অনুপম হাত জোড় করে মাথা নত করার পর কার হৃদয় গলেছিল?
উত্তর: কল্যাণীর হৃদয়।
ব্যাখ্যা: অনুপমের বিনয় ও অনুতাপ কল্যাণীর মনে সহানুভূতি সৃষ্টি করে।
কল্যাণী বিয়ে না করার পণ করেছিল কেন?
উত্তর: যৌতুকপ্রথার বিরোধিতা ও আত্মসম্মান রক্ষার জন্য।
ব্যাখ্যা: বিয়েতে অপমানিত হওয়ায় সে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেয়।
রেহানা আক্তারের সমাজসেবামূলক কাজ ‘অপরিচিতা’ গল্পের কোন দিক নির্দেশ করে?
উত্তর: মানবতা, আত্মমর্যাদা ও নারী শক্তির দিক।
ব্যাখ্যা: গল্পের কল্যাণীর মতোই আত্মনির্ভর ও সমাজমুখী চেতনা প্রকাশ পায়।
“রেহানা আক্তারের মানসিক দৃঢ়তা ‘অপরিচিতা’ গল্পের কল্যাণীর চরিত্রের প্রতিচ্ছবি।” — বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উক্তিটি যৌক্তিক।
ব্যাখ্যা: উভয়েই অপমানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আত্মমর্যাদা বজায় রাখে এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
বিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে কে খুশি হয়নি?
উত্তর: অনুপম খুশি হয়নি।
ব্যাখ্যা: বিয়ের পরিস্থিতি ও পারিবারিক আচরণে সে অস্বস্তি বোধ করে।
গোড়াতেই এত তর্ক-বিতর্ক হয়েছিল কেন?
উত্তর: যৌতুকের বিষয় নিয়ে মতবিরোধের কারণে।
ব্যাখ্যা: বরপক্ষ ও কনেপক্ষের মধ্যে দাবি-দাওয়ার দ্বন্দ্ব ছিল।
উদ্দীপকের সাথে ‘অপরিচিতা’ গল্পের মিলগুলো দেখাও।
উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রেই বিয়ের সময় যৌতুক প্রসঙ্গ
পারিবারিক বিরোধ
বিয়ে ভেঙে যাওয়া
“উদ্দীপকের রফিকুদ্দিনের মনোভাব ‘অপরিচিতা’ গল্পের মূলভাব পরিবর্তনের চাবিকাঠি।” — বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উক্তিটি আংশিক যৌক্তিক।
ব্যাখ্যা: যদিও রফিকুদ্দিন যৌতুকবিরোধী, তবে গল্পে মূল পরিবর্তন আসে কল্যাণীর দৃঢ় সিদ্ধান্ত থেকে।
কে আসর জমাতে অদ্বিতীয়?
উত্তর: অনুপমের মামা।
ব্যাখ্যা: তিনি আসরের প্রধান নিয়ন্ত্রক ও প্রভাবশালী ব্যক্তি।
মেয়ের বয়স পনেরো শুনে অনুপমের মামার মন ভারী হয়েছিল কেন?
উত্তর: কম বয়সে বিয়ে হওয়ায়।
ব্যাখ্যা: এটি সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছিল।