COP-27 সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
সঠিক উত্তর হলো মিশর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন বা COP-এর ভেন্যুগুলো প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়।
- ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত COP-27 সম্মেলনটি মিশরের শার্ম আল-শেখ (Sharm El-Sheikh) শহরে আয়োজিত হয়েছিল।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য 'লস অ্যান্ড ড্যামেজ' তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত এই সম্মেলনের অন্যতম বড় অর্জন ছিল।
সহজ কথায়, মিশরের এই সম্মেলনটি মূলত আফ্রিকা মহাদেশের জলবায়ু সংকট এবং এর সমাধানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিল।
ভাষা শহিদদের স্মরণে 'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: মৃণাল হক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় অবস্থিত ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত অত্যন্ত নান্দনিক ও পরিচিত ভাস্কর্য 'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা'-এর মূল ভাস্কর হলেন খ্যাতিমান শিল্পী মৃণাল হক। এটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তৈরি করা হয়েছিল।
লুপ অফ হেনলি শরীরের কোন অঙ্গের অংশ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বৃক্ক (Kidney)।
লুপ অফ হেনলি হলো বৃক্কের গঠন ও কাজের একক অর্থাৎ নেফ্রনের (Nephron) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি দেখতে অনেকটা ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো বাঁকানো থাকে এবং আমাদের শরীরের রক্ত ছাঁকতে ও মূত্র তৈরিতে সাহায্য করে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল- এর সদর দফতর কোথায় ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বার্লিন (জার্মানি)।
দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিনেই অবস্থিত। বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি দূর করার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে থাকে।
Who is the sculptor of 'Shabash Bangladesh? ('সাবাশ বাংলাদেশ' ভাস্কর্যের স্থপতি কে?)
এখানে সঠিক উত্তর হলো নিতুন কুন্ডু। কারণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য 'সাবাশ বাংলাদেশ'-এর নকশা ও নির্মাণ কাজ তিনিই করেছিলেন। শিল্পকলায় তাঁর এই অনন্য অবদান আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।
রামসার সম্মেলনে কী সংরক্ষণের জন্য বলা হয়েছে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো জলাভূমি। কারণ রামসার কনভেনশন মূলত বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি এবং সেগুলোর জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার জন্য কাজ করে।
- ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে এই আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য হলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি ধ্বংস রোধ করা এবং এর টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা।