‘কাঁদো নদী কাঁদো’ নিম্নের কোনটি?
সঠিক উত্তর হলো উপন্যাস। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
- এটি কোনো ছোটগল্প বা নাটক নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
- উপন্যাসটি মূলত কুমোরটুলির প্রেক্ষাপটে লেখা, যেখানে লেখক মানুষের অস্তিত্বের সংকট এবং মনস্তাত্ত্বিক জটিলতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখবেন—ওয়ালীউল্লাহর এই কালজয়ী সৃষ্টিটি একটি উপন্যাস।
সানু' কোন গল্পের চরিত্র?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বিলাসী।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'বিলাসী' ছোটগল্পের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো সানু। এই গল্পে কথক বা লেখকের ছোটবেলার বন্ধু ও সঙ্গী হিসেবে সানু চরিত্রটির উপস্থিতি পাওয়া যায়, যে সাপুড়ে বিনোদ ও বিলাসীকে নিয়ে গল্পের নানা ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে।
গবেষণা' কোন ধরনের শব্দ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো রূঢ়ি শব্দ।
খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক:
- যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও, তাদের সাধারণ বা প্রচলিত অর্থের বাইরে গিয়ে একটি নির্দিষ্ট ও আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
- যেমন— 'গেষণা' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'গো' (গরু) + 'এষণা' (সন্ধান) মিলে, যার আক্ষরিক অর্থ 'গরু খোঁজা'। কিন্তু বর্তমানে 'গেষণা' বলতে কোনো বিশেষ বিষয়ে গভীর ও নতুন তথ্য আবিষ্কারের সাধনাকে বোঝায়।
- অর্থাৎ, উৎপত্তিগত অর্থ বাদ দিয়ে যখন একটি নতুন প্রচলিত অর্থ দাঁড়িয়ে যায়, চোখ বন্ধ করে সেটাকে রূঢ়ি শব্দ দাগিয়ে দেবেন!
মহাপ্রাণ ধ্বনি কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো খ।
খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা বর্ণমালার প্রতি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেহেতু 'ক' বর্গের প্রথম বর্ণ 'ক' হলো অল্পপ্রাণ এবং ঠিক তার পরের বর্ণ 'খ' হলো দ্বিতীয় বর্ণ, তাই 'খ' একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। উচ্চারণের সময় অতিরিক্ত বাতাস বা প্রাণবায়ু বের হয় বলেই এদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়।
সহজে হয়ে গেলে বলা' এখানে 'সহজে' শব্দটি-
এখানে সঠিক উত্তর হলো ক্রিয়া বিশেষণ।
বাক্যটিতে খেয়াল করলে দেখবে, কাজটি কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা বোঝাতে 'সহজে' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, 'হয়ে গেলে' ক্রিয়াটি কীভাবে ঘটছে (সহজে), তার ভাব বা রীতি প্রকাশ করছে এই শব্দ.
- যে শব্দ কোনো ক্রিয়ার ঘটার সময়, স্থান, কারণ বা ভাব প্রকাশ করে এবং ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকেই ক্রিয়া বিশেষণ বলা হয়।
- যেহেতু 'সহজে' শব্দটি 'হয়ে গেলে' ক্রিয়াটিকে মডিফাই করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি ক্রিয়া বিশেষণ।
শতাব্দীলাঞ্ছিত আর্তের কান্না' ছত্রটিতে 'আর্ত' শব্দের অর্থ কী?
এখানে সঠিক উত্তর হলো পীড়িত। কারণ 'আর্ত' শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি কষ্ট, যন্ত্রণা বা দুঃখের শিকার হয়েছেন। সহজ কথায়, রোগ, শোক বা কোনো বিপদে কষ্ট পাওয়া ব্যক্তিকেই 'পীড়িত' বা 'আর্ত' বলা হয়।
যিনি বক্তৃতা দানে পটু' তাকে এক কথায় বলে-
এখানে সঠিক উত্তর হলো বাগ্মী। কারণ 'যিনি বক্তৃতা দানে পটু' — এক কথায় তাকে বাগ্মী বলা হয়। কথা বলা বা বক্তৃতা দেওয়ার শিল্পে যিনি অত্যন্ত দক্ষ এবং সাবলীল, বাংলা ব্যাকরণে তার জন্য এই নির্দিষ্ট শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
কোন মূল ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে?
এখানে সঠিক উত্তর হলো ইন্দো-ইউরোপীয়। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখতে পারেন এভাবে:
- পৃথিবীর অনেক বড় বড় ভাষার জন্ম হয়েছে একটি মূল প্রাচীন ভাষা থেকে, যার নাম ইন্দো-ইউরোপীয় বা মূল আ্যারেয়ান।
- এই মূল বংশধারা থেকেই প্রাকৃত ও অপভ্রংশ হয়ে আমাদের বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
- তাই বাংলা ভাষার মূল উৎস হিসেবে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশকেই ধরা হয়।
জঙ্গম' এর বিপরীত শব্দ কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো স্থাবর।
বিষয়টা খুব সহজ! 'জঙ্গম' শব্দটির অর্থ হলো যা গতিশীল বা নড়াচড়া করতে পারে। আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'স্থাবর', যার অর্থ যা স্থির বা এক জায়গায় আটকে থাকে। বাংলা ব্যাকরণে এই বিপরীত শব্দ দুটি খুবcommonly ব্যবহৃত হয়।
নিচের কোন শব্দটি ভুল?
এখানে সঠিক উত্তর হলো মুহর্মুহূ, কারণ বানানটি ভুল। শুদ্ধ বানানটি হবে মুহুরমুহু।
সহজভাবে মনে রাখার কিছু নিয়ম:
- শব্দটির গঠন হলো মুহু + মুহু। সন্ধি বা সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় এর বানানে বিশেষ পরিবর্তন আসে।
- বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের শব্দে সাধারণত দীর্ঘ-ঊ (ূ) কারের ব্যবহার হয় না, বরং হ্রস্ব-উ (ু) কার ব্যবহার করাই নিয়ম।
- তাই সঠিক রূপটি হবে মুহুরমুহু, যেখানে উভয় ক্ষেত্রেই হ্রস্ব-উ (ু) কার ব্যবহৃত হয়েছে।