৭১১
সাপে কামড়ানোর কত মিনিট পর মৃত্যুঞ্জয় বমি করল?
উত্তর
পনেরো-কুড়ি মিনিট পর
সমাধান
সাপে কাটার পর মৃত্যুঞ্জয় বিষক্রিয়ায় যখন যন্ত্রণাকাতর ছিল, তখন দীর্ঘ সময় পর সে বমি করেছিল। এটি তার শারীরিক অবস্থার চূড়ান্ত অবনতির একটি সংকেত ছিল। এই দৃশ্যটি অত্যন্ত করুণ ও মর্মস্পর্শীভাবে গল্পে বর্ণিত হয়েছে।
৭১২
‘বিলাসী’ কেন আত্মহত্যা করেছিল?
উত্তর
স্বামীর শোকে
সমাধান
স্বামীর বিচ্ছেদ বিলাসীর কাছে ছিল অসহনীয়। তার জীবনের একমাত্র অবলম্বন ছিল মৃত্যুঞ্জয়। তাকে হারানোর পর বেঁচে থাকা তার কাছে অর্থহীন মনে হয়েছিল। শোকের এই গভীরতাই তাকে আত্মহননের পথে ধাবিত করেছিল বলে আমরা মনে করি।
৭১৩
‘আমি তার গায়ে হাত দিতে পারি নাই’ ন্যাড়া বিলাসীর গায়ে হাত দিতে না পারার কারণ কী?
উত্তর
বিবেকের তাড়নায়
সমাধান
ন্যাড়া যখন বিপদের দিনে বিলাসীর কাছে ছিল, তখন সে তার প্রতি এক ধরনের গভীর শ্রদ্ধা ও মায়া অনুভব করেছিল। বিলাসীর পবিত্র ও করুণ মুখচ্ছবির সামনে তার সমস্ত দ্বিধা দূর হয়ে গিয়েছিল। এটি মানুষের প্রতি মানুষের এক আত্মিক টান।
৭১৪
ন্যাড়া কতদিন সন্ন্যাস জীবনযাপন করেছিল?
উত্তর
বছরখানেক
সমাধান
ন্যাড়া সন্ন্যাস জীবন বেছে নেওয়ার মাধ্যমে তার ভবঘুরে ও রহস্যপ্রিয় স্বভাবের পরিচয় দিয়েছে। সমাজের প্রথাগত জীবনের বাইরে নতুন কিছু খোঁজার এই স্পৃহা তাকে বিভিন্ন বিচিত্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করেছে, যার একটি অংশ হলো এই গল্প।
৭১৫
‘কলি কি সত্যিই উল্টাইতে বসিল?’ উক্তিটি কার?
উত্তর
খুড়ার
সমাধান
সমাজপতিরা যখন মনে করে যে পৃথিবী রসাতলে যাচ্ছে কারণ মানুষ নিয়ম মানছে না, তখনই তারা এই ধরনের কথা বলে। এটি মূলত রক্ষণশীলদের এক ধরনের অন্ধ ভয় ও পরিবর্তনের প্রতি অনীহার বহিঃপ্রকাশ। খুবই শক্তিশালী এক বিদ্রূপ এটি!
৭১৬
‘বিলাসী’ গল্পে তৎকালীন সমাজের কোন দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে?
উত্তর
নিষ্ঠুরতা
সমাধান
গল্পে বর্ণিত হিন্দু সমাজের জাতপাত প্রথা ও অস্পৃশ্যতার রূপটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। এক জাতির মানুষ অন্য জাতির হাতে অন্ন খেলে যে অপবিত্র হয়ে যায়—এই কুসংস্কার তৎকালীন সমাজের বিবেককে পঙ্গু করে দিয়েছিল। অত্যন্ত বাস্তবধর্মী বর্ণনা।
৭১৭
‘বিলাসী’ গল্পের রক্ষণশীল সমাজের পরিচয় কোন চরিত্রের মধ্যে ফুটে উঠেছে?
উত্তর
খুড়া
সমাধান
গল্পের খুড়া চরিত্রটি তৎকালীন সমাজের রক্ষণশীলতা ও সংকীর্ণ মানসিকতার ধারক। সে নিয়মের দোহাই দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল। সমাজের নিষ্ঠুরতা ও ভণ্ডামি তার মাধ্যমেই লেখক চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
৭১৮
'মতিচূর' গ্রন্থ রচনা করেছেন- [NU : 13-14]
উত্তর
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
সমাধান
প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা, 'মতিচূর' বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর একটি। এটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। তৎকালীন মুসলিম নারী সমাজের দুরবস্থা ও অধিকার আদায়ে তাঁর এই লেখনী আজও নারী জাগরণের প্রেরণা হিসেবে কাজ করে।
৭১৯
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ও মৃত্যু সন যথাক্রমে- [NU : 01-02]
উত্তর
১৮৮০ ও ১৯৩২
সমাধান
বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের একই দিনে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। নারী শিক্ষার অগ্রদূত এই মহীয়সী নারীর জন্মদিন ও মৃত্যুদিন একই তারিখ হওয়ায় বিষয়টি মনে রাখা তোমাদের জন্য বেশ সহজ হবে।
৭২০
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচনা নয়- [ঢাবি B : ২৪-২৫]
উত্তর
পদ্ম-গোখরো
সমাধান
মনে রেখো, 'পদ্ম-গোখরো' কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। অন্যদিকে মতিচূর, অবরোধবাসিনী ও সুলতানার স্বপ্ন—এই তিনটিই বেগম রোকেয়ার অত্যন্ত পরিচিত ও শক্তিশালী রচনা। লেখক ও তাঁদের রচনার তালিকাটি ভালো করে ঝালাই করে নিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।