণব পদাবলি রচনায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। বিদ্যাপতিকে বলা হয় ব্রজবুলি সাহিত্যের মূল প্রবক্তা বা আদি কবি।

৫

মনীষা শব্দের বিপরীত শব্দ—

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
নির্বোধ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: নির্বোধ।

মনীষা শব্দের অর্থ হলো বুদ্ধি, প্রজ্ঞা বা তীক্ষ্ণ মেধা। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা কম বুদ্ধিমান বা জড়বুদ্ধি বোঝায়। সেই দিক থেকে 'নির্বোধ' শব্দটি মনীষা শব্দের একদম সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।

৬

‘রত্ন> রতন’ হওয়ার সন্ধি সূত্র –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
স্বরভক্তি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো স্বরভক্তি (বা বিপ্রকর্ষ)।

  • সহজ কথায়, দুটি যুক্তব্যঞ্জন ধ্বনির মাঝখানে যখন অতিরিক্ত একটি স্বরধ্বনি চলে আসে, তখন তাকে স্বরভক্তি বলা হয়।
  • যেমন— ‘রত্ন’ শব্দটি ভেঙে উচ্চারণ করলে হয় ‘র ত্ + ন’। কিন্তু আমরা যখন সহজে উচ্চারণ করতে গিয়ে মাঝখানে একটি ‘অ’ ধ্বনি এনে ‘রতন’ বলি, তখন সেটি স্বরভক্তির চমৎকার উদাহরণ হয়ে যায়।
৭

‘শীকর’ শব্দের অর্থ—

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
জলকণা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো জলকণা।

খুব সহজভাবে মনে রাখার টেকনিক হলো, বাংলা সাহিত্যে বা বিশেষ শব্দার্থের ব্যবহারে 'শীকর' শব্দটি মূলত সূক্ষ্ম জলবিন্দু বা বৃষ্টির কণাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি 'জলকণা' দাগাতে হবে।

৮

‘লালসালু’ উপন্যাসের রচনাকাল কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
১৯৪৮ সালে
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ১৯৪৮ সালে।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস 'লালসালু' মূলত ১৯৪৮ সালে রচিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবনের অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার এবং ধর্মকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা শোষণের এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

৯

‘টপ্পা’ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
এক ধরনের গান
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: এক ধরনের গান।

টপ্পা হলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি বিশেষ এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারা। এটি মূলত পাঞ্জাবের উটচালকদের গাওয়া গানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা পরে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের রূপ নেয়। এই ধরনের গানে দ্রুত লয়ে তান ও গামকের ব্যবহার বেশ ভালোভাবে লক্ষ্য করা যায়।

১০

‘ঙ’ ধ্বনিটির সঠিক উচ্চারণ হলো –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
উয়ো
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো উয়ো। কারণ বাংলা বর্ণমালার ‘ঙ’ বর্ণটি যখন একা বা শব্দের মাঝে উচ্চারিত হয়, তখন এর উচ্চারণ ‘উয়ো’-এর মতো শোনা যায়। যেমন— বাংলা, রং, সাংঘাতিক ইত্যাদি শব্দে ‘ঙ’-এর উচ্চারণ ঠিক এই নিয়মেই হয়ে থাকে।