নিচের কোনটির একক KWh?
সঠিক উত্তর হলো এনার্জি বা শক্তি। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:
- আমরা জানি, পাওয়ার বা ক্ষমতার একক হলো ওয়াট ($W$)।
- যখন এই ক্ষমতাকে সময়ের ($t$) সাথে গুণ করা হয়, তখন আমরা শক্তির পরিমাণ পাই।
- গাণিতিকভাবে, শক্তি ($E$) = ক্ষমতা ($P$) $\times$ সময় ($t$)।
- তাই ক্ষমতার একক ওয়াট এবং সময়ের একক ঘণ্টা গুণ করলে আমরা পাই ওয়াট-ঘণ্টা বা কিলোওয়াট-ঘণ্টা ($kWh$), যা মূলত শক্তিরই পরিমাপ।
সহজ কথায়, আমাদের বাসার ইলেকট্রিক মিটারে যে বিদ্যুৎ খরচ মাপা হয়, তা আসলে কতটুকু এনার্জি খরচ হলো তারই হিসাব।
”ভিক্টোরিয়া ক্রস” কোন দেশের সর্বোচ্চ খেতাব?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ব্রিটেন।
ভিক্টোরিয়া ক্রস (Victoria Cross) হলো ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বউচ্চ সামরিক সম্মান বা খেতাব। শত্রুসেনার সামনে চরম সাহসিকতা, বীরত্ব এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক প্রদান করা হয়। এটি ব্রিটিশ সামরিক ব্যবস্থার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার।
পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরেণের মান কত?
সঠিক উত্তর হলো শূন্য। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:
- অভিকর্ষজ ত্বরণ $g$ এর মান পৃথিবীর কেন্দ্রের দূরত্বের ওপর নির্ভর করে।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে কেন্দ্রের দিকে যত যাওয়া হয়, কার্যকর ভরের পরিমাণ তত কমতে থাকে।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে পৌঁছালে বস্তুর ওপর পৃথিবীর আকর্ষণ বলের মান হয়ে যায় $0$।
- যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ $g = \frac{GM}{R^2}$ এবং কেন্দ্রে দূরত্ব $R = 0$ হয়ে যায়, তাই গাণিতিক ও ভৌত উভয় নিয়মেই কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান হয় $0 \, m/s^2$।
কোনো তেজস্ক্রিয় মৌলের 15/16 অংশ 4 মিনিটে ক্ষয় হয়ে যায়। এর অর্ধায়ু কত?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B: 1 minute। তেজস্ক্রিয়তার অংকগুলো খুব সহজেই শর্টকাটে করা যায়, চলো দেখে নেওয়া যাক কীভাবে:
- মৌলটির $\frac{15}{16}$ অংশ ক্ষয় হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো অবশিষ্ট আছে $1 - \frac{15}{16} = \frac{1}{16}$ অংশ।
- এখন ভগ্নাংশটিকে অর্ধায়ুর ভিত্তিতে ভাঙলে পাই: $\frac{1}{2} \times \frac{1}{2} \times \frac{1}{2} \times \frac{1}{2} = (\frac{1}{2})^4$।
- এর মানে হলো, এই ক্ষয় হতে মোট $4$ বার অর্ধায়ু পার করতে হয়েছে।
- যেহেতু মোট সময় লাগে $4$ মিনিট, তাই একটি অর্ধায়ুর মান হলো $\frac{4 \text{ মিনিট}}{4} = 1 \text{ মিনিট}$।
নিম্েনর কোন স্থিকে মজ্জা গহ্বর নাই?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ক্লাভিকল। মানবদেহের এই সুন্দর অস্থিটিতে কোনো মজ্জা গহ্বর (marrow cavity) থাকে না। ক্লাভিকল হলো আমাদের কলার বোন (collar bone), যা দেখতে অনেকটা 'f' অক্ষরের মতো এবং এটি আমাদের কাঁধের মুভমেন্টে দারুণ সাহায্য করে। অন্যান্য লম্বা হাড়ের মতো এর ভেতরে কোনো পিত্ত বা লাল অস্থিমজ্জা তৈরির ফাঁকা জায়গা থাকে না বলেই এটি খুব সহজেই চেনা যায়!
Cu2+ আয়নের দ্রবণ অধিক NH4OH দ্রবণ যোগ করলে কী বর্ণ সৃষ্টি হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো গাঢ় নীল। কারণ খুব সহজ একটা কেমিক্যাল বিক্রিয়ার মাধ্যমে এটা ঘটে!
যখন কপার আয়ন ($Cu^{2+}$)-এর জলীয় দ্রবণে অল্প পরিমাণে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ($\text{NH}_4\text{OH}$) যোগ করা হয়, তখন হালকা নীল রঙের কপার হাইড্রোক্সাইডের ($\text{Cu(OH)}_2$) অধঃক্ষেপ পড়ে। কিন্তু যখন অতিরিক্ত বা অধিক পরিমাণে $\text{NH}_4\text{OH}$ যোগ করা হয়, তখন এই অধঃক্ষেপটি দ্রবীভূত হয়ে একটি জটিল যৌগ টেট্রাঅ্যামিনকপার(II) আয়ন $[\text{Cu(NH}_3)_4]^{2+}$ তৈরি করে।
এই জটিল যৌগের উপস্থিতির কারণেই দ্রবণটি অসাধারণ সুন্দর ও চমৎকার গাঢ় নীল বর্ণ ধারণ করে।
মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের মাত্রা কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: $M^{-1} L^3 T^{-2}$। খুব সহজেই মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের মাত্রা বের করা যায়:
- মহাকর্ষীয় সূত্রটি হলো: $F = \frac{G m_1 m_2}{r^2}$
- এখান থেকে ধ্রুবকটিকে আলাদা করলে পাই: $G = \frac{F r^2}{m_1 m_2}$
- এবার সবকিছুর মাত্রা বসিয়ে পাই: $G = \frac{[MLT^{-2}] \cdot [L^2]}{[M] \cdot [M]}$
- কাটাকাটি করে হিসাব করলে চূড়ান্ত মাত্রা আসে: $M^{-1} L^3 T^{-2}$
কোনো বস্তুর আকার বিকৃতির জন্য যে পীড়ন প্রয়োগ করা হয় তাকে কী বলে ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো কৃন্তন পীড়ন।
বিষয়টা খুব সহজ:
- কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন ঘটাতে দৈর্ঘ্য পীড়ন কাজ করে।
- আয়তন পরিবর্তনের জন্য আয়তন পীড়ন ব্যবহৃত হয়।
- আর বস্তুর শুধু আকার বা আকৃতির বিকৃতি ঘটাতে যে tangential বা স্পর্শকীয় বল প্রয়োগ করা হয়, তার ফলে সৃষ্ট পীড়নকেই মূলত কৃন্তন পীড়ন (Shearing Stress) বলা হয়।
কোনটি অধিক ক্ষারকীয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ডাইমিথাইল আ্যমিন।
অ্যামিনগুলোর ক্ষারকত্ব মূলত নির্ভর করে নাইট্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন ঘনত্ব বৃদ্ধির ওপর। অ্যালকাইল গ্রুপ হলো ইলেকট্রন দাতা গ্রুপ (+I প্রভাব)।
- ডাইমিথাইল আ্যमिনে দুটি মিথাইল গ্রুপ থাকে, যা নাইট্রোজেনের ওপর ইলেকট্রন ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি বাড়িয়ে দেয়।
- ফলে এটি প্রোটন ($H^+$) খুব সহজে গ্রহণ করতে পারে এবং এর ক্ষারকত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
কোনো একটি লবণের দ্রবণে B a C l 2 দ্রবণ যোগ করলে সাদা অধঃক্ষেপ পড়ল যা H C l ( a q ) এ দ্রবীভূত হল না। লবণটি শিখা পরীক্ষায় সোনালী হলুদ বর্ণ প্রদর্শন করুন। সম্ভাব্য লবণটি কি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B: $\text{Na}_2\text{SO}_4$। কারণটা খুব সহজে এভাবে মেলানো যায়:
- লবণের দ্রবণে $\text{BaCl}_2$ যোগ করলে যে সাদা অধঃক্ষেপ পড়ে, তা হলো বেরিয়াম সালফেট ($\text{BaSO}_4$)। এই অধঃক্ষেপটি লঘু $\text{HCl}$-এ অদ্রবণীয় থাকে, যা সালফেটের উপস্থিতি নিশ্চিত করে।
- অন্যদিকে, শিখা পরীক্ষায় সোডিয়াম লবণের উপস্থিতি থাকলে তা উজ্জ্বল সোনালী হলুদ বর্ণ প্রদর্শন করে।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সোডিয়াম ও সালফেট আয়ন সংবলিত লবণটি হলো $\text{Na}_2\text{SO}_4$।