T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
ছবি | আবু হেনা মোস্তফা কামাল
বাংলা ১ম পত্র • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১

সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ।’ উদ্ধৃতিটিতে কোন কাজের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মানুষের ক্রমমুক্তি।
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো মানুষের ক্রমমুক্তি। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে হলে আমাদের ইতিহাসের দিকে তাকাতে হবে।

  • মানুষের সভ্যতা একদিনে গড়ে ওঠেনি। হাজার বছর ধরে অসংখ্য মনীষী, বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ তাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে জ্ঞানভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন।
  • এই দীর্ঘ সময়ের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাই মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছে।
  • উদ্ধৃতিটিতে মূলত সেই দীর্ঘ পথচলা বা বিবর্তনের কথা বলা হয়েছে, যার মাধ্যমে মানুষ আজকের এই উন্নত অবস্থায় পৌঁছাতে পেরেছে। অর্থাৎ, এটি মানুষের সামগ্রিক অগ্রযাত্রার বা ক্রমমুক্তির এক অনন্য দলিল।
২

নিচের কোন কবি গীতিকার হিসেবেও সফল ছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আবু হেনা মোস্তফা কামাল
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো আবু হেনা মোস্তফা কামাল। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি এবং শিক্ষাবিদ হওয়ার পাশাপাশি একজন অসাধারণ গীতিকার হিসেবেও অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন।

তার গীতিকার সত্তার বিশেষত্বগুলো হলো:

  • তিনি আধুনিক বাংলা গানের কথা ও সুরের মেলবন্ধনে এক অনন্য শৈলী তৈরি করেছিলেন।
  • তার লেখা অনেক কালজয়ী গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে গেঁথে আছে।
  • কবিতার গভীরতা এবং গানের সুরের ছন্দ—এই দুইয়ের চমৎকার সমন্বয় তার গানে ফুটে উঠত।

সহজ কথায়, একজন কবি হিসেবে শব্দের যে কারুকাজ তিনি জানতেন, তা গীতিকার হিসেবে তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।

৩

কবি মোট কতটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
৩টি
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ৩টি। কবি তাঁর সমগ্র সাহিত্য জীবনে মোট তিনটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন। এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কবির কাব্যচর্চার পরিধি নির্দিষ্ট এবং সীমিত ছিল।

  • কবির কাব্যগ্রন্থের মোট সংখ্যা: ৩
  • সাহিত্যিক অবদানের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।

সহজ কথায়, কবির কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির অবকাশ নেই, এটি সুনির্দিষ্টভাবে ৩টি।

৪

কথা ও কবিতা' কোন ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রবন্ধগ্রন্থ
সমাধান

'কথা ও কবিতা' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। অনেকেই নাম শুনে এটিকে কাব্যগ্রন্থ ভেবে ভুল করেন, কিন্তু আসলে এটি একটি গদ্য সংকলন।

  • বইটির নাম 'কথা ও কবিতা' হলেও এর ভেতরে থাকা বিষয়বস্তু মূলত সাহিত্য ও শিল্পকলা বিষয়ক বিভিন্ন প্রবন্ধের সমষ্টি।
  • রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধ রচনার ধারায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, যেখানে তিনি সাহিত্যতত্ত্ব ও নান্দনিকতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—নামে 'কবিতা' থাকলেও এটি মূলত গদ্য বা প্রবন্ধের একটি সংকলন।

৫

তুমি যে আমার কবিতা' গানটি কার রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আবু হেনা মোস্তফা কামাল
সমাধান

‘তুমি যে আমার কবিতা’ গানটির রচয়িতা হলেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল।

গানটি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:

  • এই কালজয়ী গানটির সুরকার ও শিল্পী ছিলেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আবদুল জব্বার।
  • আবু হেনা মোস্তফা কামাল ছিলেন একাধারে একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক এবং গীতিকার।
  • তার লেখা এই গানটি বাংলা আধুনিক গানের ভাণ্ডারে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।
৬

আক্রান্ত গজল' কী ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
কাব্যগ্রন্থ
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো কাব্যগ্রন্থ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'আক্রান্ত গজল' কোনো একক কবিতা বা গল্প নয়, বরং এটি কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা একটি জনপ্রিয় কবিতার সংকলন বা বই।

  • যখন কোনো বইয়ের ভেতরে অনেকগুলো কবিতা একত্রে সংকলিত থাকে, তখন তাকে আমরা কাব্যগ্রন্থ হিসেবে অভিহিত করি।
  • নির্মলেন্দু গুণের সাহিত্যকর্মের তালিকায় 'আক্রান্ত গজল' একটি স্বতন্ত্র কাব্যগ্রন্থ হিসেবেই স্বীকৃত।

সহজ কথায়, এটি কোনো ছোটগল্প বা কাহিনিকাব্য নয়, বরং কবির লেখা বিভিন্ন কবিতার একটি চমৎকার সংকলন বা বই।

৭

যেহেতু জন্মান্ধ' কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
১৯৮৪
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো ১৯৮৪। হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস 'জন্মান্ধ' মূলত ১৯৮৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

সহজে মনে রাখার উপায়:

  • হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যকর্মের সময়কাল মনে রাখতে সালগুলো ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নিন।
  • 'জন্মান্ধ' উপন্যাসটি আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ের সৃষ্টি, যা ১৯৮৪ সালে পাঠকের হাতে পৌঁছায়।
৮

আবু হেনা মোস্তফা কামালের কবিতার প্রধান সম্পদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শব্দের বর্ণময়ী দ্যোতনা ও চিত্রধর্মিতা
সমাধান

আবু হেনা মোস্তফা কামালের কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো শব্দের বর্ণময়ী দ্যোতনা ও চিত্রধর্মিতা। তিনি তার কবিতায় শব্দকে কেবল অর্থ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেননি, বরং শব্দের ভেতর দিয়ে এক ধরনের দৃশ্যকল্প বা ছবি তৈরি করেছেন।

  • তিনি শব্দের ব্যবহারে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন, যা তার কবিতাকে এক অনন্য নান্দনিক রূপ দেয়।
  • তার শব্দচয়ন পাঠককে খুব সহজেই একটি দৃশ্যমান জগতের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, যাকে আমরা চিত্রধর্মিতা বলি।
  • শব্দের এই বর্ণময় ব্যবহারই তার কাব্যশৈলীকে সমসাময়িক কবিদের থেকে আলাদা এবং সমৃদ্ধ করে তুলেছে।
৯

কবি ছবী কবিতায় কাদের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সবার জন্য
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো সবার জন্য। কারণ কবি ছবী কবিতায় কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা গোষ্ঠীর কথা বলেননি। তিনি তার কবিতার মাধ্যমে প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং জীবনের আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন।

  • কবিতার মূল সুর হলো অবারিত উদারতা।
  • কবি এখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা পেশার ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
  • তার এই আহ্বান মূলত সকল মানুষের হৃদয়ের দুয়ার খুলে দেওয়ার একটি প্রতীকী প্রকাশ।

তাই সহজ কথায়, কবির এই আমন্ত্রণ কোনো বিশেষ মহলের জন্য নয়, বরং তা উন্মুক্ত সবার জন্য।

১০

কবি সবাইকে কেমন আমন্ত্রণ জানিয়েছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
উদার
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো উদার। কবি সবাইকে উদারভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কারণ তিনি কোনো ভেদাভেদ মানেন না। তার কাছে মানুষে মানুষে কোনো পার্থক্য নেই, তাই তিনি সবাইকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এবং খোলা মনে আপন করে নিতে চেয়েছেন।

সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে বোঝা যায়:

  • উদারতা মানে হলো সংকীর্ণতা ত্যাগ করে সবাইকে আপন করে নেওয়া।
  • কবি তার কবিতায় সাম্যের কথা বলেছেন, যেখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান।
  • এই অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই হলো কবির উদার আমন্ত্রণের মূল ভিত্তি।