বাংলায় সেন বংশের (১০৭০ - ১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ) শেষ শাসনকর্তা কে ছিলেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো কেশব সেন। বাংলায় সেন বংশের রাজত্বকাল ছিল ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। এই রাজবংশের শেষ শক্তিশালী শাসক ছিলেন লক্ষণ সেন, তবে তার মৃত্যুর পর সেন বংশের শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ইতিহাস ও ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, সেন বংশের সর্বশেষ বা শেষ শাসনকর্তা হিসেবে কেশব সেন-এর নাম পাওয়া যায়, যিনি লক্ষণ সেনের পতনের পর বাংলার কিছু অঞ্চলে শাসনকার্য পরিচালনা করেছিলেন।
টেকসই উন্নয়নের জন্য সু-শাসন অপরিহার্য কারন এটি-
টেকসই উন্নয়নের জন্য সু-শাসন অপরিহার্য, কারণ এটি মূলত একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলে। এর মূল কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: সু-শাসন নিশ্চিত থাকলে বিনিয়োগ বাড়ে এবং সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়, যা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনে।
- সামাজিক ন্যায়বিচার: এটি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে, ফলে সমাজের সকল স্তরের মানুষ সমান সুযোগ পায় এবং বৈষম্য কমে আসে।
- ভারসাম্য রক্ষা: যখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে সাধারণ মানুষের অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়, তখনই উন্নয়নটি 'টেকসই' বা দীর্ঘস্থায়ী রূপ পায়।
সহজ কথায়, সু-শাসন ছাড়া উন্নয়ন কেবল কিছু মানুষের হাতে সম্পদ কুক্ষিগত করে, কিন্তু সু-শাসন নিশ্চিত করলে সেই উন্নয়ন সবার জন্য সমানভাবে কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য রক্ষা করে।
দুদকের কমিশনারগণ কার সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- দুদক বা দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন অনুযায়ী, কমিশনের একজন চেয়ারম্যান এবং দুজন কমিশনার থাকেন।
- তাদের নিয়োগদানের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেন দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- সংবিধান ও নির্ধারিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মাধ্যমেই এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নিয়োগ দেওয়া হয়।
২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হলেন-
২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হলেন মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ভেনিজুয়েলার গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় তার দীর্ঘদিনের সাহসী সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- ব্যক্তিত্ব: মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- ক্ষেত্র: ভেনিজুয়েলার গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মানবাধিকার।
- সাল: ২০২৫।
বিশ্বজুড়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার আপসহীন ভূমিকা এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরিবর্তনের ডাক তাকে এই বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য যোগ্য করে তুলেছে।
’তপোবন’ কোন সমাস?
এখানে সঠিক উত্তর হলো চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। কারণ বিষয়টা খুব সহজ!
- 'তপোবন' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তপসের জন্য বন।
- ব্যাসবাক্যের মাঝে যখন 'জন্য' বা 'নিমিত্ত' বিভক্তি বা অনুসর্গ অর্থ প্রকাশ পায়, তখন সেটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়।
- তাই তপসের জন্য বন = তপোবন, এটি নিঃসন্দেহে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ কখন বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ ছিলেন মধ্যযুগের বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় সুলতান। তিনি দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সফলভাবে বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন এবং এ সময় বাংলার সংস্কৃতি, সাহিত্য ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় এক সোনালী অধ্যায়ের সূচনা হয়।
মীর মশাররফ হোসেন সম্পর্কে কোন তথ্যটি যথার্থ নয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বিবি কুলসুম তাঁর প্রথম স্ত্রী। কারণ, মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল আজিজুন্নেসা।
বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:
- মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রী ছিলেন আজিজুন্নেসা।
- বিবি কুলসুম ছিলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী।
- তিনি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'বিষাদ-সিন্ধু' তিন খণ্ডে (মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ-বধ পর্ব) রচনা করেছিলেন।
- তিনি তাঁর নিজের জীবনী নিয়ে 'আমার জীবনী' ও 'আমার জীবনীর জীবনী' নামে গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং কর্মজীবনে তিনি জমিদারি এস্টেটে চাকরিও করেছেন।
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারকের সর্বোচ্চ বয়স কত বছর?
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের অবসরের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হলো ৬৭ বছর। সংবিধান অনুযায়ী এই নিয়মটি নির্ধারিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টের বিচারকগণ তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য সর্বোচ্চ ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত বহাল থাকতে পারেন।
- সহজ কথায়, একজন বিচারক নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বিচারিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
Which of the following is the capital of Portugal?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Lisbon (লিসবন)। পর্তুগালের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো এই লিসবন, যা দেশটির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
মন্ট্রিল প্রটোকল' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ওজোনস্তর।
মন্ট্রিয়ল প্রটোকল হলো ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদানগুলোর ব্যবহার কমিয়ে এই স্তরকে রক্ষা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটিকে পরিবেশ রক্ষার ইতিহাসে অন্যতম সফল একটি উদ্যোগ হিসেবে ধরা হয়।