SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
আমাদের দেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূরঅনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO) সরাসরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। তথ্যটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো, দেশের প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক প্রতিরক্ষা গবেষণার একটি বড় অংশ এই মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন থাকে।
মানবদেহে যে অঙ্গ থেকে ইনসুলিন নির্গত হয় তা হলো-
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়। মানবদেহের এই বিশেষ অঙ্গটি থেকে নিয়মিত ইনসুলিন হরমোন নির্গত হয়, যা আমাদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
HPLC তে সচল মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
এখানে সঠিক উত্তর হলো মিথানল ও পানি।
HPLC (High Performance Liquid Chromatography)-তে তরল ক্রোমাটোগ্রাফি ব্যবহার করা হয় বলে এখানে সচল মাধ্যম বা মোবাইল ফেজ হিসেবে সবসময় তরল দ্রাবক ব্যবহার করা হয়। মিথানল ও পানির মিশ্রণ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং আদর্শ পোলার সচল মাধ্যম, যা বিভিন্ন জৈব ও অজৈব যৌগ পৃথকীকরণে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
আল কুরআনের আলোকে মানুষের সম্মান ও মর্যাদার মাপকাঠি কী?
এখানে সঠিক উত্তর হলো তাক্বওয়া।
আল কুরআনে মানুষের মর্যাদা বা শ্রেষ্ঠত্বের মূল মাপকাঠি হিসেবে তাক্বওয়া বা আল্লাহভীতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বংশ, বর্ণ, ধন-সম্পদ বা সামাজিক পদমর্যাদা আল্লাহর কাছে মানুষের দাম বাড়ায় না; বরং যার অন্তরে যত বেশি আল্লাহভীতি ও তাক্বওয়া রয়েছে, তিনি আল্লাহর দরবারে তত বেশি সম্মানিত। পবিত্র কুরআনেও স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, আল্লাহর কাছে সেই ব্যক্তিই সবচেয়ে বেশি মর্যাদাবান যে তাক্বওয়ার অধিকারী।
কোন যুদ্ধে সর্বাধিক হাফিযুল কোরআন সাহাবী শহীদ হন?
সঠিক উত্তর হলো ইয়ামামার যুদ্ধ। ইসলামের ইতিহাসে এই যুদ্ধটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা।
কেন এই যুদ্ধটি আলাদা, তা খুব সহজে বুঝে নিন:
- ইয়ামামার যুদ্ধে ভণ্ড নবী মুসায়লামাতুল কাযযাবের বাহিনীর বিরুদ্ধে মুসলিমরা লড়াই করেছিলেন।
- এই যুদ্ধে প্রায় ৭০ জন হাফিযুল কোরআন সাহাবী শাহাদাত বরণ করেন।
- এত বিপুল সংখ্যক হাফিয সাহাবীর শাহাদাতের কারণেই হযরত উমর (রা.) পবিত্র কোরআনকে একটি গ্রন্থে সংকলিত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন, যা পরবর্তীতে হযরত আবু বকর (রা.)-এর নির্দেশে সম্পন্ন হয়।
সহজ কথায়, কোরআন সংরক্ষণের ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল এই ইয়ামামার যুদ্ধের মাধ্যমেই।
সহীহ হাদীসের বৈশিষ্ট্য-
সহীহ হাদীস হওয়ার জন্য মুহাদ্দিসগণ মূলত ৫টি শর্ত নির্ধারণ করেছেন। এই শর্তগুলো পূরণ হলেই কেবল একটি হাদীসকে 'সহীহ' বা বিশুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়। শর্তগুলো হলো:
- সনদের ধারাবাহিকতা: হাদীসের বর্ণনাকারী পরম্পরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন হতে হবে।
- বর্ণনাকারীর ন্যায়পরায়ণতা: প্রত্যেক বর্ণনাকারীকে দ্বীনদার এবং সৎ চরিত্রের অধিকারী হতে হবে।
- বর্ণনাকারীর নির্ভুল স্মৃতিশক্তি: বর্ণনাকারীর স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত প্রখর হতে হবে, যাতে হাদীসের শব্দ বা অর্থে কোনো ভুল না হয়।
- শায বা অসংগতিমুক্ত হওয়া: হাদীসটি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বর্ণনার বিপরীত হওয়া যাবে না।
- ইল্লত বা ত্রুটিমুক্ত হওয়া: হাদীসের সনদে বা মতন (মূল বক্তব্য)-এ সূক্ষ্ম কোনো ত্রুটি থাকা যাবে না।
সহজ কথায়, এই ৫টি শর্তের সমন্বয়েই একটি হাদীস সহীহ হিসেবে প্রমাণিত হয়।
মিশকাতুল মাসাবীহ্র ‘মুকাদ্দামাহ্’ অংশটির লেখক-
মিশকাতুল মাসাবীহ্র ‘মুকাদ্দামাহ্’ বা ভূমিকা অংশটির লেখক হলেন শাহ্ ওলী উল্লাহ দেহলভী। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
- মূলত মিশকাতুল মাসাবীহ্ গ্রন্থটি সংকলন করেছেন খতীব আত-তাবরিযযী।
- কিন্তু এই বিখ্যাত হাদিস গ্রন্থের গুরুত্ব ও এর বিষয়বস্তু সহজভাবে বোঝানোর জন্য পরবর্তী সময়ে শাহ্ ওলী উল্লাহ দেহলভী (র) এর একটি চমৎকার ‘মুকাদ্দামাহ্’ বা ভূমিকা লিখে দেন।
- পরীক্ষায় যখনই এই গ্রন্থের মুকাদ্দামাহ্র কথা আসবে, তখন চোখ বন্ধ করে শাহ্ ওলী উল্লাহ দেহলভীর নাম মনে রাখলেই চলবে।