ধানের বাদামী রোগ হয়-
ধানের বাদামী রোগ বা 'ব্রাউন স্পট' (Brown Spot) রোগটি মূলত ছত্রাক দ্বারা হয়ে থাকে। এই রোগটির জন্য দায়ী ছত্রাকটির নাম হলো Bipolaris oryzae।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- ধানের পাতায় ছোট ছোট বাদামী রঙের দাগ দেখা যায়, যা ছত্রাকের সংক্রমণের প্রধান লক্ষণ।
- এটি বীজের মাধ্যমে বা বাতাসের সাহায্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
- ধানের ফলন কমানোর ক্ষেত্রে এই ছত্রাকজনিত রোগটি অত্যন্ত ক্ষতিকর।
তাই সঠিক উত্তর হলো ছত্রাক দ্বারা।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশে মাথাপিছু জিডিপি'র পরিমাণ (মার্কিন ডলার) —
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ছিল ১৮২৭ মার্কিন ডলার। এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ ধাপটি খেয়াল করতে পারেন:
- ২০১৯ সালের সরকারি অর্থনৈতিক সমীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী মাথাপিছু আয়ের এই হিসাবটি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- সেই সময়ে দেশের সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং জনসংখ্যার অনুপাত বিবেচনা করে মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়িয়েছিল $$1827$$ মার্কিন ডলার।
সহজ কথায়, ২০১৯ সালের সরকারি তথ্যসূত্র অনুযায়ী এটিই ছিল মাথাপিছু জিডিপির সঠিক পরিসংখ্যান। তাই সঠিক উত্তর হলো ১৮২৭।
ক্লোরোফিল ছাড়া সম্পন্ন হয় না-
এখানে সঠিক উত্তর হলো সালোকসংশ্লেষণ। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে নিজের খাদ্য তৈরি করে। এই পুরো প্রক্রিয়ার মূল কারিগর হলো ক্লোরোফিল।
- সূর্যের আলো শোষণ: ক্লোরোফিল ছাড়া উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে ধরতে পারে না।
- খাদ্য উৎপাদন: আলোক শক্তি ছাড়া শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করা অসম্ভব।
- সহজ হিসাব: ক্লোরোফিল হলো উদ্ভিদের রান্নাঘরের চুলার মতো, তাই এটি ছাড়া সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি একেবারেই অচল।
মধ্যবর্তী 'B' যৌগটির সংকেত কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B: $H_2NCOONH_4$।
বিষয়টা খুব সহজ! যখন ইউরিয়া উৎপাদনের সময় অ্যামোনিয়া ($NH_3$) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ($CO_2$) একসাথে বিক্রিয়া করে, তখন প্রথমে একটি মধ্যবর্তী যৌগ তৈরি হয়। এই মধ্যবর্তী যৌগটির নাম হলো অ্যামোনিয়াম কার্বামেট, যার রাসায়নিক সংকেত হলো $H_2NCOONH_4$। পরবর্তীতে এটি থেকে এক অণু পানি অপসারিত হয়ে মূল ইউরিয়া তৈরি করে।
শ্বসনতন্ত্রের কোন স্থানে গ্যাসের বিনিময় হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: অ্যালভিওলাস।
ফুসফুসে বাতাসের থলির মতো ক্ষুদ্র অংশ হলো অ্যালভিওলাস বা বায়ুথলি। এর প্রাচীর অত্যন্ত পাত্তা এবং রক্তনালীতে ঘেরা থাকে, যার মাধ্যমে খুব সহজেই রক্তে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বের হয়ে যায়। তাই একে মানবদেহের গ্যাসের বিনিময়ের মূল স্থান বলা হয়।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অনুমোদিত দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চাকাজী ও দীর্ঘমেয়াদি "বাংলাদেশ বদ্ীপ মহাপরিকল্পনা" কত বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: 100 বছর।
ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে অত্যন্ত দূরদর্শীভাবে এই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। ডাচ ব্লুপ্রিন্ট বা নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা প্ল্যানের আদールে প্রণীত এই মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো আগামী ১০০ বছর বা ২১০০ সালের মধ্যে একটি নিরাপদ, জলবায়ু সহনশীল ও সমৃদ্ধশালী বদ্বীপ গড়ে তোলা।