কোন সম্পর্কটি বিসদৃশ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option D: বিরামহীন : অবসন্ন।
বিষয়টা খুব সহজ! একটু খেয়াল করলেই মিলটা ধরা যায়:
- প্রথম তিনটি অপশনে (বাটা : গৃহ, কপাল : অদৃষ্ট, পার্থক্য : ভেদ) সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ জোড়া দেওয়া আছে।
- কিন্তু বিরামহীন মানে হলো যা থামে না বা একটানা চলে, আর অবসন্ন মানে ক্লান্ত বা পরিশ্রান্ত। এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক বা বিপরীতার্থক বিষয়ের মতো কাজ করে, যা বাকিগুলোর সাথে মিলছে না। তাই এটিই বিসদৃশ জোড়া।
নিচের কোন শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য 'ণ' হয়েছে ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো কণিকা। কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন— কণিকা, চাণক্য, মানিক্য, বণিভিক, গণ ইত্যাদি শব্দগুলোয় বানানের নিয়মে প্রাকৃতিকভাবেই 'ণ' বসে।
During my lifetime I have dedicated myself to this struggle of the African people.' ঠিক বঙ্গানুবাদ কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো: আমি আমৃত্যু আফ্রিকার মানুষের সংগ্রামে আত্মোৎসর্গ করেছি।
সহজে মনে রাখার উপায় হলো:
- বাক্যের মূল ইংরেজি অংশ "During my lifetime"-এর সঠিক এবং সবচেয়ে মানানসই বাংলা প্রতিশব্দ হলো "আমৃত্যু" বা আজীবন।
- বাকি অপশনগুলোতে শব্দের ব্যবহারে সামান্য ভিন্নতা থাকায় মূল ইংরেজি উদ্ধৃতির ভাব ও রূপ ঠিকমতো বজায় থাকে না।
আল মাহমুদ এর লেখা কবিতা কোনটি ?
আল মাহমুদের লেখা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো লোক লোকান্তর। এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:
- লোক লোকান্তর কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৩ সালে।
- এই বইটির মাধ্যমেই আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতায় তার নিজস্ব কাব্যভাষা ও লোকজ উপাদানের সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।
- তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে কালের কলস এবং সোনালী কাবিন, যা বাংলা সাহিত্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
গীর্জায় গিয়ে যীশু ভজে সে' যীশু কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো কর্মে শূন্য।
বাক্যটিতে 'যীশু' হলো কর্ম কারক। কাকে ভজে? উত্তর হলো 'যীশু'কে। আর এই শব্দটির সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি (যেমন- কে, রে, য়ের) যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
মহাপ্রাণ ধ্বনি কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো খ।
খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা বর্ণমালার প্রতি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেহেতু 'ক' বর্গের প্রথম বর্ণ 'ক' হলো অল্পপ্রাণ এবং ঠিক তার পরের বর্ণ 'খ' হলো দ্বিতীয় বর্ণ, তাই 'খ' একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। উচ্চারণের সময় অতিরিক্ত বাতাস বা প্রাণবায়ু বের হয় বলেই এদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়।
বাংলা বাক্যের শেষে বসতে পারে এমন বিরামচিহ্নের সংখ্যা-
এখানে সঠিক উত্তর হলো ৪টি। কারণ বাংলা বাক্যের শেষে মূলত প্রধান ৪ ধরনের বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয় যা বাক্য শেষ করতে সাহায্য করে।
- দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ ($\text{।}$)
- প্রশ্নচিহ্ন বা জিজ্ঞাসা চিহ্ন ($\text{?}$)
- বিস্ময়সূচক চিহ্ন ($\text{!}$)
- উদ্ধৃতি চিহ্ন (কখনও বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়)
খুব সহজ কথায়, মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশের পর বাক্যের শেষে এই ৪টি চিহ্ন বসার সুযোগ রয়েছে।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দের নাম-
সঠিক উত্তর হলো অমিত্রাক্ষর। বিষয়টি খুব সহজ, মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে নতুনত্বের ছোঁয়া আনতে ইংরেজি ব্ল্যাঙ্ক ভার্স (Blank Verse)-এর অনুকরণে এই ছন্দ প্রবর্তন করেন।
- অমিত্রাক্ষর ছন্দের বৈশিষ্ট্য: এই ছন্দে পঙক্তির শেষে মিল থাকে না এবং প্রতিটি চরণের দৈর্ঘ্য ইচ্ছামতো ছোট-বড় করা যায়।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: তিনি তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'-এ প্রথম এই ছন্দ সফলভাবে ব্যবহার করেন, যা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।
সহজ কথায়, পঙক্তির শেষে মিল না থাকার কারণেই একে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলা হয়।
ঈ-প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি ?
এখানে সঠিক উত্তর হলো সতী। কারণ এটি মূল শব্দ 'সৎ' এর সাথে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত একটি সিদ্ধ স্ত্রীবাচক শব্দ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অনেক সময় বিশেষ নিয়মে বা প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ গঠিত হয়, যার একটি সুন্দর উদাহরণ হলো সতী।
শামসুর রহমানের গ্রন্থ নয় কোনটি?
এখানে সঠিক উত্তর হলো বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা। এই কাব্যগ্রন্থটি কবি শামসুর রহমানের লেখা নয়, এটি মূলত প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। তাই খুব সহজেই বোঝা যায় এটি শামসুর রহমানের তালিকার বাইরে।