৬৮১
‘গৃহ’ প্রবন্ধের লেখিকার কোন বাড়ির স্ত্রীলোকদের দেখতে আগ্রহ হয়?
উত্তর
শরাফত উকিলের বাড়ির
সমাধান
শরাফত উকিলের বাড়ির নারীরা অত্যন্ত কঠোর পর্দার আড়ালে বাস করতেন। লেখিকা সেই পরিবারের অন্দরমহল এবং সেখানকার নারীদের জীবনযাত্রা দেখার জন্য প্রবল কৌতূহল ও আগ্রহ বোধ করেছিলেন, যা প্রবন্ধের কাহিনীতে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
৬৮২
শরাফত উকিলের বাড়ির মহিলারা অতিশয় মিষ্টভাষিণী হলেও তারা ছিলেন-
উত্তর
কূপমণ্ডূক
সমাধান
শরাফত উকিলের বাড়ির মহিলারা দেখতে সুন্দর ও কথা বলতে পটু হলেও তাদের বাইরের জগত সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। তারা কুয়োর ব্যাঙের মতো ক্ষুদ্র গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ ছিল, তাই লেখিকা তাদের ‘কূপমণ্ডূক’ বলে অভিহিত করে তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
৬৮৩
শরাফত উকিলের বাড়িতে লেখিকার অভ্যর্থনা কেমন ছিল?
উত্তর
যথোচিত
সমাধান
শরাফত উকিলের বাড়িতে লেখিকা যখন যান, তখন তাঁকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে গ্রহণ করা হয়েছিল। সেখানকার আতিথেয়তা ছিল যথাযথ ও সুশৃঙ্খল। এই ঘটনাটি দেখায় যে সমাজপতিদের বাড়িতে বাহ্যিক চাকচিক্য ও সৌজন্য থাকলেও নারীরা সেখানে ছিল অন্তঃপুরবাসিনী।
৬৮৪
শরাফত উকিলের পত্নীর নাম কী ছিল?
উত্তর
আমেনা
সমাধান
শরাফত উকিলের পত্নীর নাম ছিল আমেনা। তিনি অত্যন্ত মিষ্টভাষিণী ছিলেন এবং প্রবন্ধের কাহিনীতে তাঁর মাধ্যমে আমরা তৎকালীন ধনী পরিবারের নারীদের গৃহবন্দি জীবনের এক নিপুণ চিত্র খুঁজে পাই, যা পাঠককে গভীরভাবে নাড়া দিয়ে যায়।
৬৮৫
জমিলাকে তাদের বাড়িতে যেতে অনুরোধ করেছিলেন?
উত্তর
খদিজা
সমাধান
খদিজা নামের চরিত্রটিই জমিলাকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তিনি তাঁদের বাড়িতে গিয়ে তাদের জীবনযাত্রা দেখে আসেন। এই কথোপকথনের মাধ্যমেই লেখিকা অন্দরমহলের নারীদের একে অপরের প্রতি মনোভাব ও সম্পর্কের দিকগুলো আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন।
৬৮৬
‘গৃহ’ প্রবন্ধের জমিলা কোন কাজটি কখনো করেনি?
উত্তর
যানবাহনে চড়া
সমাধান
জমিলা তাঁর জীবনে কখনো যানবাহনে চড়েননি কারণ তাঁর বংশে নারীদের বাড়ির বাইরে পা রাখার অনুমতি ছিল না। এই তথ্যটি তৎকালীন সমাজের কঠোর পর্দা প্রথার এক চরম ও অসহনীয় উদাহরণ হিসেবে লেখিকা ‘গৃহ’ প্রবন্ধে অত্যন্ত সফলভাবে উপস্থাপন করেছেন।
৬৮৭
জমিলা লেখিকাকে নিজের বাড়ি দেখাতে নিয়ে গিয়েছিল কেন?
উত্তর
এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ির দূরত্ব দেখানোর জন্য
সমাধান
জমিলা চেয়েছেন লেখিকা যেন দেখেন এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ির দূরত্ব কতটা কম, যা নারীদের চলাচলের জন্য কোনো বড় বাধা হওয়ার কথা ছিল না। তা সত্ত্বেও তারা ঘর থেকে বের হতে পারত না। এই অযৌক্তিক বিধিনিষেধ বোঝাতেই তিনি লেখিকাকে নিয়ে গিয়েছিলেন।
৬৮৮
‘এই আমার কন্যার বাড়ি; এখন আমার বাড়ি চল।’ উক্তিটি কার?
উত্তর
খদিজার
সমাধান
খদিজা তাঁর ঘরোয়া জীবনের মায়া ও সম্পর্কের টান বোঝাতে এই কথাটি বলেছিলেন। এই উক্তির মাধ্যমে লেখিকা একজন সাধারণ গৃহিণীর আপন গৃহের প্রতি মমতা ও অধিকার বোধকে তুলে ধরেছেন, যদিও সেই অধিকারটি ছিল কেবল চার দেয়ালের মাঝে সীমাবদ্ধ।
৬৮৯
জমিলার বাড়ির পথের গলিটি কেমন ছিল?
উত্তর
অপ্রশস্ত
সমাধান
জমিলার বাড়ির অন্দরমহলে যাওয়ার গলিটি ছিল অত্যন্ত সংকীর্ণ বা অপ্রশস্ত। এই অপ্রশস্ত গলিটি যেন তৎকালীন মুসলিম নারী সমাজের বন্দি ও সংকীর্ণ জীবনেরই এক প্রতীকী রূপ, যেখানে বাইরের পৃথিবীর আলো-বাতাস ঢোকার পথও ছিল খুব সীমিত।
৬৯০
জমিলার বাড়ির কক্ষগুলো কেমন ছিল?
উত্তর
ঘিঞ্জি
সমাধান
লেখিকা লক্ষ করেছেন যে জমিলার বাড়ির ঘরগুলো ছিল অত্যন্ত ঘিঞ্জি ও আলো-বাতাসহীন। একটির ওপর আরেকটি ঘর যেন স্তূপীকৃত অবস্থায় ছিল। নারীদের বসবাসের এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে প্রাবন্ধিক অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছিলেন এবং তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন।