T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ | শামসুর রহমান
বাংলা ১ম পত্র • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘কমলবন’ কিসের প্রতীক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
মানবিকতা
সমাধান

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘কমলবন’ মূলত মানবিকতা বা মানুষের কোমল অনুভূতির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কবি শামসুর রাহমান এখানে রক্তরাঙা সিঁড়ির সাথে কমলবনের তুলনা করেছেন, যা আমাদের বুঝিয়ে দেয় যে, চরম বৈরী ও সহিংস পরিস্থিতির মাঝেও মানুষের ভেতরের মানবিক সত্তা ও সৌন্দর্য টিকে থাকে।

  • কবিতায় কবি দেখিয়েছেন, পাকিস্তানি শাসকের বুলেটের আঘাতে রাজপথ রক্তাক্ত হলেও বাঙালির হৃদয়ের গভীরের মানবিকতা বা কমলবন কখনো মরে যায় না।
  • এটি মূলত মানুষের অদম্য প্রাণশক্তি এবং সুন্দরকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার প্রতীক।
  • সহজ কথায়, ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়েও মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও মানবিক বোধ জেগে ওঠে, কবি তাকেই ‘কমলবন’ বলে অভিহিত করেছেন।
২

কোন পত্রিকায় শামসুর রহমানের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
দৈনিক মর্নিং নিউজ
সমাধান

শামসুর রহমানের সাহিত্যিক জীবনের শুরুটা বেশ চমকপ্রদ। তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় দৈনিক মর্নিং নিউজ পত্রিকায়।

বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:

  • কবিতাটির নাম ছিল '১৯৪৯'।
  • এটি ১৯৪৯ সালে তৎকালীন 'দৈনিক মর্নিং নিউজ' পত্রিকার সাহিত্য পাতায় ছাপা হয়েছিল।
  • শামসুর রহমান বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি, তাই তাঁর প্রথম কবিতার এই তথ্যটি বিসিএস বা বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩

নিচের কোনটি শামসুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
অভূত আঁধার এক
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো অভূত আঁধার এক। কারণ এটি শামসুর রাহমানের লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।

বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা, রৌদ্র করোটিতে এবং আমি অনাহারী।
  • অন্যদিকে, অভূত আঁধার এক কাব্যগ্রন্থটি শামসুর রাহমানের নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
৪

‘সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ’— এখানে ফুল বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ভাষা আন্দোলন
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ভাষা আন্দোলন। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় কবিতার প্রেক্ষাপট থেকে।

  • কবিতায় 'ফুল' শব্দটি রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
  • আমাদের জাতীয় ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন হলো সেই রক্তিম ফুল, যা থেকে আমাদের স্বাধিকার ও চেতনার জন্ম হয়েছে।
  • যেহেতু ভাষা শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আমরা মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার পেয়েছি, তাই কবি এখানে ভাষা আন্দোলনকেই আমাদের প্রাণের স্পন্দন বা 'ফুল' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
৫

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কতজন ভাষা শহিদের নাম উল্লেখ আছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
২ জন
সমাধান

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সঠিক উত্তর হলো ২ জন। কবি শামসুর রাহমান এই কবিতায় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে গিয়ে দুই জন শহিদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।

  • কবিতাটিতে সালাম এবং বরকত—এই দুই ভাষা শহিদের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
  • কবি তাঁদের আত্মত্যাগকে বাঙালির চেতনার প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
৬

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সালামের মুখকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা
সমাধান

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান সালামের মুখকে তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা-র সঙ্গে তুলনা করেছেন। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:

  • সালাম ছিলেন ভাষা আন্দোলনের একজন বীর শহীদ। তার আত্মত্যাগই আমাদের জাতীয় চেতনার মূলে কাজ করেছে।
  • কবি এখানে সালামের মুখকে একটি নতুন, সজীব এবং প্রাণবন্ত ভূখণ্ডের প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
  • ‘তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা’ বলতে কবি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির সেই চিরসবুজ এবং অদম্য প্রাণশক্তিকে বুঝিয়েছেন, যা সালামের মতো বীরদের রক্তে বারবার নতুন করে জেগে ওঠে।

সহজ কথায়, সালামের আত্মত্যাগ আমাদের বাংলাকে যে নতুন পরিচয় ও প্রাণ দিয়েছে, কবি সেই সজীবতাকেই শ্যামল প্রকৃতির সাথে মিলিয়ে দেখেছেন।

৭

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় হাত থেকে কী ঝরে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
বর্ণমালা
সমাধান

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বর্ণমালার গুরুত্বকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো বর্ণমালা।

এর কারণটি খুব সহজ:

  • কবিতায় কবি একুশের চেতনার সাথে বাংলা বর্ণমালার গভীর সম্পর্ক দেখিয়েছেন।
  • শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা যে বাংলা ভাষা ও বর্ণমালা পেয়েছি, তা যেন আমাদের অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে।
  • কবি এখানে বুঝিয়েছেন যে, আমাদের হাতের মুঠোয় থাকা বর্ণমালাগুলো যেন রক্তের অক্ষরে লেখা এক একটি অমূল্য সম্পদ, যা আমাদের জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক।
৮

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার বৈশিষ্ট্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
গদ্যছন্দ ও প্রবহমান ভাষা
সমাধান

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার সঠিক বৈশিষ্ট্য হলো গদ্যছন্দ ও প্রবহমান ভাষা। শামসুর রাহমানের এই কবিতাটি পড়ার সময় খেয়াল করলে দেখবেন, এটি প্রথাগত ছন্দের ধরাবাঁধা নিয়মে লেখা নয়। এর মূল কারণগুলো হলো:

  • কবিতাটিতে কোনো নির্দিষ্ট ছন্দ বা অন্ত্যমিলের বাধ্যবাধকতা নেই, যা একে গদ্যের মতো সাবলীল করে তুলেছে।
  • ভাষার ব্যবহার এখানে অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং প্রবহমান, যা পাঠকের মনে ঘটনার গভীরতা ও আবেগকে সরাসরি পৌঁছে দেয়।
  • গদ্যছন্দ ব্যবহারের ফলে কবি খুব সহজেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সংগ্রামের চিত্রগুলো সহজ-সরল অথচ শক্তিশালী ভাষায় ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।

সহজ কথায়, এই কবিতার ছন্দ অনেকটা আমাদের স্বাভাবিক কথাবার্তার মতো, যা একে আধুনিক বাংলা কবিতার এক অনন্য উদাহরণ করে তুলেছে।

৯

‘একুশের কৃষ্ণচূড়া’ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
চেতনার রং
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো চেতনার রং।

বিষয়টা খুব সহজভাবে ভাবলে দেখবেন, আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে 'একুশের কৃষ্ণচূড়া' কেবল একটি ফুল নয়, বরং এটি আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক। কবি ও সাহিত্যিকরা কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙকে একুশের শহিদদের রক্ত এবং সেই রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার চেতনার সাথে তুলনা করেছেন।

  • কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙ এখানে শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতীক।
  • এই আত্মত্যাগই আমাদের মনে ভাষা ও স্বাধিকারের চেতনা জাগিয়ে তোলে।
  • তাই সাহিত্যিক বিচারে একুশের কৃষ্ণচূড়া মানেই হলো আমাদের জাগ্রত চেতনার রং।
১০

নাগরিক কবি’ উপাধিটি নিচের কোন কবির জন্য প্রযোজ্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
শামসুর রহমান
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো শামসুর রহমান।

শামসুর রহমানকে 'নাগরিক কবি' বলা হয় কারণ তার কবিতায় নগর জীবনের নানা অনুষঙ্গ, যন্ত্রসভ্যতার ক্লান্তি, একাকীত্ব এবং মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি মূলত ঢাকা শহরের জীবনযাত্রা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে তার কাব্যের প্রধান উপজীব্য করেছিলেন।

  • শামসুর রহমানের কবিতায় আধুনিক নাগরিক জীবনের বিষাদ ও স্বপ্ন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
  • তিনি নগরকেন্দ্রিক জীবন ও মানুষের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতাকে তার লেখনীর মাধ্যমে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
  • তার কাব্যশৈলীতে শহরের যান্ত্রিকতা ও মানবিক অনুভূতির যে মেলবন্ধন পাওয়া যায়, তা তাকে বাংলা সাহিত্যে 'নাগরিক কবি' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।