T
Tusher Academy
Menu
Home একাডেমি ভর্তি পরীক্ষা চাকরি পরীক্ষা ব্লগ প্যাকেজ যোগাযোগ
Quick actions
Login Register
অনুসন্ধান করুন
শারীরিক শিক্ষা
বিষয়ভিত্তিক
১১

আয়োডিন ঘাটতি রোগ বর্তমানে কোন্ অঞ্চলে বেশী দেখা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
সাব-সাহারান আফ্রিকা
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো সাব-সাহারান আফ্রিকা। এর কারণ হলো ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কিছু বাস্তবতা:

  • এই অঞ্চলের মাটির গুণাগুণ এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে আয়োডিনের অভাব খুব প্রকট।
  • এখানে আয়োডিনযুক্ত লবণের সহজলভ্যতা এবং সচেতনতার অভাব অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক বেশি।
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পুষ্টিহীনতার এই সমস্যাটি এই অঞ্চলে জনস্বাস্থ্যের একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

সহজ কথায়, ভৌগোলিক অবস্থান এবং পর্যাপ্ত আয়োডিনযুক্ত খাবারের অভাবই এই অঞ্চলকে তালিকার শীর্ষে রেখেছে।

১২

এনজাইম বিক্রিয়ায় Competitive Inhibition কিভাবে Overcome করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
Substrate Concentration বৃদ্ধি করে
সমাধান

এনজাইম বিক্রিয়ায় Competitive Inhibition বা প্রতিযোগিতামূলক বাধা দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সাবস্ট্রেটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে কাজ করে:

  • প্রতিযোগিতামূলক ইনহিবিটর এবং সাবস্ট্রেট উভয়েই এনজাইমের Active Site-এ যুক্ত হওয়ার জন্য লড়াই করে।
  • যখন আমরা বিক্রিয়ায় সাবস্ট্রেটের ঘনত্ব বা Substrate Concentration অনেক বাড়িয়ে দিই, তখন সাবস্ট্রেটের অণুর সংখ্যা ইনহিবিটরের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায়।
  • এর ফলে এনজাইমের সক্রিয় স্থানগুলোতে ইনহিবিটরের বদলে সাবস্ট্রেট যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
  • সহজ কথায়, সাবস্ট্রেটের আধিক্য ইনহিবিটরকে সরিয়ে দিয়ে এনজাইমের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনে।

গাণিতিকভাবে বললে, যদি সাবস্ট্রেটের ঘনত্ব $[S]$ হয়, তবে $[S]$ এর মান যত বাড়ানো হবে, ইনহিবিটর তত বেশি অকার্যকর হয়ে পড়বে এবং বিক্রিয়ার গতি পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

১৩

মানবদেহের প্রয়োজনীয় ক্যালরীর শতকরা কত অংশ শর্করা (Carbohydrate) অংশ থেকে আসা উচিৎ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
৫০-৬০ শতাংশ
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ৫০-৬০ শতাংশ।

সুষম খাদ্য তালিকা অনুযায়ী আমাদের শরীরের প্রতিদিনের মোট শক্তির চাহিদার সিংহভাগ আসা উচিত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার থেকে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিনের মোট ক্যালোরির প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ শর্করা জাতীয় খাদ্য (যেমন: ভাত, রুটি, আলু ইত্যাদি) থেকে গ্রহণ করা সবচেয়ে আদর্শ।

১৪

রেনাল ফেইলিওর ও হাইপারটেনশন কি কারণে হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
Sodium Retention
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো Sodium Retention (সোডিয়াম জমা হওয়া)।

বিষয়টা খুব সহজ: কিডনি যখন ঠিকমতো কাজ করতে পারে না (রেনাল ফেইলিওর), তখন শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম ও পানি বের হতে পারে না। এই সোডিয়াম রক্তে জমতে শুরু করে এবং রক্তনালীতে পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন দেখা দেয়।

১৫

বয়সজনিত সারকোপেনিয়ার সাথে কোন্ পুষ্টি উপাদান সরাসরি জড়িত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
আমিষ ও ভিটামিন ডি
সমাধান

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের পেশির ভর ও শক্তি কমে যাওয়াকে বলা হয় সারকোপেনিয়া। এই সমস্যাটি প্রতিরোধের জন্য সঠিক পুষ্টি খুবই জরুরি। এখানে সঠিক উত্তর হলো আমিষ ও ভিটামিন ডি, কারণ:

  • আমিষ (Protein): পেশি গঠনের মূল উপাদান হলো প্রোটিন। বয়স বাড়লে শরীর থেকে প্রোটিন ক্ষয় হওয়ার প্রবণতা বাড়ে, তাই পেশির ক্ষয় রোধে নিয়মিত আমিষ জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
  • ভিটামিন ডি: হাড়ের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পেশির কার্যকারিতা ঠিক রাখতে ভিটামিন ডি অপরিহার্য। এটি পেশির শক্তি বাড়াতে এবং ভারসাম্য বজায় রাখতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।

সহজ কথায়, পেশির গঠন ঠিক রাখতে আমিষ এবং পেশির কার্যক্ষমতা সচল রাখতে ভিটামিন ডি—এই দুটির সমন্বয়ই সারকোপেনিয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

১৬

কোনটি End products of fat digestion নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
প্রোপিওনিক এসিড
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো প্রোপিওনিক এসিড। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:

  • আমাদের পরিপাকতন্ত্রে চর্বি বা লিপিড জাতীয় খাবার যখন ভেঙে যায়, তখন তা মূলত ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারলে রূপান্তরিত হয়।
  • পরিপাকের মাঝামাঝি ধাপে মনোঅ্যাসাইল গ্লিসারলও তৈরি হতে পারে।
  • কিন্তু প্রোপিওনিক এসিড চর্বি পরিপাকের কোনো সাধারণ বা স্বাভাবিক উপজাত (End product) নয়। এটি মূলত শর্ট-চেইন ফ্যাটি এসিডের অন্তর্ভুক্ত, যা আমাদের অন্ত্রে থাকা ব্যাকটেরিয়ার ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়, সরাসরি চর্বি পরিপাকের মাধ্যমে নয়।

সহজ কথায়, চর্বি ভেঙে মূলত লিপিড অণুর সরল রূপগুলোই পাওয়া যায়, যার তালিকায় প্রোপিওনিক এসিড নেই।

১৭

কোনটি Vitamin D Toxicity-এর সাথে জড়িত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
হাইপারক্যালসিমিয়া
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো হাইপারক্যালসিমিয়া। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:

  • ভিটামিন ডি আমাদের অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।
  • শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে রক্তে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
  • রক্তে ক্যালসিয়ামের এই অতিরিক্ত মাত্রাকেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় হাইপারক্যালসিমিয়া।

সহজ কথায়, ভিটামিন ডি-এর টক্সিসিটি মানেই হলো শরীরে ক্যালসিয়ামের আধিক্য, যা হাড় এবং কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

১৮

কোন্ মিনারেল ঘাটতি দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাটিন্যকে তীব্র করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ম্যাগনেসিয়াম
সমাধান

এখানে সঠিক উত্তর হলো ম্যাগনেসিয়াম।

ম্যাগনেসিয়াম আমাদের অন্ত্রের পেশিগুলোকে শিথিল করতে এবং অন্ত্রে পানি টেনে আনতে সাহায্য করে, যা মল নরম করতে দারুণ কার্যকরী। তাই শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে মল শক্ত হয়ে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

১৯

Maple Syrup Urine Disease কি ধরণের রোগ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
Protein Metabolism এর সমস্যা
সমাধান

সঠিক উত্তর হলো Protein Metabolism এর সমস্যা। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:

  • আমাদের শরীরে প্রোটিন ভাঙার জন্য নির্দিষ্ট কিছু এনজাইম প্রয়োজন হয়।
  • Maple Syrup Urine Disease (MSUD) হলে শরীরে Leucine, Isoleucine এবং Valine নামক তিনটি অ্যামিনো অ্যাসিড ভাঙার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।
  • যেহেতু এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো প্রোটিনের মূল উপাদান, তাই এদের বিপাক বা মেটাবলিজমে সমস্যা হওয়া মানেই এটি মূলত একটি Protein Metabolism সংক্রান্ত রোগ।
  • শরীরে এই অ্যাসিডগুলো জমে যাওয়ার ফলে প্রস্রাবে ম্যাপল সিরাপের মতো মিষ্টি গন্ধ পাওয়া যায়, যা থেকেই এই রোগের নামকরণ হয়েছে।
২০

মানুষের চোখে "Bitot's Spots" হয় কোন্ ভিটামিনের অভাবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
উত্তর
ভিটামিন 'এ'
সমাধান

মানুষের চোখে "Bitot's Spots" হওয়ার মূল কারণ হলো শরীরে ভিটামিন 'এ'-এর তীব্র অভাব। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:

  • আমাদের চোখের কর্নিয়া ও কনজাংটিভাকে সুস্থ রাখতে ভিটামিন 'এ' অপরিহার্য।
  • যখন শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দেয়, তখন চোখের সাদা অংশে (কনজাংটিভা) ছোট ছোট সাদা বা ধূসর রঙের ত্রিকোণাকার দাগ দেখা দেয়, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে Bitot's Spots নামে পরিচিত।
  • এটি মূলত জেরোফথালমিয়া (Xerophthalmia) নামক চোখের রোগের একটি প্রাথমিক লক্ষণ।

তাই চোখের যেকোনো সমস্যা বা দৃষ্টিশক্তির সুরক্ষায় ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ খাবার যেমন—শাকসবজি, রঙিন ফলমূল এবং কলিজা নিয়মিত খাওয়া জরুরি।