T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
2019
শিক্ষাবর্ষ
৬০
মিনিট
৭৬
মোট প্রশ্ন
৭৬
পূর্ণমান
১
সঠিক উত্তর
০.২৫
ভুল উত্তর
১

বাংলা সাধু ভাষার জনক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। কারণ তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করে সাধু ভাষাকে একটি সুশৃঙ্খল ও মার্জিত রূপ দিয়েছিলেন। তাই তাকেই বাংলা সাধু ভাষার জনক বলা হয়।

২

কোন ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সাধু ভাষা
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সাধু ভাষা। কারণ সাধু ভাষার ব্যাকরণের নিয়মকানুন বেশ কড়া এবং এর পদবিন্যাস অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এই রীতিতে অনুসর্গ ও ক্রিয়াপদের রূপ সবসময় নির্দিষ্ট নিয়মে পরিবর্তিত হয়, যা একে একটি পরিপাটি ও মার্জিত রূপ দেয়।

৩

বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সমাধান

বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহারের পথিকৃৎ হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি বাংলা ভাষাকে সুশৃঙ্খল ও পড়ার উপযোগী করে তোলার জন্য বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন করেন।

  • ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'-তে তিনি প্রথম বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন।
  • এর আগে বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্নের তেমন কোনো নিয়ম ছিল না, যার ফলে দীর্ঘ বাক্য পড়তে বেশ কষ্ট হতো।
  • বিদ্যাসাগর মহাশয় ইংরেজি থেকে কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ও প্রশ্নবোধক চিহ্নের ব্যবহার বাংলা গদ্যে নিয়ে আসেন, যা আজও আমাদের লেখার মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে।
৪

সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হাইফেন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো হাইফেন।

যখন আমরা কোনো সমাসবদ্ধ পদ বা সমস্তপদের অংশগুলোকে আলাদা করে বা ভেঙে স্পষ্টভাবে দেখাতে চাই, তখন মাঝখানে হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যেমন— মাতা-पिता, দ্বন্দ্ব-সমাস ইত্যাদি। এটি মূলত পদের অঙ্গগুলোকে পরিষ্কারভাবে চিনতে সাহায্য করে।

৫

খয়ের খাঁ' বাগধারাটির অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চাটুকার
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো চাটুকার।

'খয়ের খাঁ' একটি অতি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো দরবারি তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। যারা নিজেদের স্বার্থে সবসময় অন্যের অতিরিক্ত প্রশংসা বা তোষামোদ করে বেড়ায়, তাদের বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।

৬

গঙ্গা' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সবগুলো
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সবগুলো। কারণ 'গোমতী', 'কৃষ্ণবেণী' এবং 'কাবেরী'— প্রতিটি নামই আমাদের দেশের নদী বা ভারতের পবিত্র নদীগুলোর ক্ষেত্রে গঙ্গার সমার্থক বা বিকল্প নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই প্রদত্ত সবগুলো অপশনই সঠিক।

৭

চন্দ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সোম
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: সোম।

খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, চন্দ্র বা চাঁদের অনেকগুলো সুন্দর নাম রয়েছে যেমন—শশী, সুধাংশু, ইন্দু, এবং সোম। অন্যদিকে ভূষণ অর্থ অলংকার, নকশা অর্থ রূপরেখা বা চিত্র এবং নভঃ অর্থ আকাশ। তাই একটু খেয়াল করলেই অপশনগুলোর মধ্য থেকে সঠিক উত্তরটি চিনে নেওয়া যায়।

৮

নৈসর্গিক' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কৃত্রিম
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো কৃত্রিম।

খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, 'নৈসর্গিক' কথাটার মানে হলো যা প্রাকৃতিকভাবে বা প্রকৃতিতে তৈরি হয়েছে। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত ধারণা হলো মানুষের তৈরি বা ম্যান-মেড কিছু, আর তাই এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো কৃত্রিম।

৯

তপোবন' কোন সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। কারণ বিষয়টা খুব সহজ—

  • তপোবনের ব্যাসবাক্য হলো: তপসের জন্য বন।
  • এখানে পূর্বপদে 'তপস্' শব্দের সাথে 'জন্য' অনুসর্গ যুক্ত আছে।
  • আর আমরা জানি, পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি বা 'জন্য', 'নিমিত্ত' ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পেলে তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।
১০

সমাস গঠন প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সমস্তপদ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সমস্তপদ। কারণ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক পদ মিলে যখন একটি নতুন পদ তৈরি হয়, তখন সেই সম্পূর্ণ পদটিকে বলা হয় সমস্তপদ বা সমাসবদ্ধ পদ।

  • একাধিক পদ মিলে একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো সমাস।
  • এই প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া নতুন ও একত্রিত পদটির নামই হলো সমস্তপদ।