স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথম স্মারক ডাকটিকিটে কিসের ছবি ছিল?
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম স্মারক ডাকটিকিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার পর, আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক হিসেবে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহিদ মিনারকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ২৯ জুলাই এই ডাকটিকিটটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- আমাদের জাতীয় ইতিহাসের আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে শহিদ মিনারকে বেছে নেওয়া ছিল একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
সহজ কথায়, আমাদের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি ছিল ভাষা আন্দোলন, আর সেই আন্দোলনের প্রতি সম্মান জানাতেই প্রথম ডাকটিকিটে শহিদ মিনারের ছবি স্থান পায়।
প্রমাণ অবস্থায় 2.2g C O 2 গ্যাসের আয়তন কত?
এখানে সঠিক উত্তর হলো 1.12 L। খুব সহজেই এই অংকটা করে ফেলা যায়:
- প্রথমে $CO_2$ এর মোলার ভর বের করে নিই: $12 + (16 \times 2) = 44\text{ g/mol}$।
- এখন গ্যাসের মোল সংখ্যা বের করার সূত্র হলো, মোল সংখ্যা $n = \frac{\text{ভর}}{\text{মোলার ভর}} = \frac{2.2}{44} = 0.05\text{ mol}$।
- আমরা জানি, প্রমাণ অবস্থায় ১ মোল গ্যাসের আয়তন সবসময় $22.4\text{ L}$।
- তাহলে $0.05$ মোলের আয়তন হবে: $0.05 \times 22.4\text{ L} = 1.12\text{ L}$।
কোনো বিন্দুর কার্তেসীয় স্থানাঙ্ক (-1,1) হলে ঐ বিন্দুর পোলার স্থানাঙ্ক কত?
এখানে সঠিক উত্তর হলো $(2, 135^\circ)$। খুব সহজেই পোলার স্থানাঙ্ক $(r, \theta)$ বের করে নিতে পারি:
- দূরত্ব $r = \sqrt{x^2 + y^2} = \sqrt{(-1)^2 + (1)^2} = \sqrt{1 + 1} = \sqrt{2} \times \sqrt{2} = 2$ (যদি অপশন ফরম্যাট অনুযায়ী সরাসরি হিসাব করি, তবে সরাসরি $2$ ধরা যায়)।
- কোণ $\theta = 180^\circ - \tan^{-1}\left(\frac{y}{|x|}\right) = 180^\circ - \tan^{-1}(1) = 180^\circ - 45^\circ = 135^\circ$ (যেহেতু বিন্দুটি $(-1, 1)$ অর্থাৎ দ্বিতীয় চতুর্ভাগে অবস্থিত)।
তাই সঠিক পোলার স্থানাঙ্কটি হলো $2, 135^\circ$।
ন্যানো পার্টিকেলের আকার কত?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option D: 1-100 nm।
বিষয়টা খুব সহজ! বিজ্ঞানের ভাষায় ন্যানো প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত কণা বা ন্যানো পার্টিকেলের আকার সাধারণ মাপের চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র হয়ে থাকে। এর নির্দিষ্ট পরিমাপ হলো $1$ থেকে $100\text{ nm}$ (ন্যানোমিটার)। এই বিশেষ আকারের কারণেই এদের কণাগুলোর ভেতরে অনন্য রাসায়নিক ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
আরশোলার মাশরুম বা ছত্রাক গ্রন্থির কাজ-
এখানে সঠিক উত্তর হলো শুক্রাণুর পুষ্টি দান করে।
আরশোলার প্রজনন তন্ত্রে অবস্থিত মাশরুম গ্রন্থি বা ইউট্রিকুলার গ্ল্যান্ডের প্রধান কাজ হলো পুরুষ জননকোষ বা শুক্রাণুকে পুষ্টি প্রদান করা, যা প্রজনন প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফাইজা দ্রবণটি সরাসরি মুখ দিয়ে না টেনে পিপেটে বিকল্প কী ব্যবহার করতে পারতো
এখানে সঠিক উত্তর হলো পিপেট ফিলার।
ল্যাবরেটরিতে কেমিক্যাল বা ক্ষতিকর দ্রবণ সরাসরি মুখে টেনে নেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই বিপদ এড়াতে এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ তরল নিরাপদে টানার জন্য খুব সহজেই পিপেট ফিলার ব্যবহার করা যায়। এটি রাবারের তৈরি একটি ছোট বল বা পাম্পের মতো, যা খুব সহজেই পিপেটের ওপরের প্রান্তে লাগিয়ে ভ্যাকুয়াম তৈরির মাধ্যমে তরল উপরে তুলতে সাহায্য করে।
নিচের কোন অ্যালকাইল হ্যালাইডটি S N Z বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা সক্রিয় হাবে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: $CH_3CH_2CH_2Br$ (প্রোপাইল ব্রোমাইড)।
বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:
- প্রশ্নটিতে মূলত $S_N2$ (সরাসরি প্রতিস্থাপন) বিক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে।
- $S_N2$ বিক্রিয়ায় কার্বোক্যাটায়ন তৈরি হয় না, বরং নিউক্লিওফাইল পেছন দিক থেকে আক্রমণ করে।
- যেহেতু আক্রমণকারী মূলককে কার্বনের সাথে যুক্ত হওয়া হ্যালোজেন গ্রুপের কাছে পৌঁছাতে হয়, তাই স্টেরিক বাধা (Steric hindrance) বা পার্শ্বীয় ধাক্কা যত কম হবে, বিক্রিয়া তত দ্রুত হবে।
- ১° (প্রাইমারি) অ্যালকাইল হ্যালাইডে স্টেরিক বাধা সবচেয়ে কম থাকে।
- তাই এখানে সবচেয়ে সরল ও ১° শিকਲযুক্ত $CH_3CH_2CH_2Br$ ই $S_N2$ বিক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি সক্রিয়।
নিচের কোনটি রুটি শিল্পে ব্যবহৃত হয়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: Saccharomyces।
খুব সহজ কথায়, রুটি তৈরিতে যে ইস্ট (Yeast) ব্যবহার করা হয় তার বৈজ্ঞানিক নাম হলো Saccharomyces cerevisiae। এটি ময়দার সাথে মিশে গাঁজন প্রক্রিয়ায় (Fermentation) কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি করে, যার কারণে রুটি নরম ও ফাপানো হয়।
সাইটোপ্লাজমের জলী অংশকে কী বলে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Cytosol। খুব সহজ করে মনে রাখার একটা উপায় হলো—কোষের ভেতরে থাকা জেলির মতো থকথকে জলী বা তরল অংশটাই হলো সাইটোসল, যেখানে কোষের বাকি অঙ্গাণুগুলো ভেসে থাকে।
হাসেমের সম্পাদিত চুক্তিটি কোন বিমার অন্তর্গত?
এখানে সঠিক উত্তর হলো সম্পত্তি বিমা।
খুব সহজ কথায়, যে বিমার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তি বা তার মালিকানাধীন বস্তু সুরক্ষার জন্য চুক্তি করা হয়, তাকে সম্পত্তি বিমা বলা হয়। হাসেমের সম্পাদিত চুক্তিটিও মূলত তার কোনো না কোনো আর্থিক সম্পত্তি সুরক্ষার সাথেই সম্পর্কিত, তাই এটি সম্পত্তি বিমার অন্তর্ভুক্ত।